প্রকাশিত :  ১৪:৫২, ২৬ নভেম্বর ২০১৮

সোস্যাল মিডিয়া ২৪ ঘণ্টা মনিটরিংয়ে থাকবে: ইসি

সোস্যাল মিডিয়া ২৪ ঘণ্টা মনিটরিংয়ে থাকবে: ইসি
জনমত ডেস্ক ।। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারণা ঠেকানোর কোনও ব্যবস্থা না থাকলেও ভোট নিয়ে গুজব, অপপ্রচার হলেই নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিশেষ ইউনিট ইসির সম্মতিতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে বলে সতর্ক করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

পাশাপাশি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গুজব, অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্র ঠেকাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ২৪ ঘণ্টা মনিটরিং করার নির্দেশ দিয়েছে সাংবিধানিক এই প্রতিষ্ঠানটি।

সোমবার (২৬ নভেম্বর) রাজধানী আগারগাওয়ে নির্বাচন ভবনে মোবাইল অপারেটর, নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি ও এনটিএমসির সঙ্গে বৈঠক শেষে এ তথ্য জানান ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ।

তিনি বলেন, ‘ভোটকে নিয়ে প্রপাগাণ্ডা, গুজব, নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ বা বানচাল করার উদ্দেশ্যে ফেসবুকসহ সোস্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের ২৪ ঘণ্টা মনিটরিংয়ে রাখার নির্দেশ দিয়েছি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে।’

ইসি সচিব বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নজরদারিতে থাকবে। ফেইক আইডি থেকে প্রপাগাণ্ডা ছড়ালে এবং চিহ্নিত করে অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে বিদ্যমান আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সোস্যাল মিডিয়া কোনোভাবেই বন্ধ করা যাবে না বলে মত দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি। যারা গুজব ছড়াবে, সহিংসতা ও অপপ্রচার ছড়াবে তাদের বিষয়ে এনটিএমসি, বিটিআরসি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাইবার ক্রাইম ইউনিট মনিটরিং করবে।’

ইসিকে জানিয়েই দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান সচিব।

৩০ ডিসেম্বর ভোটের তারিখ রেখে একাদশ সংসদ নির্বাচনের যে তফসিল নির্বাচন কমিশন ঘোষণা করেছে, তাতে ২৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত মনোনয়নপত্র জমা এবং ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রত্যাহার করা যাবে। এরপর ১০ ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দ হলে আনুষ্ঠানিক প্রচারে যেতে পারবেন প্রার্থীরা।

আইন অনুযায়ী তার আগে ভোটের প্রচারের সুযোগ না থাকলেও সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম, বিশেষ করে ফেসবুকে নানাভাবে নির্বাচনী প্রচারে লাগানো হচ্ছে।

এ বিষয়ে ইসি সচিব হেলালুদ্দীন বলেন, ‘ফেসবুকে প্রচারণার ওপর বিধিনিষেধ আরোপ আচরণবিধির আওতায় নেই। প্রচারণা চালাতে পারবেন প্রার্থীরা; তবে তা প্রার্থিতা প্রত্যাহারের পর। এর আগে প্রচারণা চালালে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

সভায় ভোটকে সামনে রেখে নির্বাচন ভবনসহ সর্বত্র মোবাইল যোগাযোগ নিরবিচ্ছিন্ন রাখার পাশাপাশি ইন্টারনেটের পূর্ণমাত্রার গতি বজায় রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

এর আগে বিকেলে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি), ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি), টেলিটক বাংলাদেশ, গ্রামীণ ফোন, বাংলালিংক, রবি ও এয়ারটেলের শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিয়ে এ বৈঠক করেন ইসি সচিব।


Leave Your Comments


বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এর আরও খবর