img

ফরিদপুরে কুকুরের কামড়ে আহত হয়ে হাসপাতালে ৩৫

প্রকাশিত :  ০৫:০৬, ১৮ মার্চ ২০২৩
সর্বশেষ আপডেট: ০৫:১২, ১৮ মার্চ ২০২৩

ফরিদপুরে কুকুরের কামড়ে আহত হয়ে হাসপাতালে ৩৫

জনমত ডেস্ক: ফরিদপুরের একটি গ্রামে এক দিনে কুকুরের কামড়ে নারী, শিশু ও বৃদ্ধসহ ৩৫ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ফরিদপুর সদর উপজেলার কানাইপুর ইউনিয়নের সোলাকুন্ডু গ্রামে এই তাণ্ডব চালায় কুকুরটি।

আহত বেশিরভাগ রোগীকেই ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতাল ও ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। সেই সাথে দেয়া হচ্ছে ভ্যাক্সিন।

সোলাকুন্ডু গ্রামের মোহাম্মদ হাবিব জানান, কৈজুরী ইউনিয়ন থেকে আসা একটি কুকুর গ্রামের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্ত পর্যন্ত নানা বয়সী মানুষকে কামড় দেয়।

ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগ থেকে জানা যায়, বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কুকুরে কামড়ানো এই রোগীদের সামলাতে হিমশিম খায় নার্স ও ওয়ার্ড বয়রা। গুরুতর আহত রোগীদের ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে।

ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক মুনতাসির হাসান জিসান জানান, শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত কমপক্ষে ৩৫ জন কুকুরে কামড়ানো রোগী চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে আসেন। আহতদের সর্বোচ্চ সেবা দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানান এই চিকিৎসক।


img

কক্সবাজারে সন্ত্রাসীদের গুলিতে বাবা-ছেলে নিহত

প্রকাশিত :  ০৭:৩২, ২২ এপ্রিল ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট: ০৭:৪৩, ২২ এপ্রিল ২০২৪

কক্সবাজারের রামুর গর্জনিয়ায় ডাকাতদলের গুলিতে বাবা-ছেলে নিহত হয়েছেন। 

রোববার (২১ এপ্রিল) দিবাগত রাত ১টার দিকে গর্জনিয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের থোয়াংগাকাটা ঘোনারপাড়া নামক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- থোয়াংগাকাটা এলাকার মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে জাফর আলম (৫২) ও জাফর আলমের ছেলে মোহাম্মদ সেলিম (৩৩)।

গর্জনিয়া ইউনিয়নের ঘোনারপাড়া এলাকার বাসিন্দা মির কাসেম বলেন, এখানকার কিছু চিহ্নিত সন্ত্রাসী গরু ডাকাতি করতে আসে। তাদের বাধা দিলে বাবা-ছেলেকে গুলি করে হত্যা করে। এ ঘটনায় এলাকার মানুষ অনেক আতঙ্কে আছে।

তবে পুলিশ বলছে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে এই ঘটনা ঘটেছে। রামু থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু তাহের দেওয়ান মুঠোফোনে বলেন, গর্জনিয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের থোয়াংগাকাটা ঘোনারপাড়া নামক এলাকা থেকে বাবা-ছেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আমি ঘটনাস্থলেই আছি।

তাদের মৃত্যুর কারণ জানতে চাইলে ওসি বলেন, এলাকার আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে এই ঘটনা ঘটেছে। অভিযানে আছি। আপাতত আর কিছু বলতে পারছি না।