img

চুনারুঘাটে পৃথক স্থানে দুই লাশ উদ্ধার

প্রকাশিত :  ০৭:৩৫, ২৭ মে ২০২৩
সর্বশেষ আপডেট: ১৭:১১, ১৩ জুন ২০২৩

 চুনারুঘাটে পৃথক স্থানে দুই লাশ উদ্ধার

জনমত ডেস্ক: হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে একই দিনে পৃথক স্থানে নারীসহ দুই লাশ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ।

শুক্রবার রাত ৯টায় উপজেলার রঘুনন্দন চা-বাগান এলাকায় নিজ বসতঘরে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে ভুবন রাজঘরের পুত্র বিজয় রাজঘর (২৩)।

অপর ঘটনায় উপজেলার রাণীগাঁও ইউপির পূর্ব পীরেরগাঁও এলাকায় গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে দুলাল মিয়ার মেয়ে রুমা আক্তার (২২)।

পুলিশ তাদের লাশ উদ্ধার করে শনিবার দুপুরে তাদের লাশ হবিগঞ্জ আধুনিক হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, খবর নিয়ে জানা গেছে, বিজয় রাজঘর নেশাগ্রস্ত হয়ে পরিবারের লোকজনের সাথে বাকবিতণ্ডায় জড়ায়। এক পর্যায়ে সে পরিবারের লোকজনের সাথে অভিমান করে সকলের অগোচরে নিজ বসতঘরে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে।

রুমা আক্তার সাটিয়াজুরী ইউনিয়নের সুন্দর এলাকার ফারুক মিয়ার স্ত্রী। দীর্ঘদিন ধরে রুমা মানসিক রোগে ভুগছিলেন এবং চিকিৎসাধীন ছিলেন। ৫ দিন আগে সে স্বামীর বাড়ি থেকে পিত্রালয়ে বেড়াতে আসে। মানসিক যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে সে সকলের অগোচরে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে।

এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন চুনারুঘাট থানার ওসি মো. রাশেদুল হক।

img

বাহুবলে নির্জন ঝোপে নবজাতক ফেলে যান বোরকা পরা নারী

প্রকাশিত :  ১০:০৭, ১৭ জুলাই ২০২৪

বোরকা পরা এক নারী নির্জন ঝোপে কিছু একটা ফেলে চলে যাচ্ছিলেন। এ দৃশ্য দেখে ফেলেন স্থানীয় কয়েকজন। ওই নারীর গতিবিধি দেখে তাদের সন্দেহ হয়। পরে তারা এগিয়ে ঝোপে গিয়ে দেখেন, কাপড়ে মোড়ানো অবস্থায় এক নবজাতক নড়াচড়া করছে। বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।

পুলিশ এসে স্থানীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের সহযোগিতায় নবজাতককে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। রোববার সন্ধ্যার আগে হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার উজিরপুর গ্রামে এমন ঘটনা ঘটে।

উজিরপুর গ্রামের বাসিন্দা উস্তার মিয়া বলেন, রোববার সন্ধ্যার দিকে রাস্তার পাশে ঝোপে কী যেন ফেলে দ্রুত চলে যান এক বোরকা পরা নারী। এ দৃশ্য প্রথমে তার নজরে আসে। পরে তিনি ও আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে নবজাতকের সন্ধান পান।

পুলিশ ও সমাজসেবা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, রোববার সন্ধ্যার আগমুহূর্তে উজিরপুর গ্রামের একটি নির্জন ঝোপে কালো বোরকা পরা এক নারী কাপড়ে মোড়ানো বস্তুসদৃশ কিছু একটা ফেলে দ্রুত চলে যাচ্ছিলেন। এ দৃশ্য দেখেন স্থানীয় কয়েকজন। পরে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখেন, কাপড়ে মোড়ানো অবস্থায় এক নবজাতক নড়াচড়া করছে। পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ এসে বাহুবল উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে বিষয়টি জানায়। পরে ওই নবজাতককে উদ্ধার করে প্রথমে বাহুবল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য নবজাতককে হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। ওই নবজাতক হাসপাতালটির নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন।

হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা মঈন উদ্দিন চৌধুরী বলেন, নবজাতকটি অপরিণত বয়সে জন্ম নিয়েছে। তাই তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে রাখা হয়েছে। তবে নবজাতকটি বর্তমানে ভালো আছে।

বাহুবল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামরুজ্জামান বলেন, যে নারী বোরকা পরা অবস্থায় শিশুটিকে ঝোপে ফেলে যান, তাকে এখনো শনাক্ত করা যায়নি। তবে উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় শিশুটির দায়িত্ব নিয়ে চিকিৎসা ও পরিচর্চা করছে। শিশুটি পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠলে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বাহুবল উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আজিজুর রহমান বলেন, তারা ওই নবজাতকের চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছেন। ওই নবজাতকের পরিচয় শনাক্ত না হলে বা দাবিদার পাওয়া না গেলে তাকে সিলেট ছোটমণি নিবাসে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

সিলেটের খবর এর আরও খবর