প্রকাশিত :  ০৮:০৪, ১৫ অক্টোবর ২০২০

‘আলুর কেজিতে ২০ টাকা লাভ করছেন ব্যবসায়ীরা, এটা অনৈতিক’

‘আলুর কেজিতে ২০ টাকা লাভ করছেন ব্যবসায়ীরা, এটা অনৈতিক’

জনমত ডেস্ক : আলুর কেজিতে ব্যবসায়ীরা অন্তত ২০ টাকা লাভ করছেন বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক। তিনি বলেছেন, এটা একেবারেই অনৈতিক। কেজিপ্রতি খুচরা পর্যায়ে ৩০ টাকা বেঁধে দেয়া হলেও সেটি বাস্তবায়ন কঠিন। তবে আলুর দাম নিয়ন্ত্রণে সরকার কাজ করছে।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সচিবালয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ‘বিশ্ব খাদ্য দিবস ২০২০’ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক জানান, এ বছর বন্যার কারণে আমনের উৎপাদন নিয়ে সরকার অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে। তিনি বলেন, বন্যার কারণে আমনের উৎপাদন কম হবে।

তিনি বলেন, তাই বোরো ধান আসার আগ পর্যন্ত চালের ঘাটতি হতে পারে। এজন্য প্রয়োজন হলে চাল আমদানি করা হবে। তবে আমরা আরও ১৫/২০ দিন দেখবো তারপর সিদ্ধান্ত নেবো।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, আমি মনে করি, বাংলাদেশে খাদ্য ঘাটতি হলেও হাহাকার হবে না। যদি আমনের বেশি ঘাটতি হয়ে যায়, তাহলে চাল আমদানি করতে হতে পারে। প্রধানমন্ত্রী এজন্য সীমিত পরিসরে চাল আমদানির জন্য নীতিগত অনুমোদন দিয়েছেন। সেখানে হয়তো ৫ থেকে ৬ লাখ মেট্রিক টন চাল আনা লাগতে পারে।

এদিকে গত কয়েক দিন ধরে বাজারে কেজিপ্রতি আলু বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৫৫ টাকা ধরে। পাশাপাশি বৃদ্ধি পেয়েছে অন্যান্য সবজির দামও। এতে দরিদ্র, নিম্ন মধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্তের বাজার করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

এ পরিস্থিতিতে তিন পর্যায়ে এই দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার। কেজিপ্রতি খুচরা পর্যায়ে ৩০, পাইকারিতে ২৫ ও হিমাগার থেকে ২৩ টাকা। এই দামে আলু বিক্রি না করলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও ভোক্তা অধিকার কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সম্প্রতি কৃষি বিপণন অধিদফতর থেকে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। দেশের সব জেলা প্রশাসককে এই ব্যাপারে চিঠি দেয়া হয়েছে।

তারপরও বাজারে আলুর দামে তেমন কোনো প্রভাব পড়েনি। এমনকি আজ বৃহস্পতিবারও দেশের বিভিন্ন এলাকায় ৫০ থেকে ৫৫ টাকা আলু বিক্রি হচ্ছে। এরই মধ্যে আজ মন্ত্রী জানালেন দাম নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে সরকার।


Leave Your Comments


অর্থনীতি এর আরও খবর