img

এইচএসসির ফল ৭-৯ ফ্রেব্রুয়ারির মধ্যে

প্রকাশিত :  ০৭:০৪, ২০ জানুয়ারী ২০২৩

এইচএসসির ফল ৭-৯ ফ্রেব্রুয়ারির মধ্যে

জনমত ডেস্ক: এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ করেছে শিক্ষা বোর্ড। আগামী ৭-৯ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ফল প্রকাশ করতে চায় আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি।

শুক্রবার কমিটির আহ্বায়ক ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান তপন কুমার সরকার জানিয়েছেন, এ তিন দিনের মধ্যে ফল প্রকাশে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।

তিনি এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের অপেক্ষায় থাকার কথা জানান।

করোনাভাইরাস মহামারি ও বন্যার কারণে এবার সময় বদলে গত ৬ নভেম্বর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। এতে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা বোর্ড ও কারিগরি বোর্ড মিলিয়ে ১২ লাখের বেশি শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল।

এবারও বিষয়, নম্বর ও সময় কমিয়ে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা নেওয়া হয়। আগের শিক্ষাবর্ষের মতো সিলেবাসও ছিল সংক্ষিপ্ত।

পরীক্ষা শেষ হওয়ার দুই মাসের মধ্যে ফল প্রকাশের রীতি মেনে চলে শিক্ষা বোর্ডগুলো। সেই হিসাবে আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি এ সময়সীমা শেষ হতে যাচ্ছে।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির আহ্বায়ক তপন কুমার জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুমতি ও ফল প্রকাশের সময়সূচি পাওয়ার ভিত্তিতে তা প্রকাশ করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী প্রচলিত প্রথা অনুযায়ী মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার ফল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করে থাকেন।

img

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কমানো হলো গ্রীষ্মের ছুটি

প্রকাশিত :  ১১:৩৮, ২০ জুন ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট: ১৬:১১, ২০ জুন ২০২৪

ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন অবকাশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা ২০ দিনের যে ছুটি চলছে, তা কমিয়ে আনা হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ২ জুলাইয়ের পরিবর্তে ২৬ জুন খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

বৃহস্পতিবার (২০ জুন) বিকেলে এ সিদ্ধান্ত জানায় মন্ত্রণালয়টি।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের শিক্ষাপঞ্জি অনুসারে এবার ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মের ছুটি শুরু হয়েছে ১৩ জুন, যা চলার কথা ২ জুলাই পর্যন্ত।

এর আগে মাধ্যমিক-১ শাখার একজন উপসচিব সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, বছরের শুরুতে তীব্র শীত ও মাঝামাঝি সময়ে প্রচণ্ড গরমের কারণে শিখন ঘাটতি তৈরি হয়েছে। নতুন কারিকুলামে জুলাই মাসে যে ষাণ্মাসিক মূল্যায়ন হবে, তার প্রস্তুতি ভালো হয়নি। আমাদের কাছে খবর আছে, অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্ধারিত সিলেবাস শেষ করতে পারেনি।

তিনি আরও জানান, অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ২ জুলাই পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করেছে। তবে অনেক বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ২৩ জুন পর্যন্ত ছুটি দিয়েছে। অর্থাৎ, ২৪ জুন থেকে তারা ক্লাস নেবেন। ওইদিন অথবা একদিন আগে বা পরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার নির্দেশনা আসতে পারে। এ নিয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। ঈদের ছুটি শেষে অফিস খুললে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেওয়া হবে। এ ছাড়া শনিবার পুনরায় ছুটি দেওয়া হতে পারে।

সম্প্রতি শিক্ষামন্ত্রী মুহিবুল ইসলাম চৌধুরীও সেরকম ঈঙ্গিত দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, ঈদুল আজহার পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শনিবার খোলা বা বন্ধ রাখার বিষয়ে আমরা সিদ্ধান্ত নেব। এখন পর্যন্ত শনিবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা আছে। আমরা চেষ্টা করছি, শনিবার যে বন্ধ পূর্বে ছিল, সেটা যাতে করে বলবৎ রাখতে পারি। ইতোমধ্যে আমরা (শিক্ষাবর্ষের) ক্যালেন্ডারের হিসাব নিয়েছি।

তিনি আরও বলেন, আমাদের বেশ কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এইচএসসি পরীক্ষা কেন্দ্র নির্বাচিত হয়েছে, প্রায় চারশর মতো। সেখানে সংযুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো আছে, সেগুলোতে শনিবারও খোলা রাখতে হতে পারে। আবার সিলেট অঞ্চলে বন্যার কারণে যেসব প্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল সেগুলোতেও বিশেষভাবে খোলা রাখার বিধান রেখে দেশের অন্যান্য জায়গায় পূর্বের মতো বহাল হাল রাখতে পারি তার ওয়ার্ক-আউট করা হচ্ছে। আমরা ঈদুল আজহার পর সুনির্দিষ্ট প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সবাইকে অবগত করব। তবে এ মুহূর্তে যেটা মনে হচ্ছে বন্ধ রাখাটা (শনিবার) সম্ভব হবে।

বছরের শুরুতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটির তালিকা, বিভিন্ন পরীক্ষা ও মূল্যায়নের সূচি ঘোষণা করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে স্কুল এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ থেকে মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটির তালিকা প্রকাশ করা হয়।

অন্যদিকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর ছুটির তালিকা, বিভিন্ন পরীক্ষা ও মূল্যায়নের সূচি জানানো হয়। এটি ‘শিক্ষাপঞ্জি’ নামে পরিচিত।