প্রকাশিত :  ১৪:২২, ২৩ অক্টোবর ২০২১

একে করোনায় রক্ষে নেই, সঙ্গে দোসর সালমোনেলা

একে করোনায় রক্ষে নেই, সঙ্গে দোসর সালমোনেলা

জনমত ডেস্ক: একে করোনায় রক্ষে নেই, আবার সালমোনেলা! করোনা আতঙ্কের আবহেই মার্কিন মুলুকে নতুন করে এই ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের খবর মিলেছে। তবে শুধু আমেরিকা নয়, পাশাপাশি কানাডাতেও বাড়ছে সালমোনেলা ব্যাকটেরিয়ার প্রকোপ! আর এই সংক্রমণের উৎস এ বার পেঁয়াজ! এমনটাই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। আমেরিকায় গত আগস্ট এবং সেপ্টেম্বর জুড়ে এই ব্যাকটেরিয়ার ছোবলে অসুস্থ নয় নয় করে ৬৫০ জন। হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে প্রায় ১৩০ জনকে। এখনও পর্যন্ত মৃত্যুর খবর নেই। সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন যে তথ্য দিয়েছে, তাতে এই রোগের উত্‍স হল পেঁয়াজ। আরও পরিষ্কার করে বললে লাল, সাদা এবং হলুদ পেঁয়াজ। সবটাই মেক্সিকো থেকে রপ্তানিকৃত।
ইতিমধ্যেই সালমোনেলা ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ ঘটেছে আমেরিকার ৩১টি রাষ্ট্রে। সালমোনেলা ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের ফলে সাধারণত জ্বর, ডায়রিয়া, পেটে ব্যথার মতো সমস্যা দেখা দেয়। শরীরে এই ব্যাকটেরিয়া সংক্রামিত হওয়ার ৬ ঘণ্টা থেকে ৬ দিন পর্যন্তও সমস্যা বা এই উপসর্গগুলি ক্রমশ প্রকট হতে থাকে। সাধারণত ৪ থেকে ৭ দিন পর্যন্ত এই সংক্রমণের প্রভাব লক্ষ্য করা যায়। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, মূলত ৫ বছরের কম বা ৬৫ বছরের বেশি বয়সীরাই এই ব্যাকটেরিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছেন বেশি। খুব অল্প হলেও এর থেকে ইউরিন, ব্লাড, বোন জয়েন্ট, নার্ভাস সিস্টেমও আক্রান্ত হতে পারে। সিডিসি এক বিবৃতিতে বলেছে, "অসুস্থ মানুষের সাক্ষাৎকার নেবার পর জানা গেছে ৭৫% মানুষ অসুস্থ হওয়ার আগে সম্ভবত কাঁচা পেঁয়াজ খেয়েছেন অথবা পেঁয়াজ রাখা হয়েছিল এমন থালা -বাসনে খেয়েছেন।"তবে এই রোগের উত্‍স একাধিক। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল- কাঁচা মাংস, পোলট্রি এবং সামুদ্রিক মাছ, কাঁচা ডিম, ফল এবং শাকসবজি। কটা দিন আগেই পোলট্রির হাঁস ও মুরগি থেকে সালমোনেলা ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের খবর জানায় মার্কিন সংস্থা সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের পক্ষ থেকে। ২০২০ সালে এখনও পর্যন্ত বিশ্বের ৪২টি দেশ থেকে সালমোনেলা ব্যাকটেরিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার খবর মিলেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটা মারণ রোগ নয়। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে তা ভয়াবহ হতে পারে। বিশেষত শিশু, বয়স্ক, গর্ভবতী মহিলা, যাদের অঙ্গ প্রতিস্থাপন হয়েছে এবং যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, তাদের ক্ষেত্রে জটিলতা বাড়তে পারে। সূত্রঃ হিন্দুস্থান টাইমস




Leave Your Comments


বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এর আরও খবর