img

তুরস্কে বাংলাদেশি স্টুডেন্টস কমিউনিটির সভাপতি মোবাশ্বেরা জাহান

প্রকাশিত :  ০৬:৫৯, ৩১ জানুয়ারী ২০২৩

তুরস্কে বাংলাদেশি স্টুডেন্টস কমিউনিটির সভাপতি মোবাশ্বেরা জাহান

অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশি স্টুডেন্টস ইন তুর্কিয়ে (অ্যাবাস্ট)-এর সভাপতি হয়েছেন আনকারা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিকতা বিভাগের পিএইচডি গবেষক মোবাশ্বেরা জাহান ফাতিমা। ১০০ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি ও সিটি অ্যাম্বাসেডর টিম আগামী এক বছর দায়িত্ব পালন করবেন।

চট্টগ্রামের মেয়ে মোবাশ্বেরা জাহান ফাতিমা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। এখন তিনি তুরস্কের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি গবেষণা সংস্থার ফেলো হিসেবে আছেন। এর আগে তিনি তুরস্কের মাইগ্রেশন রিসার্চ ফাউন্ডেশনে গবেষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

তুরস্ক সরকারের বৃত্তি নিয়ে আনকারার গাজি ইউনিভার্সিটির সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে দ্বিতীয় মাস্টার্স করেছেন। এছাড়া চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল অব ডিবেটের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ। তিনি তুরস্ক সরকারের প্রেস্টিজিয়াস বৃত্তি প্রকল্পের অধীনে স্নাতক সম্পন্ন করে তুরস্কের দুজজে ইউনিভার্সিটিতে ইন্ট্যারন্যাশনাল ট্রেড অ্যান্ড ফিনান্স বিভাগে স্নাতকোত্তরে অধ্যয়ন করছেন। সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান তুর্কীয়ে বুরসলারি স্কলারশিপের অধীনে ডিপার্টমেন্টে প্রথম হওয়ার কৃতিত্ব নিয়ে স্নাতক সম্পন্ন করে মারমারা বিশ্ববিদ্যালয়ে মার্কেটিং বিভাগে স্নাতকোত্তর করছেন।

ইস্তানবুলে অবস্থিত ঢাকা লাউঞ্জ ক্যাফে রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড কালচারাল সেন্টারে অ্যাবাস্টের উপদেষ্টামণ্ডলীর পক্ষ থেকে সহকারী অধ্যাপক ও এশিয়া অ্যান্ড ইন্দো প্যাসিফিক স্টাডিজের তুরস্ক প্রধান নাজমুল ইসলাম কমিটির অনুমোদন দেন।

কমিটি গঠন অনুষ্ঠানে উপদেষ্টামণ্ডলীল মধ্যে উপস্থিত ছিলেন-ইস্তানবুল জাইম ইউনিভার্সিটির সহকারী অধ্যাপক মাজহারুল ইসলাম রবিন, কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ওয়ালিউল্লাহ, পিএইচডি গবেষক মিনহাজুল আবেদিন, ব্যবসায়ী ও অটোমান গ্রুপের সিইও শিহাব আহমেদ।

প্রতিষ্ঠার পর থেকে এখন পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে এ সংগঠনটি। বিদেশের বুকে বাংলা ভাষার চর্চা ধরে রাখতে ও বহির্বিশ্বে তুরস্কে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের অবস্থান জানান দিতে সংগঠনটির পক্ষ থেকে ‘আনাতোলিয়া’ নামে অনলাইন সাময়িকী প্রকাশ করা হয়। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের তুরস্কে উচ্চশিক্ষার ব্যাপারে বিস্তারিত গাইডলাইন দিয়ে যাচ্ছে অ্যাবাস্ট।

কমিউনিটি এর আরও খবর

img

ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস পালিত

প্রকাশিত :  ১২:০২, ২০ এপ্রিল ২০২৪

১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকারের আনুষ্ঠানিক শপথ গ্রহণের ঐতিহাসিক ঘটনাকে স্মরণ করে  গত বুধবার,১৭ এপিরীর ২০২৪,ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে যথাযোগ্য মর্যাদায় ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস পালিত হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের বঙ্গবন্ধু কর্ণারে অবস্থিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আবক্ষ ভাস্কর্যে পুষ্পস্তবক অর্পনের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচী শুরু হয়। এ সময় দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পরে বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রদত্ত বাণী পাঠ করে শোনান মিনিস্টার (কর্মাস) সেলিম রেজা ও ফার্স্ট সেক্রেটারি অহিদুজ্জামান নুর।

বাংলাদেশের প্রথম রাজধানী’ শীর্ষক একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয় এবং দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে ‘বাংলাদেশের অভ্যূদয়ে মুজিবনগর সরকার’ শীর্ষক একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

সেমিনারের আলোচনায় অংশ নিয়ে রাষ্ট্রদূত ইমরান জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় চার নেতা এবং ত্রিশ লক্ষ শহিদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি বলেন, মুজিবনগর দিবস বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে অনন্য এক দিন এবং মুজিবনগর বাঙালি জাতির বীরত্বের প্রতীক।প্রতীক।

রাষ্ট্রদূত ইমরান আরো বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানের ক্ষেত্রে তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব অত্যন্ত নিষ্ঠা, দক্ষতা এবং আন্তরিকতার সঙ্গে পালন করেছে এবং স্বাধীন বাংলাদেশের পক্ষে আন্তর্জাতিক মতামতকে সুসংহত করেছে।

রাষ্ট্রদূত বলেন, মুজিবনগর সরকার ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা একই সূত্রে গাঁথা, এবং মুজিবনগর সরকারের সাফল্যের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ সকল ক্ষেত্রে অভাবনীয় অগ্রগতি অর্জন করেছে। তিনি প্রবাসী বাংলাদেশিসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে এই সাফল্য গাঁথা সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রদূত ইমরান বাঙালি জাতির হাজার বছরের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস নতুন প্রজন্মসহ সকলের ভালোভাবে জানার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, এটি জাতিকে মাথা উঁচু করে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার শক্তি ও প্রেরণা জোগাবে। তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত উন্নত ও সমৃদ্ধ সোনার বাংলা ও স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একসাথে কাজ করার অনুরোধ জানান।

কাউন্সেলর (পলিটিক্যাল) আরিফা রহমান রুমা সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এবং ঐতিহাসিক এই দিবসের প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। তিনি মন্তব্য করেন বাংলার শোষিত, নিপীড়িত ও নির্যাতিত মানুষের মুক্তির আকাঙ্ক্ষাকে সঠিক খাতে প্রবাহিত করে অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক সমর্থনের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন ছিল মুজিবনগর সরকারের সবচেয়ে বড় সাফল্য।

এরপর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় চারনেতা এবং মুক্তিযুদ্ধে জীবনদানকারী সকল শহিদের আত্মার শান্তি ও মাগফেরাত এবং বাংলাদেশের উত্তরোত্তর শান্তি, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনা করে একটি বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচী শেষ হয়। কর্মসূচী পরিচালনা করেন ফার্স্ট সেক্রেটারি আতাউর রহমান।

কমিউনিটি এর আরও খবর