প্রকাশিত :  ১২:১৫, ১৬ জুন ২০২১

দাম প্রকাশ করায় চীনের টিকা পেতে দেরি হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

দাম প্রকাশ করায় চীনের টিকা পেতে দেরি হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

জনমত ডেস্ক: চীনের টিকার দাম জনসম্মুখে প্রকাশ পাওয়ায় সেই টিকা পেতে দেরি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেন, রাশিয়া এবং চীনের টিকার দামের বিষয়ে তাদের সঙ্গে গোপনীয়তার চুক্তি হয়েছিল, কিন্তু সেটা ভঙ্গ হওয়ায় এখন টিকা পেতে দেরি হচ্ছে। তাই এখন তাদের কাছ থেকে টিকার দাম নিয়ে কথা বলা হবে না। তা না হলে টিকা পেতে সমস্যা হবে। আমাদেরকে এখনো ওরা (চীন) জানায়নি। আশা করছি এই মাসের মধ্যে জানাবে। আমাদের পক্ষ থেকে যা কিছু করার ছিল, তা শেষ। 

বুধবার (১৬ জুন) দুপুরে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

সম্পর্কিত খবর


সংসদে তোপের মুখে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, রোজিনা প্রশ্নে দিলেন না ‘উত্তর’

চীন থেকে দেড়কোটি ডোজ টিকা আনার চেষ্টা চলছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

শুধু টিকা দিয়েই করোনা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আগস্ট মাসে ১০ লাখ টিকা কোভ্যাক্স থেকে আমরা পাব। আর রাশিয়ার সঙ্গে আলোচনা চলছে, আজকেও আলোচনা আছে। আজকে হয়তো তারা সিদ্ধান্ত দিবেন, কবে (টিকা) দেবে, কী পরিমাণ দেবে।’

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, ভারতের সিরাম ইনস্টিটিটের সঙ্গেও নিয়মিত আলোচনা হচ্ছে। তবে তারা টিকা দেয়ার ব্যাপারে কোনো আপডেট জানায়নি। তবে, যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, ‘সীমান্ত এলাকাসহ নোয়াখালী এবং মানিকগঞ্জে পর্যন্ত চলে আসছে। অর্থাৎ ঢাকার কাছাকাছি চলে আসছে। এখন সাবধান না থাকলে বিপদ হবে। করোনা সংক্রমণ বেশি। এসব এলাকার আম ব্যবসায়ীদের জন্য সংক্রমণ বাড়তে পারে। যেখানে বাড়ছে সেখানেই লকডাউন দেয়া হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘বিশ্বের উৎপাদনশীল দেশগুলোতে টিকার সুষম বণ্টন নেই। চীনের টিকা পাওয়ার জন্য অপেক্ষায় আছি। আমাদের হাতে ১১ লাখ টিকা আছে। এগুলো ১৯ তারিখ থেকে ৫ লাখ লোককে দেয়া হবে। দ্বিতীয় ডোজ হাতে রেখেই তাদের ৫ লাখ মানুষকে ভ্যাকসিন দেয়া হবে। ১১ লাখ টিকা সরকারি বেসরকারি মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের, বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক শিক্ষার্থীসহ বিদেশগামী যাত্রীদের, সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের দেয়া হবে। একইসঙ্গে দেশে টিকা উৎপাদনের জন্য বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসহ সরকারি প্রতিষ্ঠানেও চেষ্টা চলছে।’

জাহিদ মালেক বলেন, ‘করোনা পরীক্ষা বাড়াতে হবে। এখন ৫০০টি জায়গায় পরীক্ষা হচ্ছে। এটা আরও বাড়াতে হবে। করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় ডাক্তার, নার্স নিয়োগের প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে। প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন, ২০ হাজার ডাক্তার নার্স নিয়োগ দেয়া হয়েছে। আরও যাতে নিয়োগ দেয়া হয়



Leave Your Comments


বাংলাদেশ এর আরও খবর