img

সাংসদ মাহমুদ উস-সামাদ কয়েসের কবর জিয়ারতে হাবিব

প্রকাশিত :  ০৯:২৩, ১৫ জুন ২০২১

সাংসদ মাহমুদ উস-সামাদ কয়েসের কবর জিয়ারতে হাবিব

সিলেট-৩ আসনের প্রয়াত সাংসদ মাহমুদ উস-সামাদ চৌধুরী কয়েসের কবর জিয়ারত করেছেন এই আসনের উপ-নির্বাচনে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিব।

সোমবার (১৪ জুন) বিকেলে ফেঞ্চুগঞ্জের নুরপুরস্থ দেলওয়ার হোসেন চৌধুরী জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে মাহমুদ উস-সামাদ চৌধুরী’র কবর জিয়ারত করেন তিনি।

এ সময় হাবিবুর রহমান হাবিব সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, আমি নির্বাচিত হয়ে প্রয়াত মাহমুদ-উস সামাদ চৌধুরী এম.পি’র অসমাপ্ত উন্নয়ন সমাপ্ত করা আমার প্রথম দায়িত্ব। সকলের আন্তরিকতা ও সহযোগিতা নিয়ে আমি আমার নির্বাচনি এলাকায় কাজ করতে চাই।

এ সময় কবর জিয়ায়তে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি সিলেট জজ কোর্টের পিপি এডভোকেট নিজাম উদ্দিন, জেলা আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হাজী রইছ আলী, জেলা আওয়ামী লীগের উপ-প্রচার সম্পাদক মতিউর রহমান মতি, জেলা আওয়ামী লীগ নেতা এ.আর সেলিম, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী সাইফুল আলম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শামীম আহমদ, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক রাজ্জাক হোসেন, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শওকত আলী, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাছিত টুটুল, হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক মহিব উদ্দিন বাদল, যুগ্ম সম্পাদক শাহ মুজিবুর রহমান জকন, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আউয়াল কয়েস, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক মাহফুজুর রহমান জাহাঙ্গীর, জেলা তাতিলীগের সভাপতি আলমগীর হোসেন, আওয়ামী লীগ নেতা বশির মিয়া, হাজী আতিকুর রহমান, হাজী ফুরুক মিয়া, ওয়াজিদুল হক তুহিন, আজিম উদ্দিন, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক মাশার আহমদ শাহ, সাবেক জেলা ছাত্রলীগ নেতা শাহীন আলী, তুহিন আহমদ, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান সানি, ছাত্রলীগ নেতা নিজাম উদ্দিন, মুহিত হোসেন শাহ প্রমুখ।


img

বানিয়াচংয়ে ৩ জন নিহতের ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

প্রকাশিত :  ১০:২৯, ১৩ মে ২০২৪

হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং উপজেলার ১৩নং মন্দরি ইউনিয়নের আগুয়া গ্রামে সিএনজি স্ট্যান্ড নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় ৩ জন নিহতের ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত বদরুল আলম ওরফে বদিকে আটক করেছে বানিয়াচং থানা পুলিশ। সে ওই গ্রামের মৃত হিরা মিয়ার পুত্র।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ও তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তার শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার নুরপুর গ্রামের একটি পুকুরপাড়ের  তার এক আত্নীয়র বাড়ি থেকে বদিকে আটক করা হয়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বানিয়াচং সার্কেল) পলাশ রঞ্জন দে,বানিয়াচং থানার অফিসার ইনচার্জ দেলোয়ার হোসেন,তদন্ত ওসি আবু হানিফের নেতৃত্ব থানার প্রায় ২৫ জন পুলিশ অভিযানে অংশ নেন। অভিযানে সহায়তা করেন নাসিরনগর থানা পুলিশের একটি দল।

পলাশ রঞ্জন দে বিষয়টি নিশ্চিত করে গণমাধ্যমকর্মীদের জানান, গোপন সংবাদ ও তথ্য-প্রযুক্তির মাধ্যমে খুনের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে আমরা নাসিরনগর থানা পুলিশের সহায়তায় আসামী বদরুল আলম ওরফে বদিকে আমরা আটক করি। যেহেতু এখনো কোনো মামলা দায়ের করা হয়নি তাকে ১৫৪ ধারায় আটক দেখানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে বানিয়াচং থানায় মামলা রয়েছে।

তিনি আরো জানান, হত্যাকান্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে অন্য অভিযুক্তদের ধরতে আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে। সংঘর্ষের ঘটনার ভিডিও ফুটেজ দেখে জড়িতদের সনাক্ত করা হবে। তবে ট্রিপল হত্যাকান্ডের ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো মামলা দায়ের করা হয়নি। মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এর আগে গত শুক্রবার  সংঘর্ষের ঘটনায় ৩ নিহত হওয়ার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি শাহ মিজান শাফিউর রহমান-বিপিএম (বার) পিপিএম। শুক্রবার বিকেলে পরিদর্শনে যান তিনি। ডিআইজি শাহ মিজান শাফিউর রহমান-বিপিএম (বার ) পিপিএম এসময় ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও এলাকার মানুষের সাথে কথা বলে ঘটনার সাথে জড়িত আসামীদের সনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে মর্মে আশ্বাস প্রদান করেন এবং দ্রুত আসামীদের গ্রেফতারের জন্য সংশ্লিষ্ট পুলিশ অফিসারদের নির্দেশনা প্রদান করেন ডিআইজি শাহ মিজান শাফিউর রহমান-বিপিএম (বার) পিপিএম। 

প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার (৯ মে) দুপুরে উপজেলার ১৩নং মন্দরি ইউনিয়নের আগুয়া বাজারে সিএনজি স্ট্যান্ড দখল নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে ৩ জন নিহত হন। নিহতরা হলেন-আগুয়া গ্রামের শুকুর মিয়ার পুত্র আব্দুল কাদির (২৫),বজলু মিয়ার পুত্র সিরাজ মিয়া (৫০) ও আলীরাজ মিয়ার পুত্র লিলু মিয়া (৪০)। এ ঘটনায় আহত হন উভয়পক্ষের প্রায় শতাধিক লোক।

সিলেটের খবর এর আরও খবর