img

বিদ্যুতের পাইকারি ও খুচরা দাম আবারো বাড়লো

প্রকাশিত :  ০৫:২৫, ৩১ জানুয়ারী ২০২৩
সর্বশেষ আপডেট: ০৫:৩০, ৩১ জানুয়ারী ২০২৩

বিদ্যুতের পাইকারি ও খুচরা দাম আবারো বাড়লো

জনমত ডেস্ক:  সরকারের নির্বাহী আদেশে এবার পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে সব ধরনের বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে। আগামীকাল বুধবার থেকে কার্যকর হবে।

মঙ্গলবার এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি গেজেট আকারে প্রকাশ করে বিদ্যুৎ বিভাগ।

প্রজ্ঞাপনে গ্রাহকপর্যায়ে ৫ শতাংশ ও পাইকারিতে ৮ শতাংশ বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। এ নিয়ে গত ১৪ বছরে ১২ বারের মতো গ্রাহকপর্যায়ে বাড়ল বিদ্যুতের দাম। এ ছাড়া ১৪ বছরে এটি ছিল ১১ দফায় পাইকারি মূল্যবৃদ্ধি।

প্রজ্ঞাপনে গৃহস্থালির খুচরা বিদ্যুতের ক্ষেত্রে ৫০ ইউনিট পর্যন্ত ৩ টাকা ৯৪ পয়সা থেকে চার টাকা ১৪ পয়সা করা হয়েছে। সাধারণ গ্রাহকের ক্ষেত্রে চার টাকা ৪০ পয়সা থেকে বাড়িয়ে চার টাকা ৬২ পয়সা করা হয়েছে। ৭৬ থেকে ২০০ ইউনিট পর্যন্ত ছয় টাকা ১ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ছয় টাকা ৩১ পয়সা, ২০১ থেকে ৩০০ ইউনিট পর্যন্ত ছয় টাকা ৩০ পয়সা থেকে ছয় টাকা ৯৯ পয়সা করা হয়েছে।

এ ছাড়া ৩০১ থেকে ৪০০ ইউনিট পর্যন্ত ছয় টাকা ৩৪ পয়সা থেকে ছয় টাকা ৯৯ পয়সা, ৪০১ থেকে ৬০০ পর্যন্ত ইউনিট ১০ টাকা ৪৪ পয়সা থেকে ২০ টাকা ৯৬ পয়সা এবং ষষ্ঠ ধাপে ৬০০ ইউনিটের ঊর্ধ্বে ১২ টাকা ৩ পয়সা থেকে ১২ টাকা ৩৬ পয়সা করা হয়েছে।

এর আগে গত ১২ জানুয়ারি দুই বছর পর খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম গড়ে ৫ শতাংশ বাড়ায় সরকার। এতে ইউনিটপ্রতি দাম বাড়ে ৩৫ পয়সা। নতুন এ দর জানুয়ারি থেকেই কার্যকর হয়। যার ফলে খুচরায় গ্রাহকপর্যায়ে গড়ে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ভাড়তি ৭ টাকা ৪৮ পয়সা দিতে হচ্ছে। এর মধ্যে আবার বাড়ল বিদ্যুতের দাম।

গত নভেম্বরে পাইকারি পর্যায়ে ১৯ দশমিক ৯২ শতাংশ বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছিল বিইআরসি। এটি ডিসেম্বর থেকে কার্যকর করা হয়।

এরপর ডিসেম্বর থেকেই খুচরা দাম বাড়াতে বিইআরসির কাছে আবেদন করে ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থা। ৮ জানুয়ারি এসব আবেদন নিয়ে শুনানি করে বিইআরসি। এরপর ১২ জানুয়ারি খুচরা পর্যায়ে দাম বাড়ানো হয়, যা ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়েছে। একইসঙ্গে প্রতিমাসে বিদ্যুতের খুচরা দাম নিয়মিত সমন্বয় করা হবে বলেও ওই বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছিল।

দাম বাড়ানোর ক্ষমতা নিজেদের হাতে নিতে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন আইন সংশোধন করে গত ১ ডিসেম্বর অধ্যাদেশ জারি করে সরকার। সংশোধনের সময় বলা হয়েছিল, বিশেষ পরিস্থিতিতে দাম বাড়াবে সরকার। এরপর জানুয়ারিতে প্রথমবারের মতো সরকার ওই ক্ষমতার প্রয়োগ করে।

আবার বাড়ানো নিয়ে প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, প্রত্যেক মাসেই গ্যাস-বিদ্যুতের দাম সমন্বয় করার কথা আমরা আগেই বলেছিলাম। আগামী মাসে বিদ্যুতের দাম আরেকবার সমন্বয় করতে হবে। আমাদের আর ভর্তুকি দেওয়ার সুযোগ নেই। এখন এভাবে সমন্বয়ের মধ্য দিয়েই যেতে হবে।

img

স্থগিতই থাকবে শিশু নূরীর মায়ের জামিন

প্রকাশিত :  ০৬:৫৯, ২২ এপ্রিল ২০২৪

আদালত প্রাঙ্গণে ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় কারাবন্দি দুই শিশুর মা হাফসা আক্তার পুতুলকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন আদেশ স্থগিত করেন আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালত।

ওই স্থগিতাদেশ তুলে নিয়ে জামিন বহাল রাখতে হাফসা আক্তার পুতুলের দায়ের করা আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। ফলে চেম্বার জজ আদালতের দেওয়া আদেশ বহাল রইলো আপিল বিভাগেও।

হাফসা আক্তার পুতুলের দায়ের করা আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে সোমবার (২২ এপ্রিল) প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন নিয়মিত ও পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে আজ আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন ব্যারিস্টার মো. বদরুদ্দোজা বাদল। তার সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ও অ্যাডভোকেট মো. মাকসুদ উল্লাহ।

গত ২৯ নভেম্বর রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন হয়। সেদিন নূরজাহান ও আকলিমার মতো মানববন্ধনে এসেছিল আরও কিছু শিশু। মানববন্ধনের ব্যানারে আয়োজক হিসেবে লেখা ছিল, ‘রাজবন্দিদের স্বজন’। মানববন্ধনে কান্না করে আলোচনায় আসা শিশু নূরীর বাবা আবদুল হামিদ ভূঁইয়া বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত।

শিশুর দাদা আবদুল হাই ভূঁইয়া ২৯ নভেম্বরের মানববন্ধনে অভিযোগ করে বলেছিলেন, তার বড় ছেলে হামিদকে পুলিশ খুঁজছে। তাকে না পেয়ে ছেলের স্ত্রী হাফসাকে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ। তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। অথচ হাফসা রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নন।