img

গুম অধ্যাদেশ ছিল অপ্রয়োজনীয়, ট্রাইব্যুনালের আইনেই বিচার সম্ভব: চিফ প্রসিকিউটর

প্রকাশিত :  ০৮:৩৩, ০৭ এপ্রিল ২০২৬

গুম অধ্যাদেশ ছিল অপ্রয়োজনীয়, ট্রাইব্যুনালের আইনেই বিচার সম্ভব: চিফ প্রসিকিউটর

গুম অধ্যাদেশ আইন অপ্রয়োজনীয় ছিল বলে উল্লেখ করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।

তিনি বলেন, গুম অধ্যাদেশের আওতাধীন যে অপরাধটি ছিল, এরই মধ্যে ট্রাইব্যুনাল আইনে সেটি সংবিধিবদ্ধ ছিল। এ আইনে যে গুমের অভিযোগ বিচারের এখতিয়ার ছিল, সেখানে আরেকটি আইন ও ট্রাইব্যুনাল গঠন করার প্রয়োজনীয়তা ছিল বলে আমার কাছে মনে হয়নি। অর্থাৎ গুমের বিচার ট্রাইব্যুনাল আইনেই সম্ভব।

আজ মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। 

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, গুম অধ্যাদেশ যদি বাতিল হয়ে থাকে এবং ট্রাইব্যুনাল আইনের সঙ্গে ট্যাগ করে দেওয়া হয়, তাহলে আইনমন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। কারণ এই গুম অধ্যাদেশটা একটি অপ্রয়োজনীয় আইন ছিল বলে আমরা কাছে মনে হয়েছে।

তিনি বলেন, ট্রাইব্যুনাল আইনের সঙ্গে একীভূত হওয়াটা ভালো কাজ হয়েছে। এটি সঠিক ও যথার্থ হয়েছে বলেও মনে করেন চিফ প্রসিকিউটর।

এদিকে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গুমের বিচারের পথ প্রশস্ত করতে ‘ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস ট্রাইব্যুনালস (সংশোধন) বিল ২০২৬’ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে আজ। এই সংশোধনীর মাধ্যমে গুমকে ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। সংসদ অধিবেশনে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বিলটি উত্থাপন করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়।

img

পুরো দেশেই বেসিক সুবিধা গড়ে তোলার পরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশিত :  ০৯:১৮, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

ঢাকাকেন্দ্রিক মানুষের সব সুযোগ-সুবিধা শুধু গড়ে উঠেছে। এজন্য সারাদেশ থেকে মানুষ ঢাকামুখী । এই জন্যে দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনার মধ্যে আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে দেশের সকল অংশেই এই বেসিক সুবিধাগুলো পর্যায়ক্রমে পৌঁছে দেওয়া- এমনটাই জানিয়েছেন সংসদনেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আজ বুধবার (২৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে এ কথা জানান তিনি। 

সংসদ অধিবেশনের ২৪তম কার্যদিবসে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের বিভিন্ন জায়গায় উন্নত চিকিৎসাসেবা ও ভালো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হবে। রাজধানীকে ক্লিন ও গ্রিন সিটি হিসেবে গড়ে তুলতে দুই সিটি করপোরেশন নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে। 

ঢাকা উত্তর সিটিতে আগামী ৫ বছরে ৫ লাখ বৃক্ষরোপন করা হবে উল্লেখ করে সংসদনেতা বলেন, মেট্রোরেলের নিচের খালি অংশে মিরপুর ১২ থেকে ডিওএইচএস পর্যন্ত এবং এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে আব্দুল্লাহপুর  থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত নিচের অংশে খালি জায়গায় বৃক্ষরোপন করা হবে।

বিদ্যমান মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচি ধারাবাহিকভাবে সম্প্রসারণের পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, এ কর্মসূচিতে প্রাপ্ত আর্থিক সুবিধার পরিমাণ ও উপকারভোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি, কর্মসূচিতে প্রসবপূর্ব এবং প্রসব পরবর্তী সেবা অন্তর্ভুক্ত করা, টিকা ও প্রাতিষ্ঠানিক ডেলিভারি অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।