প্রকাশিত :  ১৪:১৬, ১৫ অক্টোবর ২০২১

ব্রিটেনে জরুরি ভিত্তিতে ২০ লক্ষাধিক কর্মী প্রয়োজন

ব্রিটেনে জরুরি ভিত্তিতে ২০ লক্ষাধিক কর্মী প্রয়োজন

জনমত ডেস্ক :  ব্রিটেনে এখনই ৪৫ হাজার ৩০৩ জন খুচরা বিক্রেতাকর্মী, ৪৪ হাজার ৫৪০ জন সেফ ও ১০ লাখ ১৯শ ৪৮ জন নার্স প্রয়োজন। গত ৪ অক্টোবর থেকে ১০ অক্টোবরে ২ লাখ ৩৫ হাজার নতুন চাকরির বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়েছে। গত আগস্ট থেকে ৬ লাখ নতুন লোকবলের চাহিদা সৃষ্টি হয়েছে। গত সপ্তাহে শুধু ভারী ট্রাক চালক চাওয়া হয়েছে ৭ হাজার ৪৯০ জন। লোকবলের অভাবে কোভিড মোকাবেলায় ব্রিটেনের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার গতি পাচ্ছে না। ডেইলি মেইল
ব্রিটেনের রিক্রুটমেন্ট এন্ড এমপ্লয়মেন্ট কনফেডারেশন বিভিন্ন তথ্য ও উপাত্ত বিশ্লেষণ করে বলছে হোম কেয়ারার্স বা গৃহকর্মী প্রয়োজন ৬৩ হাজার ১৩৬ জন। প্রোগ্রাম ও সফ্টওয়্যার ডেভলপমেন্ট খাতে প্রয়োজন ৮৭ হাজার ৮৭৩ জন। প্রাইমারী ও নার্সারি শিক্ষক প্রয়োজন ৩৭ হাজার ৭৪২ জন। ওয়েটার ও ওয়েট্রেস প্রয়োজন ৪ হাজার ৯৬৬ জন। বার স্টাফ প্রয়োজন ৭ হাজার ৮২৪ জন। ভবন নির্মাণে ছাদ কর্মী প্রয়োজন ৭ হাজার ৮২৪ জন। স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা কর্মকর্তা প্রয়োজন ৭ হাজার ৭৮৩ জন। মোট ২.২৯ মিলিয়ন লোকবল জরুরি ভিত্তিতে বিভিন্ন খাতে প্রয়োজন। গত ৬ মাসে ব্রিটেনে এধরনের লোকবলের চাহিদা ৩৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে ক্রিসমাসে বিভিন্ন শপিং মল ও স্টোরগুলোতে পণ্য সরবরাহ ও বিক্রেতা কর্মীর ব্যাপক চাহিদা সৃষ্টি হয়েছে। সুপারমার্কেটগুলো তাদের ক্রেতাদের শেষ মুহুর্তের পণ্য চাহিদা মেটাতে ৫০ শতাংশ লোকবল বৃদ্ধির পরিকল্পনা করলেও কাঙ্খিত কর্মী পাচ্ছে না। ক্রেতাদের আগাম পণ্য কেনার অনুরোধ জানিয়ে বিক্রেতারা বলছে খেলনা, ইলেক্ট্রিকালসহ অন্যান্য পণ্যের ঘাটতি সৃষ্টি হতে পারে বা বন্দরগুলোতে জাহাজ জটে পরিস্থিতির আরো অবনতি হতে পারে।
গত সপ্তাহে ভারী ট্রাক চালকের চাহিদা আরো ৩.৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। চালকদের এ্যাসোসিয়েশন বলছে ব্রিটেনে এখন ১ লাখ চালকের ঘাটতি রয়েছে। মাত্র ২০ জন বিদেশি চালককে এপর্যন্ত ভিসা দেওয়া সম্ভব হয়েছে। চালকদের ধর্মঘটের হুমকি ক্রিসমাসকে ঝুঁকিতে ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ব্রিটেনে অর্থনীতিবিদদের গবেষণা পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ক্যাপিটাল ইকোনোমিক্সের প্রধান পল ড্যালেস বলেন কর্মীর অভাবে অর্থনীতির বিভিন্ন খাত চাঙ্গা না হলে তা পুনরুদ্ধার অসম্ভব হয়ে পড়বে। আগামী মাসগুলো কর্মীর অভাব আরো প্রকট হয়ে পড়বে। ব্রিটিশ চেম্বার অব কমার্সের পলিসি ডিরেক্টর জেমস মার্টিন বলেছেন লোকবলের অভাবে শ্রম এবং দক্ষতার ব্যবধান, ক্রমবর্ধমান খরচের চাপ এবং ক্রমবর্ধমান করের বোঝা যেভাবে সার্বিক সংকট সৃষ্টি করছে তা নিয়ে সরকারকে এখনোই কাজ শুরু করতে হবে।



Leave Your Comments


যুক্তরাজ্য এর আরও খবর