img

তুরস্কের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নত করতে চান ম্যাক্রোন

প্রকাশিত :  ০৯:০৯, ০৩ জুন ২০২৩
সর্বশেষ আপডেট: ১৫:৫৩, ০৩ জুন ২০২৩

তুরস্কের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নত করতে চান ম্যাক্রোন

ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোন তুরস্কের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নত করার চেষ্টা করছেন। গত ২৮ মে পুনর্নির্বাচিত হওয়ার পর তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগানের কাছে পাঠানো তার বার্তায় বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে।

তুরস্কের সংবাদমাধ্যম ইয়েনি শাফাক দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্রের বরাত দিয়ে এ খবর দিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্যারিসে তার নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে ফ্রান্সের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র অ্যান-ক্লেয়ার লেজেন্ড্রও এমন ইঙ্গিত দেন।

তুর্কি সরকারি বার্তা সংস্থা আনাদুলুর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোন নিশ্চিত যে, ফ্রান্স এবং তুরস্কের ইউরোপে শান্তি নিশ্চিত করা, ভূমধ্যসাগরে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা এবং ট্রান্স-আটলান্টিক জোটের ভবিষ্যত নির্ধারণসহ বিস্তৃত বিষয়ে সহযোগিতা করা উচিত।

অ্যান-ক্লেয়ার লেজেন্ড্র আরও বলেন, দুই নেতা তাদের ফোনালাপের সময় শিগগিরই দেখা করার বিষয়ে রাজি হয়েছেন।

প্রসঙ্গত, যুক্তরাষ্ট্র ও তার পশ্চিমা মিত্রদের অনেকেই তুর্কি নেতাকে ক্ষমতা থেকে সরাতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে চেষ্টা করে আসছিলেন। এ জন্য তারা প্রকাশ্যে এরদোগানের বিরোধী প্রার্থীকে সমর্থনও দিয়েছে।  তবে এরদোগান পুনর্নির্বাচিত হওয়ার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনসহ অনেক নেতাই তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। 

img

গাজায় ধ্বংসস্তূপ পরিষ্কারে সময় লাগতে পারে ১৫ বছর

প্রকাশিত :  ১০:২০, ১৬ জুলাই ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট: ১০:২৫, ১৬ জুলাই ২০২৪

টানা ৯ মাসেরও বেশি সময় ধরে গাজা ভূখণ্ডে চালানো ইসরাইলের হামলায় এখন পর্যন্ত নিহত হয়েছেন ৩৮ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি। এই আগ্রাসনে গাজা ভূখণ্ড পরিণত হয়েছে ধ্বংসস্তূপে।

ফিলিস্তিনে নিযুক্ত জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএ জানিয়েছে, পরিস্থিতি এতোটাই ভয়াবহ যে, গাজায় যে মাত্রায় ধ্বংসযজ্ঞ চলছে, তাতে ধ্বংসস্তূপ পরিষ্কারে সময় লাগতে পারে ১৫ বছর।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরাইলের আগ্রাসনের কারণে গাজা উপত্যকায় সৃষ্ট ধ্বংসস্তূপ পরিষ্কার করতে ১৫ বছর সময় লাগবে বলে ইউনাইটেড নেশনস রিলিফ অ্যান্ড ওয়ার্কস এজেন্সি ফর প্যালেস্টাইন রিফিউজিস (ইউএনআরডব্লিউএ) জানিয়েছে।

জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচির (ইউএনইপি) একটি মূল্যায়নের বরাত দিয়ে সোমবার সংস্থাটি বলেছে, অবরুদ্ধ এই উপত্যকাটির পরিচ্ছন্নতার জন্য ৪০ মিলিয়ন টন ধ্বংসস্তূপ অপসারণের প্রয়োজন হবে।

ইউএনআরডব্লিউএ বলেছে, বিভিন্ন অবকাঠামোর এসব ধ্বংসাবশেষ ও ধ্বংসস্তুপ গাজা উপত্যকার মানুষের জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করেছে, কারণ এতে অবিস্ফোরিত বহু বোমা এবং ক্ষতিকারক বিভিন্ন পদার্থ থাকতে পারে।

সংস্থাটি বলেছে, ধ্বংসস্তুপ অপসারণের জন্য ১০০টিরও বেশি ট্রাকের প্রয়োজন হবে এবং ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি খরচ হবে।

অন্যদিকে ইউএনইপি বলেছে, গাজার কিছু ধ্বংসাবশেষ অ্যাসবেস্টস দ্বারা দূষিত। বিষাক্ত এই খনিজ ক্যান্সারসহ ফুসফুসের রোগ সৃষ্টি করে। সংস্থাটি আরও বলেছে, গাজার ভবনগুলোর ধ্বংসাবশেষের নিচে বিপুল সংখ্যক মানুষের দেহাবশেষ চাপা পড়ে আছে।

এদিকে সোমবার দক্ষিণ ও মধ্য গাজায় হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। গত শনিবার ‘নিরাপদ অঞ্চল’ হিসেবে বিবেচিত হওয়া আল-মাওয়াসিতে হামলা চালায় ইসরাইলি বাহিনী। এই হামলার দুইদিন না যেতেই আবার হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। 

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের উপর আরো চাপ সৃষ্টির জন্যই এই কৌশল নিয়েছে দেশটি।

গাজা উপত্যকার আল-মাওয়াসিতে হাজারো বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি আশ্রয় নিয়েছিল। জায়গাটি ছিল তাঁবুতে পরিপূর্ণ। শনিবার ইসরাইলের আকস্মিক হামলায় ৯০ জন নিহত এবং অন্তত ৩ শতাধিক আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়। সোমবারের হামলায় ঠিক কতজন নিহত হয়েছে তা নির্দিষ্ট করে নিশ্চিত করেনি রয়টার্স।

বাস্তুচ্যুত ব্যক্তিরা রয়টার্সকে বলেছেন, চতুর্দিকে ধ্বংস্তুপের মধ্যে তারা এখন কোথায় যাবে সে সম্পর্কে কোন ধারণা নেই।