img

কুরআনে হাত রেখে শপথ নিলেন প্রথম হিজাবধারী মার্কিন বিচারক

প্রকাশিত :  ০৭:১৮, ২৫ মার্চ ২০২৩

কুরআনে হাত রেখে শপথ নিলেন প্রথম হিজাবধারী মার্কিন বিচারক

পবিত্র কুরআনে হাত রেখে শপথগ্রহণ করেছেন আমেরিকার প্রথম হিজাবি বিচারক নাদিয়া কাহাফ। প্রথম হিজাবি মুসলিম বিচারক হিসেবে প্যাসাইক কাউন্টিতে বিচারকের দায়িত্ব পালন করবেন তিনি।

স্থানীয় গণমাধ্যমের বরাতে আনাদোলু এজেন্সি জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার নিজের দাদি থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া পবিত্র কুরআনের ওপর হাত রেখে তিনি শপথগ্রহণ করেন। নাদিয়া কাহাফ আমেরিকার নিউজার্সি অঙ্গরাজ্যে সর্বোচ্চ আদালতের বিচারক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।

নাদিয়া কাহাফ একজন সিরিয়ান বংশোদ্ভূত পারিবারিক আইন এবং ওয়েন শহরের অভিবাসনবিষয়ক অ্যাটর্নি। 

এ সময় ৫০ বছর বয়সি নাদিয়া বলেন, আমি অনেক আনন্দিত ও নিজেকে গর্বিত অনুভব করছি।

নিউজার্সির গভর্নর ফিলিপ ডানটন মারফি এক বছর আগে ১৫ ব্যক্তিকে বিচারক হিসেবে মনোনয়ন দেন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি তাদের নিয়োগ অনুমোদন করে নিউজার্সি সিনেট। এই ১৫ জনের অন্যতম হলেন নাদিয়া কাহাফ।

যদিও কাহাফ বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা প্রথম মুসলিম নারী নন। তবে তিনিই প্রথম হিজাব পরিহিত অবস্থায় বেঞ্চে বসবেন।

পারিবারিক আইন ও অভিবাসন বিশেষজ্ঞ নাদিয়া কাহাফ প্রথমে কাজ শুরু করেন হ্যালেডনে। ২০০৩ সালে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের মুসলিম নাগরিক অধিকারবিষয়ক প্রতিষ্ঠান ‘কাউন্সিল অন আমেরিকান-ইসলামিক রিলেশন্সের নিউজার্সি শাখার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

পাশাপাশি তিনি ক্লিফটনের সমাজসেবা সংস্থা ওয়াফা হাউসের আইনি উপদেষ্টা এবং ইসলামিক সেন্টার অব প্যাসাইক কাউন্টির চেয়ারওম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

এসেক্স ও হাডসন কাউন্টির সুপিরিয়র কোর্টে শরিফা সালাম ও কালিমা আহমদ নামে আরও দুজন মুসলিম নারী বিচারক দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে ২০২২ সালের জুনে অ্যারিজোনায় লায়লা ইকরাম প্রথম মুসলিম বিচারক মনোনীত হয়ে ইতিহাস তৈরি করেন। 

আবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কর্তৃক মনোনীত বিচার বিভাগীয় আট ব্যক্তির মধ্যে নুসরাত চৌধুরী নামে এক মুসলিম নারীও রয়েছেন। নিয়োগ চূড়ান্ত হলে তিনি হবেন ফেডারেল বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা প্রথম মুসলিম নারী।

img

ওমরাহ ভিসা নিয়ে সৌদি আরবে নতুন আইন

প্রকাশিত :  ০৬:৪৯, ১৭ এপ্রিল ২০২৪

সৌদি আরবে ওমরাহ পালনের নামে এ ভিসাকে নানা উদ্দেশে অপব্যবহারের অভিযোগে কঠোর অবস্থানে দেশটির হজ ও ওমরাহবিষয়ক মন্ত্রণালয়। ফলে ওমরাহ পালনের জন্য ভিসা সংক্রান্ত নতুন আইন জারি করেছে দেশটি।

নতুন আইন অনুযায়ী, ভিসা অনুমোদনের দিন থেকে এর মেয়াদ থাকবে তিন মাস। এত দিন ওমরাহ ভিসা থাকা ব্যক্তিদের সৌদি আরবে প্রবেশের দিন থেকে ভিসার মেয়াদ গণনা শুরু হতো। সে সময়ও ভিসার মেয়াদ তিন মাসই ছিল।

আসন্ন পবিত্র হজ মৌসুমকে সামনে রেখে সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে দেশটির হজ ও ওমরাহ–বিষয়ক মন্ত্রণালয় নতুন এ আইন জারি করে।

রোববার সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ–বিষয়ক মন্ত্রণালয় বলেছে, ওমরাহ ভিসায় কেউ সৌদি আরবে গেলে শুধু ওমরাহ পালন ও অন্যান্য ধর্মীয় আচার পালন করা যাবে। ধর্মীয় কর্মকাণ্ডের বাইরে অন্য কোনো কাজ অথবা চাকরি করা যাবে না।