img

এসির তাপমাত্রা কেন ১৬-৩০ এর মধ্যে রাখা হয়?

প্রকাশিত :  ১১:৪৫, ০১ জুন ২০২৪

এসির তাপমাত্রা কেন ১৬-৩০ এর মধ্যে রাখা হয়?

দিন দিন বেড়েই চলছে তাপপ্রবাহ। এসি বন্ধ করে দিলেই গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা। কিন্তু এসি ব্যবহার করার সময় কী কখনো খেয়াল করেছেন কেন এসির তাপমাত্রা সর্বোনিম্ন ৩০ এবং ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে যায় না? 

সারা বিশ্বে এসির সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ তাপমাত্রা নির্ধারিত রয়েছে। কিন্তু এর কারণ কী? আসুন জেনে নেওয়া যাক। আপনি নিশ্চয়ই এসির রিমোটে লক্ষ্য করেছেন, তাপমাত্রা ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে যায় না।

কখনো ভেবে দেখেছেন কেন এমন হয়? আপনি যে কোনো ব্র্যান্ডের এসি কিনতে পারেন, তবে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৬ ডিগ্রির কম হবে না। এখন অনেক ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন তাপমাত্রাও ১৮ ডিগ্রিতে নামিয়ে আনা হয়েছে। এর দুটি প্রধান কারণ রয়েছে।

প্রথমত এর থেকে কম এসির তাপমাত্রা আপনার স্বাস্থ্যের জন্য খারাপ। সব এয়ার কন্ডিশনারে একটি ইভাপোরেটর থাকে। এই ইভাপোরেটর কুল্যান্টের সাহায্যে ঠান্ডা হয় এবং এটি আপনার ঘরকেও ঠান্ডা করে।

এমন অবস্থায় এসির তাপমাত্রা ১৬ ডিগ্রির কম হলে ইভাপোরেচরে বরফ জমতে শুরু করবে। যে এসি আপনার ঘর ঠান্ডা করছে সেটি নিজেই ঠান্ডা হয়ে যাবে। এতে আপনার এসি খারাপ হতে পারে। এই কারণে যে কোনো এসির তাপমাত্রা ১৬ ডিগ্রির কম করা যায় না।

অন্যদিকে যখন তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত থাকে তখন আবহাওয়া শীতল থাকে। কিন্তু যখন তাপমাত্রা তার উপরে চলে যায়, তখন আপনি গরম অনুভব করতে শুরু করেন।

যদি এসির তাপমাত্রা ৩০ এর উপরে চলে যায়, তা হলে আর সেটি চালানোর কোনো মানে নেই। কারণ তখন ঠান্ডা বাতাসের পরিবর্তে গরম বাতাস বইতে শুরু করবে। এয়ার কন্ডিশনারের কাজ হলো বাতাস ঠান্ডা করা।  সূত্র: নিউজ১৮

 

img

হাটে হঠাৎ কোরবানির গরু জ্ঞান হারালে করণীয় কী

প্রকাশিত :  ১৫:০৪, ২৩ মে ২০২৬

আর মাত্র কয়েকদিন পরেই পবিত্র ঈদুল আজহা। এই কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে বহু পরিশ্রম আর পরম মমতায় লালন-পালন করা হয় গবাদিপশু। মাথার ঘাম পায়ে ফেলে খামারিরা আদরযত্নে নিজের প্রাণপ্রিয় গরু বা ছাগলটিকে করেন কোরবানি উপযোগী।

স্বপ্নসাধ পূরণে আপন ঠিকানা ছেড়ে প্রিয় প্রাণীটিকে নিয়ে পাড়ি দেন খামারিরা দূরদূরান্তে কোরবানির পশুর হাটে। কিন্তু দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে অনেক সময় তাঁদের পড়তে হয় অনাকাঙ্ক্ষিত-অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতিতে। কারণ, রোদ-বৃষ্টি-ঝড় কিংবা তীব্র শীতে বৈরী আবহাওয়ায় তাঁদের সঙ্গে থাকা কোনো কোনো গরু অসুস্থ হয়ে যায়। কোনোটির হয় জ্বর, কোনোটির হয় খিঁচুনি। হারিয়ে ফেলে জ্ঞান। দ্রুত চিকিৎসা না করালে লাখ টাকার রঙিন স্বপ্ন মুহূর্তেই হয়ে যায় ধূসর।

এখন দেশজুড়ে তাপপ্রবাহের কারণে গরুর অসুস্থতার ঘটনাও অনেক ঘটছে। এমন পরিস্থিতি এড়াতে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা করানোর পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, প্রচণ্ড গরমে গরু বা অন্য গবাদিপশু দ্রুত অসুস্থ হয়ে যায়। এই অবস্থায় দূরপথ পাড়ি দিয়ে গরু আনার সময় ট্রাকে বা নৌযানের কাপড় বা ত্রিপলের ছাউনি রাখতে হবে। সঙ্গে অ্যাসপিরিন-জাতীয় ওষুধ, স্যালাইন, থার্মোমিটার রাখতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে গরুর মুখ দিয়ে লালা ঝরে কি না। আবার অতিরিক্ত পাতলা পায়খানা হয় কি না। হাতে তালুর পেছনের অংশ দিয়ে গরুর কানের পেছনে তাপমাত্রা পরীক্ষা করতে হবে। আরও নিশ্চিত হতে গরুর পায়ুপথের মুখে থার্মোমিটার দিয়ে জ্বর মাপতে হবে। কিছুক্ষণ পরপর পানি পান করাতে হবে। হাটে আনার পথে জ্ঞান হারালে পানি ছিটাতে হবে বলে জানান ভেটেরিনারি চিকিৎসকেরা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাটে আনার পরপরই কোনো কোনো গরু জ্ঞান হারায়। তখন দ্রুত স্যালাইন পান করাতে হবে। এ জন্য নরমাল খাবার স্যালাইন পানিতে মিলিয়ে দিতে হবে। প্রতি ১ লিটার পানিতে ২ প্যাকেট স্যালাইন দিতে হবে। ক্লান্ত গরুর শক্তি জোগাতে ভিটামিন ও গ্লুকোজ-সমৃদ্ধ ওষুধ প্রাণিচিকিৎসকদের পরামর্শ নিয়ে খাওয়ানো যেতে পারে।