img

পুলিশের সাংগঠনিক কাঠামোতে ৮২৫৮৩ পদ সৃজন করেছি: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত :  ০৬:০৯, ২৩ জানুয়ারী ২০২২

পুলিশের সাংগঠনিক কাঠামোতে ৮২৫৮৩ পদ সৃজন করেছি: প্রধানমন্ত্রী
জনমত ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা বাংলাদেশ পুলিশের বেতনভাতাসহ নানা সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করেছি। ২০০৯ সালে সরকার গঠন করার পর পুলিশের সাংগঠনিক কাঠামোতে ৮২ হাজার ৫৮৩টি পদ সৃজন করেছি।
রোববার সকাল ১০টায় রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স মাঠে পুলিশ সপ্তাহ-২০২২ উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা কমিউনিটি পুলিশ জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত করে দেশের আইনশৃঙ্খলা জানমাল রক্ষা করার ব্যবস্থা নিয়েছি। আমরা শিল্প পুলিশ করে দিয়েছি।
পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট জাতির জনক হত্যার ঘটনা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের বাসায় সেদিন যখন আক্রমণ চালায় তখন এসবি সিদ্দিকুর রহমান এতে বাধা দিয়েছিল। তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। আরও অনেক পুলিশ সদস্য সেদিন আহত হন। আমি তাদের স্মরণ করি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৮১ সালে আওয়ামী লীগ আমাকে সভাপতি নির্বাচিত করে। আমি দেশে ফিরে এসে দেখি খুনি-দোসররা ক্ষমতায়। আমরা ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে দেখলাম, তখন পুলিশের বাজেট ছিল মাত্র ৪০০ কোটি টাকা। সেটিকে আমরা ৮০০ কোটি টাকা করে দিয়েছিলাম। পুলিশের বেতন-রেশন বৃদ্ধি করেছি। ট্রাস্ট ফান্ড গঠন করি। পুলিশের জন্য ঝুঁকি ভাতা আমরা প্রণয়ন করি।
‘দক্ষ পুলিশ, সমৃদ্ধ দেশ, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ’ স্লোগানে এবার শুরু হয়েছে ‘পুলিশ সপ্তাহ-২০২২’।
সকালে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল অনুষ্ঠানস্থলে এসে দৃষ্টিনন্দন প্যারেড পরিদর্শন করেন।
বার্ষিক পুলিশ প্যারেডে অধিনায়ক হিসেবে নেতৃত্ব দেন পুলিশ সুপার মো. ছালেহ উদ্দিন। তার নেতৃত্বে বিভিন্ন কন্টিনজেন্টের পুলিশ সদস্যরা প্যারেডে অংশ নিয়েছেন।
img

তলে-তলে আবার কি করে সেটা তো বলা মুশকিল: কাদের

প্রকাশিত :  ০৯:১৪, ১৪ মে ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট: ০৯:১৫, ১৪ মে ২০২৪

যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লু’র বাংলাদেশ সফর বিষয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আমি এ নিয়ে কোনো আলোচনা করতে চাই না। রুটিন আসা আসবে, যাবে। ‘তারা কি করছে না করছে জানি না। তারা উপরে-উপরে পাত্তা দেয় না, তলে-তলে আবার কি করে সেটা তো বলা মুশকিল।’

মঙ্গলবার (১৪ মে) সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মত বিনিময়কালে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘একজন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তাকে নিয়ে বাংলাদেশ এত মাতামাতি কেন? তার প্রয়োজনে সে এসেছে। তাদের অ্যাজেন্ডা আছে। সম্পর্ক যখন থাকে সম্পর্কের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলাপ-আলোচনা থাকে। তো সেটা তারা করতে আসছেন। আমরা দাওয়াত করে কাউকে আনছি না।’

সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমরা কোনো প্রকার স্যাংশন, ভিসানীতি এগুলোর কেয়ার করি না।’