img

অতিথি পাখির কলকাকলিতে মুখর নোবিপ্রবির ‘ময়না দ্বীপ’

প্রকাশিত :  ১৬:৫৪, ২২ জানুয়ারী ২০২৩

অতিথি পাখির কলকাকলিতে মুখর নোবিপ্রবির ‘ময়না দ্বীপ’

জনমত ডেস্ক: অতিথি পাখির কলকাকলিতে মুখর হয়ে উঠেছে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি  বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি) ক্যাম্পাসের ময়না দ্বীপ। শীতের শুরুতেই ক্যাম্পাসে আগমন ঘটে অতিথি পাখির। আর শীত বাড়তে থাকার সঙ্গে সঙ্গে ক্যাম্পাসের অতিথি পাখির আগমন  বাড়িয়ে দিয়েছে ক্যাম্পাসের সৌন্দর্য। প্রকৃতি প্রেমীদের কাছে ময়না দ্বীপ যেনো সৌন্দর্য উপভোগের তীর্থস্থান। 

ডিসেম্বরে শেষের দিক থেকে ক্যাম্পাসের ময়নার অতিথি পাখি আসতে শুরু করে। তখন খুব কম সংখ্যক অতিথি পাখি আসে। তবে শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে  এক\'শ এক একরের ক্যাম্পাসে অতিথি পাখির সংখ্যা বেড়েছে। ময়না দ্বীপ সংলগ্ন জলাশয়ে বিচারণ করতে দেখা যায় হাজারো অতিথি পাখি। বিভিন্ন প্রজাতির অতিথি নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে বিগত বছরগুলোর থেকে এ বছর পাখির আগমন অনেক বেশি।  

অতিথি পাখির কলকাকলি উপভোগ করতে ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরীণ শিক্ষার্থীরাই শুধু নয় আশেপাশের বিভিন্ন জায়গা থেকে সৌন্দর্য প্রেমীরা সৌন্দর্য্য উপভোগ করতে এখানে আসেন। ময়না দ্বীপের পাশে শান্তি নিকেতনে শিক্ষার্থীদের গানের আসর বসে। পাখির কিচিরমিচির শব্দ সে গানের আসরকে করে আরো সুন্দর। ব্যস্ত ক্যাম্পাস জীবনের মাঝে একটু শান্তি খুঁজে পেতে প্রতিদিনই সৌন্দর্য্য  উপভোগ করতে হাজি হয় শতো শিক্ষার্থী। 

অতিথি পাখির আগমন বিষয়ে নোবিপ্রবি শিক্ষার্থী সাইদুল হক ফয়সাল বলেন, শীতকালে অতিথি পাখির অভিবাসনের চিত্র মিলে বাংলাদেশের নানান জায়গায়। অভিবাসনের এই অপরূপ চিত্রকল্প অঙ্কন করতে ঝাঁকে ঝাঁকে অতিথি পাখি অংশ নিয়েছে আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের ময়নার দ্বীপে। এই পাখিগুলোর আগমনে ময়নার দ্বীপ সেজেছে এক নতুন সাজে,শিক্ষার্থীরা চোখজুড়ানো দৃশ্য দেখে আনন্দে মাতোয়ারা। ২০১৮ সালের পর পুনরায় এমন দৃশ্য দেখে সবাই আহ্লাদিত। কিন্তু যদি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এই ময়নার দ্বীপকে ইজারা দিয়ে দেয়,তখন কি আর দেখা মিলবে এই অপরূপ দৃশ্যটি? এমন প্রশ্ন নিয়মিত ঘুরপাক খাচ্ছে সচেতন শিক্ষার্থীদের মনে।

প্রতিবছর উত্তরের শীত প্রধান সাইবেরিয়া, মঙ্গোলিয়া, নেপাল, জিনজিয়াং ও ভারত থেকে হাজার হাজার অতিথি পাখি বাংলাদেশে আসে।

এরা ডানায় ভর করে হাজার হাজার মাইল পথ পাড়ি দিয়ে এ অঞ্চলে আসে। মুলত অক্টোবরের শেষ ও নভেম্বরের প্রথম দিকেই এরা এদেশে আসে।আবার মার্চের শেষদিকে তারা তাদের আপন ঠিকানায় ফিরে যায়। পাখি বিশেষজ্ঞদের মতে বাংলাদেশে মোট ৬৯০ প্রজাতির পাখির মধ্যে প্রায় ৩০০ প্রজাতির অতিথি পাখি রয়েছে। এগুলোর মধ্যে প্রতিবছর ক্যাম্পাসে  যেসব পাখি আসে তার মধ্যে বেশির ভাগই হাঁস জাতীয় ও পানিতে বসবাস করে।

img

কক্সবাজারে সন্ত্রাসীদের গুলিতে বাবা-ছেলে নিহত

প্রকাশিত :  ০৭:৩২, ২২ এপ্রিল ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট: ০৭:৪৩, ২২ এপ্রিল ২০২৪

কক্সবাজারের রামুর গর্জনিয়ায় ডাকাতদলের গুলিতে বাবা-ছেলে নিহত হয়েছেন। 

রোববার (২১ এপ্রিল) দিবাগত রাত ১টার দিকে গর্জনিয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের থোয়াংগাকাটা ঘোনারপাড়া নামক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- থোয়াংগাকাটা এলাকার মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে জাফর আলম (৫২) ও জাফর আলমের ছেলে মোহাম্মদ সেলিম (৩৩)।

গর্জনিয়া ইউনিয়নের ঘোনারপাড়া এলাকার বাসিন্দা মির কাসেম বলেন, এখানকার কিছু চিহ্নিত সন্ত্রাসী গরু ডাকাতি করতে আসে। তাদের বাধা দিলে বাবা-ছেলেকে গুলি করে হত্যা করে। এ ঘটনায় এলাকার মানুষ অনেক আতঙ্কে আছে।

তবে পুলিশ বলছে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে এই ঘটনা ঘটেছে। রামু থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু তাহের দেওয়ান মুঠোফোনে বলেন, গর্জনিয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের থোয়াংগাকাটা ঘোনারপাড়া নামক এলাকা থেকে বাবা-ছেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আমি ঘটনাস্থলেই আছি।

তাদের মৃত্যুর কারণ জানতে চাইলে ওসি বলেন, এলাকার আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে এই ঘটনা ঘটেছে। অভিযানে আছি। আপাতত আর কিছু বলতে পারছি না।