প্রকাশিত :  ০৯:৩৮, ১৪ জানুয়ারী ২০২২

শেয়ারবাজার স্থিতিশীলকরণ তহবিল: কোন ব্যাংক কত দিল জানতে চায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক

শেয়ারবাজার স্থিতিশীলকরণ তহবিল: কোন ব্যাংক কত দিল জানতে চায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক

জনমত ডেস্ক: শেয়ারবাজার স্থিতিশীলকরণ তহবিলে (সিএমএসএফ) কে কতটা অবণ্টিত ও অদাবিকৃত লভ্যাংশ হস্তান্তর করেছে সে তথ্য চেয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকাভুক্ত সব ব্যাংককে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বিভিন্ন ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার এ তথ্য চেয়ে চিঠি দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। চিঠিতে গত নভেম্বর পর্যন্ত অবণ্টিত (আন-ডিস্ট্রিবিউটেড) এবং অদাবিকৃত (আন-কেলেইমড) নগদ ও বোনাস লভ্যাংশ ক্যাপিটাল মার্কেট স্টাবিলাইজেশন ফান্ড বা সিএমএসএফ নামের তহবিলে হস্তান্তর করেছে, সে তথ্য চেয়েছে।
এ তথ্য আগামী ১৮ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) মধ্যে পাঠাতে বলেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
ক্যাপিটাল মার্কেট স্টাবিলাইজেশন ফান্ড তহবিলটি শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর অবণ্টিত এবং অদাবিকৃত নগদ ও বোনাস লভ্যাংশ নিয়ে গঠিত একটি বিশেষ তহবিল। শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) এ তহবিল গঠন করেছে।
এ তহবিল গঠনের উদ্দেশ্য হলো কখনো শেয়ারবাজারে দরপতন হলে তা ঠেকাতে এ তহবিল থেকে বিনিয়োগ করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যাবে। তহবিল থেকে সরাসরি বিনিয়োগ করার এবং শেয়ারবাজার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে ঋণ দেওয়ার বিধান রেখে একটি বিধিমালাও করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।
তবে এ তহবিলে অবণ্টিত নগদ লভ্যাংশ হস্তান্তর করতে আপত্তি না থাকলেও অদাবিকৃত নগদ লভ্যাংশ হস্তান্তরে আপত্তি জানিয়ে আসছে বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী এ অর্থ ব্যাংকের আমানত। এ অর্থ সংশ্লিষ্ট শেয়ারহোল্ডার ছাড়া আর কারো কাছে হস্তান্তরের সুযোগ নেই।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, তালিকাভুক্ত কোনো ব্যাংকের অবণ্টিত মুনাফা হলো- ওই লভ্যাংশ, যা পরিশোধ করার জন্য কোনো ডিভিডেন্ড ওয়ারেন্ট বা চেক বা পে-অর্ডারের মাধ্যমে শেয়ারহোল্ডার বরাবর ইস্যু করা হলেও সংশ্লিষ্ট শেয়ারহোল্ডারের কাছে ওই ডিভিডেন্ড ওয়ারেন্ট বা চেক বা পে-অর্ডার পৌঁছানো যায়নি।
আর অদাবিকৃত লভ্যাংশের সংজ্ঞায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, ডিভিডেন্ড ওয়ারেন্ট বা চেক বা পে-অর্ডারের মাধ্যমে শেয়ারহোল্ডারকে লভ্যাংশ পরিশোধ করার জন্য ইস্যু করার পর সংশ্লিষ্ট শেয়ারহোল্ডার তা গ্রহণ করেছেন, কিন্তু তা নগদে উত্তোলনের জন্য ব্যাংকে জমা দেননি।
বাংলাদেশ ব্যাংক এই অদাবিকৃত লভ্যাংশ সিএমএসএফে হস্তান্তরে আপত্তি জানিয়ে আসছে। এ ইস্যুতে বিএসইসির সঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতদ্বৈততা তৈরি হয়ে আছে।




Leave Your Comments


অর্থনীতি এর আরও খবর