img

হজের খরচ কমলো ১১ হাজার টাকা, বাড়লো নিবন্ধনের সময়

প্রকাশিত :  ১১:৩১, ২২ মার্চ ২০২৩
সর্বশেষ আপডেট: ১১:৪৬, ২২ মার্চ ২০২৩

হজের খরচ কমলো ১১ হাজার টাকা, বাড়লো নিবন্ধনের সময়

চলতি মৌসুমে হজের খরচ ১১ হাজার ৭২৫ টাকা কমিয়ে ২৭ মার্চ পর্যন্ত নিবন্ধনের সময় বাড়ানোর কথা জানিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ-১ শাখার উপ সচিব আবুল কাশেম মোহাম্মদ শাহীন জানিয়েছেন, ২২ মার্চ থেকেই এ নিবন্ধন চলবে ।

বুধবার (২২ মার্চ) ধর্ম মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশসহ বিশ্বের অন্যান্য সব দেশের জন্য সৌদি আরব মিনায় ‘এ’, ‘বি’ ও ‘সি’ ক্যাটাগরির তাবুর খরচ বাবদ ৪১৩ সৌদি রিয়াল কমিয়েছে। বাংলাদেশি টাকায় যা ১১ হাজার ২৭৫ টাকা। যারা ইতোমধ্যে পুরাতন ফি অনুযায়ী নিবন্ধন করেছেন তাদের পরবর্তীতে খাবারের টাকার সঙ্গে টাকা ফেরত দেওয়া হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, প্যাকেজ মূল্য হ্রাস পাওয়ায় এবং হজযাত্রীদের বয়সসীমা না থাকায় পরিবর্তিত প্যাকেজে নিবন্ধনের সময়সীমা আগামী ২৭ মার্চ পর্যন্ত বর্ধিত করা হলো।

প্রসঙ্গত, হজের খরচ বেড়ে যাওয়ায় চার দফা সময় বাড়িয়েও কোটা পূরণ হয়নি। ৯ শতাংশ আসন খালি রেখেই গতকাল নিবন্ধনের চতুর্থ দফা নিবন্ধনের সময় শেষ হয়েছে।

এ বছর হজের জন্য সরকারি প্যাকেজে সর্বনিম্ন ছয় লাখ ৮৩ হাজার টাকা ও বেসরকারি প্যাকেজ ছয় লাখ ৭২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। গত বছরের চেয়ে এবার প্যাকেজের মূল্য বেড়েছে প্রায় দেড় লাখ টাকা। অনেকেই এটাকে অস্বাভাবিক মনে করছেন।

ডলার, রিয়াল ও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি এবং বিমান ভাড়া বাড়ার অজুহাতে প্যাকেজের খরচ বাড়ানো হয়েছে। এ ছাড়াও প্যাকেজের বাইরে যাত্রীর রয়েছে আরও বিভিন্ন ধরনের খরচ। সব মিলে প্যাকেজের বাইরে আরও খরচ রয়েছে।

হজ প্যাকেজের খরচ মাত্রাতিরিক্ত বাড়ানো নিয়ে সমালোচনার ঝড় বইছে। খরচ কমানের দাবিও উঠেছিল বিভিন্ন মহল থেকে। তবে এতদিন খরচ কমানোর সুযোগ নেই বলে জানিয়েছিল ধর্ম মন্ত্রণালয়।

img

জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত :  ০৫:২৬, ১৭ জুন ২০২৪

জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে ঈদুল আজহার প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৭ জুন) সকাল সাড়ে ৭টায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব হাফেজ মাওলানা মুফতি রুহুল আমিনের ইমামতিতে হাজারো মুসল্লি উপস্থিত হয়ে ঈদের প্রধান জামাতে নামাজ আদায় করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। তিনি ঈদগাহে তার পরিবারের সদস্য ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে সর্বস্তরের মুসল্লিদের সঙ্গে ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেন। পরবর্তীতে ঈদগাহে উপস্থিত মুসল্লিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। 

রাষ্ট্রপতি ছাড়াও জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে প্রধান বিচারপতি, মন্ত্রিসভার সদস্য, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র, সংসদ সদস্য, সিনিয়র রাজনৈতিক নেতারা এবং উচ্চপদস্থ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তাসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা ঈদের নামাজ আদায় করেন। 

ঈদগাহের প্রধান জামাত শেষে মোনাজাত করেন বাইতুল মোকাররম মসজিদের প্রধান খতিব। মোনাজাতে তিনি বর্তমান বাংলাদেশের সামগ্রিক সমস্যা সমাধানের জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া চান। এছাড়াও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ১৫ আগস্টের সব শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। পৃথীবীর সব যুদ্ধ বন্ধ হয়ে শান্তি ফিরে আসার জন্য দোয়া কমান করেন।