প্রকাশিত :  ০৪:৪৯, ২২ জুলাই ২০২১

ঈদ শেষে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ঘাটে ঢাকামুখী মানুষের ঢল

ঈদ শেষে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ঘাটে ঢাকামুখী মানুষের ঢল

পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটি শেষে আবারো শুরু হচ্ছে ঢাকামুখী মানুষের স্রোত। শুক্রবার ভোর থেকে আবারো দু’সপ্তাহের কঠোর লকডাউন শুরু হওয়ার আগে বৃহস্পতিবার গ্রাম ছেড়ে ঢাকামুখী হচ্ছে কর্মজীবিরা।এ দিকে টানা ১৪ দিনের লকডাউনের কারণে অনেকে আবার গ্রামেও ফিরে যাচ্ছেন।

বৃহস্পতিবার ভোর থেকেই পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুট দিয়ে শুরু হয়েছে ঢাকামুখী মানুষ পারাপারের ব্যস্ততা। সময় গড়ানোর সাথে সাথে ঘাট এলাকায় যানবাহন ও যাত্রীর সংখ্যা বাড়ছে।কর্মস্থলমুখী মানুষের মাঝে ঈদের আনন্দের ছোঁয়া থাকলেও পাশাপাশি রয়েছে দ্রুততম সময়ে স্বজনদের রেখে আসার বেদনা।

প্রিয়জনদের সাথে ঈদ করতে খুলনায় গিয়েছিলেন গোলাম কিবরিয়া নামে এক ব্যক্তি। তিনি বলেন, মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে আবার ঢাকায় ফিরতে হচ্ছে। অনেক দিন পর গিয়ে দু’দিনেই ফিরে আসা কষ্টদায়ক। বাড়িতে যেতে না যেতেই ফেরার সময় হয়ে যায়। তাই ঈদের আনন্দ থাকলেও কিছুটা খারাপও লাগছে।

বিআইডব্লিউটিসি সূত্রে জানা যায়, ঢাকামুখী মানুষের চাপ সামলাতে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ও আরিচা-কাজিরহাট নৌরুটে ৩৩টি লঞ্চ ও ১৯ ফেরি চালু রাখা হয়েছে।

ঘাট ব্যবস্থাপক মো: সালাম মিয়া জানান, ঈদে শেষ কর্মস্থল ফেরা মানুষের যত চাপই হোক বিআইডব্লিউটিসি প্রস্তত রয়েছে। সবগুলো ফেরি সার্ভিসে নিয়োজিত আছে। ঈদে সেবা দেয়ার জন্য কাউকে ছুটি দেয়া হয়নি। আমরা সর্বক্ষণিক নিয়োজিত রয়েছি।

সারা দেশে করোনার সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বেড়ে যাওয়ায় গত ১ জুলাই সকাল ৬টা থেকে শুরু হয় সাত দিনের কঠোর বিধিনিষেধ। এ বিধিনিষেধ ছিল ৭ জুলাই মধ্যরাত পর্যন্ত। পরে বিধিনিষেধের মেয়াদ আরো ৭ দিন অর্থাৎ ১৪ জুলাই মধ্যরাত পর্যন্ত বাড়ানো হয়। তবে বিধিনিষেধেও বিশেষ ব্যবস্থায় রফতানিমুখী পোশাক ও শিল্প কারখানা খোলা ছিল। এরপর ঈদুল আজহার কারণে ১৫ জুলাই থেকে লকডাউন শিথিল করা হয়।

উল্লেখ্য, করোনাভাইরাসজনিত সংক্রমণ পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ঈদের ছুটি শেষে ২৩ জুলাই সকাল ৬টা থেকে ৫ আগস্ট দিনগত রাত ১২টা পর্যন্ত কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হলো। লকডাউনে সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।



Leave Your Comments


জাতীয় এর আরও খবর