img

রুই মাছের সুস্বাদু মইলু খেয়েছেন? রইল তার রেসিপি

প্রকাশিত :  ০৯:২৭, ২৩ জানুয়ারী ২০২৩

রুই মাছের সুস্বাদু মইলু খেয়েছেন? রইল তার রেসিপি

রুই মাছ বাঙালির রোজকার রেসিপি। রুই মাছের ঝোল, ভুনা, দোপেয়াজা অথবা শুধু ভাজা, সবভাবেই হিট। তবে এবারে দেখে নিন রুই মাছের নতুন রেসিপি। বানিয়ে ফেলুন রুই মাছের মইলু। এই পদ তৈরি করা খুবই সহজ, আর খেতেও অত্যন্ত সুস্বাদু। 

রুই মাছের মইলু তৈরির উপকরণ: 

৪-৫ পিস রুই মাছ, পরিমাণমতো তেল, ২টো মাঝারি মাপের পেঁয়াজ, কয়েকটা রসুন, কাঁচা মরিচ কয়েকটা, ১ চা চামচ ভিনেগার, ১ কাপ নারিকেল দুধ, স্বাদমতো লবণ ও চিনি, ১ চা চামচ মরিচ গুঁড়ো, সামান্য হলুদ গুঁড়ো

রুই মাছের মইলু তৈরির পদ্ধতি: ১) মাছের পিসগুলো ভালো করে ধুয়ে নিয়ে লবণ ও হলুদ মাখিয়ে রাখুন আধ ঘণ্টা। পেঁয়াজ, রসুন ও কাঁচা মরিচ কুচি করে নিন। ২) কড়াইয়ে তেল গরম করে মাছগুলো ভালো করে ভেজে নিন। ৩) একটি বাটিতে পেঁয়াজ কুচি, মরিচ কুচি, রসুন কুচি, হলুদ গুঁড়ো, মরিচ গুঁড়ো, চিনি, লবণ, ভিনেগার একসঙ্গে নিয়ে ভালো করে মেশান। এতে দিয়ে দিন নারিকেল দুধ ও পরিমাণমতো পানি।

আবারও মিশিয়ে নিন ভালো করে।

৪) মাছ ভাজার কড়াইতেই ১ টেবিল চামচ মাখন দিয়ে গরম করুন। মাখন গলে গেলে তাতে নারিকেল দুধের মিশ্রণটি দিয়ে দিন। একটু ফুটিয়ে নিন। ৫) এর পর ভেজে রাখা মাছগুলো দিয়ে দিন। ঢাকনা দিয়ে ৪ থেকে ৫ মিনিট রান্না হতে দিন। ৬) ঝোল মাখা মাখা হয়ে এলে গ্যাস বন্ধ করে দিন। ব্যস, তৈরি হয়ে যাবে রুই মাছের মইলু!

img

গরমে শরীর ঠান্ডা থাকবে যেসব পানীয়তে

প্রকাশিত :  ০৫:২৬, ২২ এপ্রিল ২০২৪

বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় তীব্র দাবদাহে জনজীবন বিপর্যস্ত হবার উপক্রম হয়েছে। বেশি গরমে শারীরিক সমস্যা হওয়া ছাড়াও দীর্ঘস্থায়ীভাবে কিডনির রোগ, ফুসফুসের রোগ, হৃদরোগ, চর্মরোগ ইত্যাদি হতে পারে। এ জন্য শরীরকে যতটা সম্ভব ঠান্ডা রাখা জরুরি।

প্রচণ্ড দাবদাহে নিজেকে সতেজ রাখতে কোন পানীয়কে বেছে নিতে পারেন। 

• আমলকির শরবত: আধা কাপ আমলকির রস একটি গ্লাসে ঢালুন। এক চামচ মধু ও স্বাদ মতো বিট লবণ ভালো করে মিশিয়ে নিন। পরিমাণ মতো পানি মিশিয়ে দিন। খুব সহজেই তৈরি হয়ে যাবে আমলকির শরবত। 

• তরমুজ-অ্যালো ভেরার শরবত: কয়েক টুকরো তরমুজের রসের সঙ্গে কয়েকটি তুলসী পাতা, ২ চামচ অ্যালো ভেরার রস আর কয়েকটা বরফ দিয়ে ভালো করে মিক্সিতে ঘুরিয়ে নিন। এ বার মিশ্রণে সামান্য বিট লবণ, গোলমরিচ আর লেবুর রস দিয়ে দিন। গ্লাসে তরমুজের কুচি আর পুদিনা পাতা দিয়ে ঠান্ডা ঠান্ডা পরিবেশন করুন তরমুজ-অ্যালো ভেরার শরবত। 

• গন্ধরাজ ঘোল: দই, পানি, কিছু পুদিনা পাতা, একটু জিরে গুঁড়া, একটু লাল লঙ্কাগুঁড়ো এবং বিট লবণ দিয়ে মিক্সারে ঘুরিয়ে নিন। এ বার সেই মিশ্রণে গন্ধরাজ লেবুর রস, লেবুর নির্যাস আর কয়েকটি বরফ মিশিয়ে নিন। পরিবেশন করুন গন্ধরাজ ঘোল।  

• শিকঞ্জি: পুদিনা পাতা বেটে নিন। তাতে একে একে পাতিলেবুর রস, বিট লবণ, চিনি আর ভাজা জিরে গুঁড়ো মিশিয়ে নিন। এ বার ওপর থেকে সোডা কিংবা ঠান্ডা পানি ঢেলে অল্প নেড়ে বরফ কুচি সহযোগে পরিবেশন করুন শিকঞ্জি। 

• তেঁতুলের শরবত: তেঁতুলের খোসা ও বীজ ছাড়িয়ে ক্বাথ বার করে রাখুন। গন্ধরাজ লেবুর রস বের করে নিন। এ বার মিক্সিতে একসঙ্গে তেঁতুলের ক্বাথ, লেবুর রস, বরফের কুচি, পুদিনা পাতা কুচি, লবণ আর ভাজা জিরে গুঁড়ো মিশিয়ে নিন। পরিবেশন করার পাত্রে তেঁতুলের শরবত ঢেলে ওপর থেকে পুদিনা পাতা কুচিয়ে ও বরফ দিয়ে পরিবেশন করুন।