প্রকাশিত :  ০৮:৩৪, ০৩ অক্টোবর ২০২১

ধানক্ষেতে জরাজীর্ণ বিদ্যুৎলাইন, স্পৃষ্ট হয়ে শ্রমিকের মৃত্যু

 ধানক্ষেতে জরাজীর্ণ বিদ্যুৎলাইন, স্পৃষ্ট হয়ে শ্রমিকের মৃত্যু

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার ব্রাহ্মণবাজারে ধান ক্ষেতে কাজ করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আবাছ মিয়া (৩৭) নামে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।
আবাছ উপজেলার ব্রাহ্মণবাজারের সাতরা গ্রামের মৃত উসমান মিয়ার পুত্র। শনিবার বিকেলে এ ঘটনাটি ঘটে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কৃষি জমির ওপর দিয়ে দীর্ঘদিনের জরাজীর্ণ খুঁটি ও বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের মাধ্যমে সাতরা গ্রামে বিদ্যুৎ সংযোগ চলছিলো। আবাছ মিয়া শনিবার (২ অক্টোবর) দুপুরে বাড়ির পাশে ধান ক্ষেতে কাজ করতে যান। এ সময় ক্ষেতের ওপর ছিঁড়ে পড়া জরাজীর্ণ সঞ্চালন লাইনে জড়িয়ে পড়ে মৃত্যু হয়।
বিকেল সাড়ে ৪ টার দিকে গোপাল দাস নামে স্থানীয় এক বৈদ্যুতিক শ্রমিক  ক্ষেতের ওপড় ছিঁড়ে পড়া সঞ্চালন লাইনটি মেরামত করতে যান। সেখানে গিয়ে ধানক্ষেতের মাঝে আবাছের মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখে এলাকার মানুষকে জানান। পরে স্থানীয়রা ধানক্ষেত থেকে আবাছের মরদেহ উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যান।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, বিদ্যুৎ বিভাগ দীর্ঘদিনের পুরাতন ও জরাজীর্ণ খুঁটি এবং বিদ্যুৎ লাইন সংস্কার না করায় এরকম দুর্ঘটনা ঘটেছে।
এ বিষয়ে জানতে কুলাউড়া বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. উসমান গণির মুঠোফোনে শনিবার রাত সাড়ে আটটার দিকে একাধিকবার কল দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
তবে কুলাউড়া বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ কেন্দ্রের সহকারী প্রকৌশলী মো. মফিজ উদ্দিন তালুকদার বলেন, বিকেলে ব্রাহ্মণবাজারের সাতরা গ্রামে ধানক্ষেতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে একজন মারা গেছে শুনেছি। খবর পেয়ে বিদ্যুৎ বিভাগের লোক সেখানে গিয়ে জমিতে পড়ে থাকা সঞ্চালন লাইন মেরামত করেছেন।
বিদ্যুৎ বিভাগের গাফিলতি অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মফিজ উদ্দিন তালুকদার বলেন, জরাজীর্ণ লাইন ও খুঁটি সংস্কারের কাজ চলমান রয়েছে। পর্যায়ক্রমে সব জরাজীর্ণ লাইন ও খুঁটি সংস্কার হবে।
কুলাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিনয় ভূষন রায় বলেন, শনিবার সন্ধ্যায় খবর পেয়ে নিহত আবাছ মিয়ার বাড়িতে পুলিশ পাঠিয়েছিলাম। তার পরিবারের কেউ অভিযোগ দিতে অসম্মতি জানান।



Leave Your Comments


সিলেটের খবর এর আরও খবর