প্রকাশিত :  ০৯:০২, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২১

এলসি না খোলা প্রতিষ্ঠানের চাল আমদানির বরাদ্দ বাতিল

এলসি না খোলা প্রতিষ্ঠানের চাল আমদানির বরাদ্দ বাতিল

জনমত ডেস্ক : বেসরকারি পর্যায়ে চাল আমদানির অনুমতি পাওয়া প্রতিষ্ঠানের মধ্যে যারা ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ঋণপত্র (লটার অব ক্রেডিট-এলসি) খুলতে পারেনি, তাদের বরাদ্দপত্র বাতিল করা হয়েছে।

গতকাল বুধবার তাদের বরাদ্দপত্র বাতিল করে খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে খাদ্য অধিদফতরের মহাপরিচালকের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে। 

ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, বেসরকারিভাবে চাল আমদানির জন্য বরাদ্দপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের মধ্যে যারা ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে এলসি খোলেনি, তাদের বরাদ্দ বাতিল করা হলো। যেসব বেসরকারি চাল আমদানিকারক ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ব্যাংকে এলসি খুলেছেন এবং ইতিমধ্যে বরাদ্দ পাওয়া চাল বাজারজাত করেছেন, শুধু তারা আরও চাল আমদানির জন্য ইচ্ছুক হলে তাদেরকে প্রমাণসহ এলসি এবং বিল অব এন্ট্রির কপি ফের আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে আবেদন করারও অনুরোধ জানানো হয় চিঠিতে। 

খাদ্যশস্যের বাজারমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রবণতা রোধ ও নিম্নমানের জনগোষ্ঠীকে সহায়তা এবং বাজারদর স্থিতিশীল রাখতে বেসরকারি পর্যায়ে চালের আমদানি শুল্ক ৬২ দশমিক ৫০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২৫ শতাংশ নির্ধারণ করে সরকার। সেই ধারাবাহিকতায় খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে গত ২৭ ডিসেম্বর বেসরকারিভাবে চাল আমদানির জন্য বৈধ আমদানিকারকদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ ১০ জানুয়ারির মধ্যে খাদ্য মন্ত্রণালয়ে আবেদন করতে বলা হয়েছিল। 

খাদ্য মন্ত্রণালয় বিভিন্ন শর্তে বেসরকারি পর্যায়ে মোট ৩২০ ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানকে ১০ লাখ ১৪ হাজার ৫০০ টন চাল আমদানির অনুমতি দিয়েছে। এই অনুমতির চিঠি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। 

বিদেশ থেকে পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে আমদানিকারকের পক্ষে তার ব্যাংক রফতানিকারককে পণ্যমূল্য পরিশোধের যে নিশ্চয়তা দেয়, সেটাই হচ্ছে এলসি বা ঋণপত্র। চাল আমদানির বরাদ্দ পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোকে ৩১ জানুয়ারির মধ্যে এলসি খোলার সময় বেঁধে দেয় খাদ্য মন্ত্রণালয়। পরে সেই সময় ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানো হয়।



Leave Your Comments


অর্থনীতি এর আরও খবর