img

বাংলাদেশ প্রবাসী কল্যান পরিষদ ইউকের নির্বাচন সম্পন্ন

প্রকাশিত :  ০০:৩৯, ১৯ জানুয়ারী ২০২৩
সর্বশেষ আপডেট: ১১:৫৩, ২০ জানুয়ারী ২০২৩

জাহাঙ্গীর খান সভাপতি, আহবাব হোসেন সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত

বাংলাদেশ প্রবাসী কল্যান পরিষদ ইউকের নির্বাচন সম্পন্ন

বাংলাদেশ প্রবাসী কল্যান পরিষদ ইউকের দ্বিÑবার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে গত ১৭ জানুয়ারী মঙ্গলবার। পূর্ব লন্ডনের ইম্প্রেশন হলে আয়োজিত দ্বিÑবার্ষিক সভায় সভাপতিত্ব করেন বিদায় সভাপতি আশিকুর রহমান। বিদায়ী সাধারণ সম্পাদক মাইনউদ্দিন আনসার এর পরিচালনায় আর্থিক রিপোর্ট পেশ করেন ট্রেজারার আব্দুল হালিম চৌধুরী। 

দ্বিতীয় পর্বে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন প্রবীণ কমিউনিটি নেতা শাহগির বখত ফারুক, অপর দুই নির্বাচন কমিশনার ছিলেন সামী সানা উল্লাহ ও আজিজ চৌধুরী। নির্বাচন পর্যবেক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুহিবুর রহমান মুহিব।

নির্বাচনে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় চেয়ারপার্সন জাহাঙ্গীর খান, জেনারেল সেক্রেটারি আহবাব হোসেন, ট্রেজারার আব্দুল হালিম চৌধুরীসহ ৪১ সদস্য কমিটির নাম ঘোষণা করা হয়।

পূর্ণাঙ্গ কমিটির সদস্যরা হলেন- চেয়ারপার্সন জাহাঙ্গীর খান, সিনিয়র ভাইস চেয়ারপার্সন আব্দুল বারী, ভাইস চেয়ারপার্সন আয়শা চৌধুরী, আবু লেইছ, মো. মানিকুর রহমান, মঈন উদ্দিন, পারভেজ কোরেশী, ফয়জুর রহমান, কাজী আরিফ, সেক্রেটারি সৈয়দ আহবাব হোসেন, জয়েন্ট সেক্রেটারি জাকির হোসেন, ড. সৈয়দ মাসুক আহমদ, জেইন মিয়া, ট্রেজারার আব্দুল হালিম চৌধুরী, অর্গানাইজিং সেক্রেটারি জয়নাল আবেদিন, জয়েন্ট অর্গানাইজিং সেক্রেটারি কাজী আব্দুল কুরাশ, মেম্বারশিপ সেক্রেটারি এম নুমান বিন মালিক, ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স সেক্রেটারি শাহ মুনিম, প্রেস অ্যান্ড পাবলিসিটি সেক্রেটারি মোস্তাক আলী বাবুল, জয়েন্ট প্রেস সেক্রেটারি এম আবু তারিক চৌধুরী, অফিস সেক্রেটারি মোহাম্মদ রুবিদ হোসেন, জয়েন্ট অফিস সেক্রেটারি দেলোয়ার হোসেন খান, ওমেন সেক্রেটারি সেলিনা চৌধুরী, জয়েন্ট ওমেন সেক্রেটারি দিনা হোসেন, জয়েন্ট কালচার সেক্রেটারি নুরুজ্জামান, রিলিজিয়াস সেক্রেটারি আনিসুর রহমান, লিগ্যাল সেক্রেটারি নিল মনি সিং, রিসার্চ অ্যান্ড কমিউনিকেশন সেক্রেটারি দিলওয়ার হোসেন, ও জয়েন্ট রিসার্চ অ্যান্ড কমিউনিকেশন সেক্রেটারি দিলাল আহমদ, ইসি মেম্বার ইকবাল আহমদ, ফয়সল আহমদ, আশিকুর রহমান, ড. শামসুল হক চৌধুরী, নজরুল আহমদ, প্রতিম ঘোষ, নাজিম উদ্দিন।

নবগঠিত কমিটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিগত কমিটির সাফল্যের ধারা অব্যাহত রেখে এই নতুন কমিটিও প্রবাসীদের অধিকার আদায়ে কাজ করে যাবে। বিশেষ করে লন্ডনস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনের মাধ্যমে জাতীয় পরিচয় পত্র, ন্যাশনাল আইডি কার্ড প্রদান, প্রবাসীদের বিনিয়োগ, প্রবাসীদের সম্পত্তি রক্ষায় কাজ করে যাবে। একই সাথে ১৯৭১ সালে যে সকল প্রবাসী স্বাধীনতা সংগ্রামে অবদান রেখে ছিলেন তাদেরকে স্বীকৃতি প্রদানের দাবী জানানো হয়। 


কমিউনিটি এর আরও খবর

img

ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস পালিত

প্রকাশিত :  ১২:০২, ২০ এপ্রিল ২০২৪

১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকারের আনুষ্ঠানিক শপথ গ্রহণের ঐতিহাসিক ঘটনাকে স্মরণ করে  গত বুধবার,১৭ এপিরীর ২০২৪,ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে যথাযোগ্য মর্যাদায় ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস পালিত হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের বঙ্গবন্ধু কর্ণারে অবস্থিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আবক্ষ ভাস্কর্যে পুষ্পস্তবক অর্পনের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচী শুরু হয়। এ সময় দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পরে বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রদত্ত বাণী পাঠ করে শোনান মিনিস্টার (কর্মাস) সেলিম রেজা ও ফার্স্ট সেক্রেটারি অহিদুজ্জামান নুর।

বাংলাদেশের প্রথম রাজধানী’ শীর্ষক একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয় এবং দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে ‘বাংলাদেশের অভ্যূদয়ে মুজিবনগর সরকার’ শীর্ষক একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

সেমিনারের আলোচনায় অংশ নিয়ে রাষ্ট্রদূত ইমরান জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় চার নেতা এবং ত্রিশ লক্ষ শহিদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি বলেন, মুজিবনগর দিবস বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে অনন্য এক দিন এবং মুজিবনগর বাঙালি জাতির বীরত্বের প্রতীক।প্রতীক।

রাষ্ট্রদূত ইমরান আরো বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানের ক্ষেত্রে তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব অত্যন্ত নিষ্ঠা, দক্ষতা এবং আন্তরিকতার সঙ্গে পালন করেছে এবং স্বাধীন বাংলাদেশের পক্ষে আন্তর্জাতিক মতামতকে সুসংহত করেছে।

রাষ্ট্রদূত বলেন, মুজিবনগর সরকার ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা একই সূত্রে গাঁথা, এবং মুজিবনগর সরকারের সাফল্যের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ সকল ক্ষেত্রে অভাবনীয় অগ্রগতি অর্জন করেছে। তিনি প্রবাসী বাংলাদেশিসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে এই সাফল্য গাঁথা সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রদূত ইমরান বাঙালি জাতির হাজার বছরের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস নতুন প্রজন্মসহ সকলের ভালোভাবে জানার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, এটি জাতিকে মাথা উঁচু করে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার শক্তি ও প্রেরণা জোগাবে। তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত উন্নত ও সমৃদ্ধ সোনার বাংলা ও স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একসাথে কাজ করার অনুরোধ জানান।

কাউন্সেলর (পলিটিক্যাল) আরিফা রহমান রুমা সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এবং ঐতিহাসিক এই দিবসের প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। তিনি মন্তব্য করেন বাংলার শোষিত, নিপীড়িত ও নির্যাতিত মানুষের মুক্তির আকাঙ্ক্ষাকে সঠিক খাতে প্রবাহিত করে অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক সমর্থনের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন ছিল মুজিবনগর সরকারের সবচেয়ে বড় সাফল্য।

এরপর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় চারনেতা এবং মুক্তিযুদ্ধে জীবনদানকারী সকল শহিদের আত্মার শান্তি ও মাগফেরাত এবং বাংলাদেশের উত্তরোত্তর শান্তি, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনা করে একটি বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচী শেষ হয়। কর্মসূচী পরিচালনা করেন ফার্স্ট সেক্রেটারি আতাউর রহমান।

কমিউনিটি এর আরও খবর