প্রকাশিত :  ১২:৪১, ০৯ আগষ্ট ২০২১
সর্বশেষ আপডেট: ১৩:০৮, ০৯ আগষ্ট ২০২১

পরীমণি যেন প্রতিহিংসার শিকার না হন

- আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী

পরীমণি যেন প্রতিহিংসার শিকার না হন

রোজই রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে লিখি। আজ একটি সামাজিক বিষয় নিয়ে লিখতে চাই। বিষয়টি নারীর রূপ। পাতিবুর্জোয়া সমাজে রূপ ও সৌন্দর্য নারীর সম্পদ না শত্রু? গত বুধবার (৪ আগস্ট) লন্ডন সময় সকালে হঠাৎ ফেসবুক লাইভে এক নারীর আর্তচিৎকার শুনলাম- আমাকে বাঁচাও। কিন্তু কেউ তার চিৎকারে ছুটে আসছে না। এই নারী (নারী না বলে তরুণী বলাই ভালো। আমার ছোট মেয়ের চাইতেও বয়সে অনেক ছোট) আর কেউ নন বাংলাদেশের ছায়াছবির একজন রূপসী নায়িকা, পরীমণি।

রাজনীতি আমার লেখার উপজীব্য। ছায়াছবি, নায়ক-নায়িকা নিয়ে মাথা ঘামাই না। পরীমণিকে নিয়েও আমার মাথা ঘামানোর কিছু ছিল না; যদি কিছুদিন আগে সাভার বোট ক্লাবে তাকে হেনস্তার অভিযোগে একজন অত্যন্ত প্রভাবশালী ধনী ব্যক্তি গ্রেপ্তার না হতেন। অবশ্যই এই ধনী ব্যক্তিকে 'সসম্মানে' জামিন দেওয়া হয়েছে। পরীমণি নামটির সঙ্গে তখনই আমার পরিচয়। তার অভিনীত কোনো ছবিও আমি দেখিনি। সুতরাং তিনি প্রথম শ্রেণির অভিনেত্রী কিনা তাও বলতে পারব না। শুধু পত্রপত্রিকায় তার ছবি দেখেছি।

এই সময় দুটি ঘটনা আমাকে পরীমণি সম্পর্কে আগ্রহী করে তোলে। হেনস্তার অভিযোগে পরীমণি মামলা করেছেন ঢাকার এক প্রভাবশালী ধনী ব্যক্তির বিরুদ্ধে। কিন্তু পুলিশ পরীমণিকেই থানায় ডেকে নিয়ে চার ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করে। আমি এ ব্যাপারে একটু ইনভেস্টিগেটিভ সাংবাদিকতা করে কিছু ভেতরের খবর জানতে পারি। অন্যদিকে দেখি সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে পরীমণির চরিত্র হননকারী খবর ও মন্তব্য বেরোচ্ছে। সহজেই বোঝা যায়, এটা পরীমণির বিরুদ্ধে 'অর্গানাইজড প্রোপাগান্ডা'।