প্রকাশিত :  ১৩:৫৭, ০১ জুলাই ২০২১

হাউজিং এলাউন্স কমানোয় টাওয়ার হ্যামলেটস মেয়রের নিন্দা

হাউজিং এলাউন্স কমানোয় টাওয়ার হ্যামলেটস মেয়রের নিন্দা

জনমত ডেস্ক: টাওয়ার হ্যামলেটসের নির্বাহী মেয়র জন বিগস সরকার প্রদত্ত হাউজিং এলাউন্স কমিয়ে দেয়ার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। এক বিশেষ বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, সরকার এমন এক সময় এই এলাউন্স কমিয়ে দিল যখন দেশের সাধারন মানুষ নজিরবিহীন খারাপ সময় পার করছেন।

মেয়র এবং হাউজিং বিষয়ক কেবিনেট মেম্বার কাউন্সিলার ড্যানি হ্যাসেল হাউজিং মিনিস্টারের কাছে লেখা এক চিঠিতে অবিলম্বে আগের বরাদ্দ ফিরিয়ে দেয়ার জন্য আবেদন জানিয়েছেন। উল্লেখ্য যে, কেন্দ্রীয় সরকার সারাদেশের জন্য বরাদ্দকৃত ডিসক্রেয়েশনারী হাউজিং পেমেন্টস (ডিএইচপি) ২২% কমিয়ে দিয়েছে। যে সমস্ত বাসিন্দা লোকাল হাউজিং এলাউন্স দ্বারা তাদের রেন্ট সম্পূর্ন পরিশোধ করতে পারেন না তাদেরকে এই ডিএইচপি ফান্ড থেকে সহযোগিতা করা হয়।

লোকাল হাউজিং এলাউন্স সরকার কতৃক নির্ধারিত এবং যেসব বাসিন্দা প্রাইভেটলি বাড়ী ভাড়া নেন তাদেরকে এই ফান্ড থেকে হাউজিং বেনিফিট দেয়া হয়ে থাকে। বাড়ী ভাড়া বেশী হলে সব সময় হাউজিং এলাউন্স দিয়ে পুরো ভাড়া দেয়া সম্ভব হয় না। তখন ডিএইচপি ফান্ড থেকে শর্টফল পূরন করা হয়। টাওয়ার হ্যামলেটসে ৩ বেডরুমের বাড়ীতে এই শর্টফলের পরিমান মাসে প্রায় ২০০ পাউন্ড। সরকার ডিএইচপি ফান্ড কমিয়ে দিলে কাউন্সিলের পক্ষে বাসিন্দাদের আগের মতো আর সাহায্য করা সম্ভব হবে না।

এবছর সরকার কাউন্সিলগুলোকে দুই পর্বে এই অর্থ বরাদ্দের ঘোষনা দিয়েছে। প্রথম পর্বে আর্থিক বছরের শুরুতে দেয়া হবে ১০০ মিলিয়ন পাউন্ড এবং বছরের মাঝখানে দেয়া হবে ৪০ মিলিয়ন পাউন্ড। এই ১৪০ মিলিয়ন পাউন্ড মোট বরাদ্দ গত বছরের তুলনায় ২২% কম। টাওয়ার হ্যামলেটসে তার বরাদ্দ থেকে প্রথম কিস্তিতে ৪৫% কম দেয়া হয়েছে এবং দ্বিতীয় কিস্তিতে অর্থ্ ামধ্যবর্তী বরাদ্দ কত হবে তা এখনো নিশ্চিত নয়।

সরকারের এই ঘোষনা জানার পর মেয়র জন বিগস এবং হাউজিং বিষয়ক কেবিনেট মে“ার কাউন্সিলার ড্যানি হ্যাসেল হাউজিং মিনিস্টারের কাছে দ্রুত এক চিঠিতে টাওয়ার হ্যামলেটসে আগের বরাদ্দ ফিরিয়ে দেয়ার আহধ্বান জানান। চিঠিতে মহামারীর কারনে ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে ডিএইচপি ফান্ডে আরো বেশী বরাদ্দের আবেদন জানান।

মেয়র বলেন, ভাড়াটিয়া উচ্চেছদ নিষেধাজ্ঞা উঠে যাবার কারনে এর প্রয়োজনীয়তা আরো বৃদ্ধি পেয়েছে। বাসিন্দারা স্মরনকালের ভয়াবহ সময় পার করছি। এই মূহুর্তে তাদের আরো সহযোগিতা দরকার। আশা করব সরকার আমাদের আগের ফান্ড ফিরিয়ে দিবে।

কাউন্সিলার ড্যানি হ্যাসেল বলেন, ডিএইচপি ফান্ড কেটে দেয়াটা খুবই দূচ্ঞখজনক। এটি আমাদের বারার অনেক বাসিন্দাকে ক্ষতিগ্রস্থ করবে। এমনিতেই মহামারী এবং মাত্রাতিরিক্ত হাউজিং কস্টের কারনে তারা সমস্যায় রয়েছেন। এর সাথে এটা যোগ হলে তাদের কষ্ট আরো বাড়বে। এছাড়া ৪০ মিলিয়ন পাউন্ড বছরের মাঝামাঝি পর্যন্ত আটকে রাখার কারনে বাজেট প্রণয়নেও সমস্যা হবে। আমাদেরকে অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকতে হবে।




Leave Your Comments


কমিউনিটি এর আরও খবর