করোনার মতো ছোঁয়াচে, ইবোলার মতো মরণঘাতি

প্রকাশিত :  ০১:৪৯, ০৫ জানুয়ারী ২০২১
সর্বশেষ আপডেট: ১০:০৪, ০৫ জানুয়ারী ২০২১

‘ডিজিস এক্স’ নিয়ে শঙ্কিত বিশেষজ্ঞরা

‘ডিজিস এক্স’ নিয়ে শঙ্কিত বিশেষজ্ঞরা

জনমত ডেস্কঃ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) তাদের আশঙ্কার কথা বেশ কয়েকবারই বলেছিল। হয়তো সত্যি হতে চলেছে হুয়ের সেই শঙ্কাই। ডেইলি মেইলের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কোভিড-১৯-এর মতোই ছোঁয়াচে এবং ইবোলার মতো মরণঘাতি প্যাথোজেন অচিরেই মানবজাতির উপর হানা দিতে পারে। নাম জানা না যাওয়ায় সেই ভাইরাসের প্রজাতিকে বলা হয়েছে ‘ডিজিস এক্স’। সতর্ক বার্তা দিয়েছেন ইবোলা ভাইরাসের আবিষ্কারক বিজ্ঞানী  জাঁ জ্যাকুয়েস মুয়েম্বে ট্যামফাম। এই অজানা ভাইরাসের প্রকোপে দেখা দিতে পারে নয়া মাহামারী।


বিজ্ঞানী জাঁ জ্যাকুয়েস মুয়েম্বে ট্যামফাম - ইবোলা ভাইরাসের আবিষ্কারক

সম্প্রতি ওই ব্রিটিশ সংবাদপত্রে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ পেয়েছে। সেখানে ‘ডিজিস এক্স’ নিয়ে সতর্কতা জারি করে ট্যামফাম বলেছেন, খুব শীঘ্রই এই প্যাথোজেনটিকে শনাক্ত করা যাবে। আর সেই ভাইরাস বর্তমান মহামারীর থেকেও ভয়ঙ্কর হবে। এর মারণ ক্ষমতাও বেশি হবে। আফ্রিকার ক্রান্তীয় বৃষ্টিঅরণ্য থেকে প্রতিনিয়িত নিত্যনতুন ভয়ঙ্কর ভাইরাস মানব সমাজে ঢুকে পড়ছে জানিয়ে ট্যামফাম বলেন, সংশ্লিষ্ট প্যাথোজেনটি সম্পর্কে সুনির্দিষ্টভাবে জানা না গেলেও এটি আরও একটি বৈশ্বয়িক মহামারী ঘটাতে সক্ষম। এ প্রসঙ্গে সংবাদপত্রের ওই প্রতিবেদনে গণপ্রজাতান্ত্রিক কঙ্গোর ইনগেন্ডের একটি কেসের কথা তুলে ধরেছেন ট্যামফাম। সেখানে একজন রোগীর হেমোরেজিক জ্বর দেখা গিয়েছিল। সেজন্য তার ইবোলা পরীক্ষা করা হয়। কিন্তু, ডাক্তারি পরীক্ষায় ওই রোগীর ইবোলা রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছিল। সেটা দেখেই চিকিৎসকেদের অনুমান, ওই ব্যক্তি ‘ডিজিস এক্স’-এ আক্রান্ত প্রথমজন। পেশেন্ট জিরো। গবেষক-বিজ্ঞানীদের ধারণা, অজানা ভাইরাসটি কোভিড-১৯-এর মতোই দ্রুত ছড়ায়। কিন্তু সবথেকে ভয়ঙ্কর হল, এই ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির মৃত্যুহার। যা কি না মারণ ইবোলার ৫০-৬০ শতাংশ।