প্রকাশিত :  ১৯:২৯, ১৭ জানুয়ারী ২০২১
সর্বশেষ আপডেট: ২০:০৬, ১৭ জানুয়ারী ২০২১

বৃটেন থেকে ঢাকায় যাওয়া দুই জনের করোনা শনাক্ত

বৃটেন থেকে ঢাকায় যাওয়া দুই জনের করোনা শনাক্ত

জনমত ডেস্ক: বৃটেন ফেরত দু’জনের শরীরে করোনার উপস্থিতি মিলেছে। করোনার নতুন স্ট্রেইনের আতঙ্কের মধ্যেই বাংলাদেশে বৃটেন ফেরত এই দু’জনের দেহে করোনা শনাক্ত হলো। এর মধ্যে ৬৩ বছর বয়সী একজন নারী এবং ৪৭ বছর বয়সী একজন পুরুষ রয়েছেন। উভয়ের করোনা পজেটিভ চিহ্নিত হয় গত ১৬ই জানুয়ারি। তারা দু’জনে কোয়ারেন্টিনে ছিলেন। বর্তমানে তারা করোনা রোগীর জন্য নির্ধারিত উত্তরায় কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।  খবর মানবজমিন অনলাইন।

বিমানবন্দর সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে মানবজমিনের রিপোর্টার ফরিদ উদ্দিন আহমেদ তার প্রতিবেদনে উল্লেখ ওরেন যে, করোনা আক্রান্ত দুই যাত্রী ৩রা জানুয়ারি ঢাকায় আসেন। ঢাকায় ফেরা যাত্রীদের ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিন বাধ্যতামূলক হওয়ায় তারা একটি হোটেলে কোয়ারেন্টিনে ছিলেন।

কোয়ারেন্টিন সময় শেষ হওয়ায় তাদের নমুনা পরীক্ষা করা হলে গত শনিবার করোনা পজেটিভ আসে। এরপর তাদের করোনা রোগীর জন্য নির্ধারিত কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এই দুই যাত্রীর করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ার পর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে এটি বৃটেনে চিহ্নিত করোনার নতুন স্ট্রেইন (প্রজাতি) কিনা, এ বিষয়ে এখনো পরিষ্কার কিছু জানাতে পারেনি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। বৃটেনে নতুন ধরনের করোনাভাইরাস ধরা পড়ায় বৃটেন ফেরত যাত্রীদের ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিনের বাধ্যবাধকতা থাকলেও গত সপ্তাহ থেকে তা কমিয়ে ৪ দিন কার্যকর হয়। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি ঠিক হয়নি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম বলেন, বৃটেন ফেরত দু’জনের শরীরে করোনা ধরা পড়েছে। নতুন স্ট্রেইন কিনা ওভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়নি। আরো পরীক্ষার পর এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে। 

জাতীয় টেকনিক্যাল পরামর্শক কমিটির অন্যতম সদস্য, দেশের বিশিষ্ট ভাইরোলজিস্ট এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম এ বিষয়ে প্রতিবেদককে বলেন, এদের আলাদা রাখতে হবে। কেয়ারফুল থাকতে হবে। নতুন স্ট্রেইনের বিষয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হবে।

তিনি আরো জানান, পরামর্শক কমিটি বৃটেনফেরতদের ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিনের কথা বলছে। আর এই কোয়ারেন্টিন হতে হবে প্রাতিষ্ঠানিক। হোম কোয়ারেন্টিন নয়। কিন্তু সরকার সেটি করেনি। সরকার বৃটেনফেরত যাত্রীদের ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিনের বাধ্যবাধকতা জারি করলেও গত সপ্তাহ থেকে তা কমিয়ে ৪ দিন কার্যকর করা হয়। এ ব্যাপারে অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম বলেন, এটা সঠিক হয়নি। যদি নতুন স্ট্রেইন ঢুকে যায় তাহলে পরিস্থিতি খারাপ হবে।