প্রকাশিত :  ০৯:২৮, ২৫ নভেম্বর ২০২১

পতাকা ওড়ানো পাক ক্রিকেট দলের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন গ্রহণ করেনি আদালত

পতাকা ওড়ানো পাক ক্রিকেট দলের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন গ্রহণ করেনি আদালত
জনমত ডেস্ক : এল আর বাদল, মামুন খান: [২] অতিরিক্ত মহানগর হাকিম আবু বক্কন সিদ্দিকের আদালত আজ বৃহস্পতিবার আবেদনটি খারিজ করে দেন। আদালত বলেছেন, আবেদনে এমন কোন উপাদান নেই যাতে এটাকে অভিযোগ হিসেবে গ্রহণ করা যায়।
এর আগে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ পাকিস্তান ক্রিকেট দলের অধিনায়ক বাবর আজমসহ ২১ জনের বিরুদ্ধে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে মামলার আবেদন করেন।
তিনি জানান, বাংলাদেশের মিরপুরের একাডেমি মাঠে পাকিস্তানে পতাকা উড়িয়ে অনুশীলন করায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়। এ বিষয়ে বিকেলে আদেশ দেওয়া হবে।
গত (১৮ নভেম্বর) বৃহস্পতিবার মিরপুর স্টেডিয়ামে অনুশীলনের সময় পাকিস্তানের পতাকা ওড়ানোর জন্য পাকিস্তান ক্রিকেট দলের শাস্তি দাবি করেছে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ। সেদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে মানববন্ধন থেকে পাকিস্তানের পতাকা পুড়িয়ে এ দাবি জানানো হয়।
পতাকা ওড়ানোর ঘটনায় নীরব ভূমিকার জন্য বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের অপসারণেরও দাবি তুলেছে সংগঠনটি।

বাংলাদেশের মাটিতে পা রেখে সোমবার (১৫ নভেম্বর) প্রথম দিনের অনুশীলন করেন হাফিজ-শাহিনরা।সেদিন পাকিস্তান দলের নেট প্র্যাকটিস করার সময় শের-ই-বাংলা একাডেমির পশ্চিম-উত্তর কোণে নেটের দুদিকে নিজেদের জাতীয় পতাকা টানিয়ে ব্যাটিং-বোলিং প্র্যাকটিস করতে থাকেন পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা। পরে পাকিস্তানের এমন কৌশলের কারণ ব্যাখ্যা করেছেন পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দলের মিডিয়া ম্যানেজার ইব্রাহিম বাদিস। ইব্রাহিম বাদিস বলেন, ‘হেড কোচ সাকলায়েন মুশতাক ক্রিকেটারদের মধ্যে দেশপ্রেম জাগ্রত করতে এই কৌশল চালু করেন।
তিনি জাতীয় দলে যোগ দিয়ে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে হোম সিরিজের প্রস্তুতিতে এটি প্রথম চালু করেন। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও আমরা তা অনুসরণ করেছি। তিনি বলেন, এর আগে সাকলায়েন মুশতাক যখন অনূর্ধ্ব-১৬ আর অনূর্ধ্ব-১৯ দলের দায়িত্বে ছিলেন একই কাজ করেছিলেন তিনি। এ ছাড়া ন্যাশনাল হাই পারফরম্যান্স ইউনিটের ক্যাম্পেও এমনটা করতে দেখা গেছে সাকলাইনকে। এবার জাতীয় দলের দায়িত্ব নিয়েও তিনি এটি অব্যাহত রেখেছেন।



Leave Your Comments


খেলাধূলা এর আরও খবর