img

সপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষে ইন্ট্রাকো রি-ফুয়েলিং

প্রকাশিত :  ০৯:৩৬, ০৩ জুন ২০২৩
সর্বশেষ আপডেট: ০৯:৪৯, ০৩ জুন ২০২৩

সপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষে ইন্ট্রাকো রি-ফুয়েলিং

সমাপ্ত সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনের শীর্ষস্থান দখল করেছে ইন্ট্রাকো রি-ফুয়েলিং স্টেশন লিমিটেড। সপ্তাহের ব্যাবধানে ডিএসইতে কোম্পানিটির ১৯৪ কোটি ৬৯ লাখ ৭৮ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।

ডিএসইর সপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনা করে এ তথ্য জানা গেছে।

সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটি ৪ কোটি ৪১ লাখ ৫৯ হাজার ১৩৯টি শেয়ার হাতবদল করেছে।

তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে নাভানা ফার্মাসিটিক্যালস লিমিটেড। কোম্পানিটির  ১ কোটি ৬০ লাখ ৯৪ হাজার ৮৬৯টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যার বাজার মূল্য ১৬৮ কোটি ৯২ লাখ ৮৯ হাজার টাকা।

লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশ লিমিটেড তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছে। কোম্পানিটির ২ কোটি ৩০ লাখ ২১ হাজার ৯০৫টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যার বাজার মূল্য ১৬২ কোটি ৮৪ লাখ ৩৩ হাজার টাকা।

লেনদেনের তালিকায় থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হচ্ছে- ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টস, বসুন্ধরা পেপার মিলস, রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স, মেঘনা লাইফ ইন্স্যুরেন্স, জেমিনি সী ফুড, ইস্টার্ণ হাউজিং ও সী পার্ল বীচ রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা লিমিটেড।

img

বাজারে উল্টো চিত্র, নতুন চাল উঠলেও বেড়েছে দাম

প্রকাশিত :  ০৯:৪৪, ১৭ জুলাই ২০২৪

বাংলা মাসের হিসেবে জ্যৈষ্ঠ পর্যন্ত চলে ধান কাটা ও মাড়াই। এরপর ধান বিক্রি হয়ে চালকল থেকে চলে আসে আড়তে। ইতোমধ্যে নতুন ধানের চাল আসতে শুরু করেছে আড়তগুলোতে। নতুন চাল বাজারে এলে সাধারণত দাম কমে। কিন্তু এবার বাড়ছে চালের দাম। যার প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারেও।

এবার বোরো ধান উৎপাদন হয়েছে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি। অথচ পর্যাপ্ত সরবরাহের পরও অস্থির হয়ে উঠেছে চালের বাজার। গত এক মাসের ব্যবধানে বস্তাপ্রতি (৫০ কেজি) চালের দাম বেড়েছে ১০০ থেকে সর্বোচ্চ ৪০০ টাকা পর্যন্ত। উৎপাদন খরচের কারণে চালের দাম বাড়াতে হয়েছে বলে জানিয়েছেন মিল মালিকরা। আড়তদাররা বলছেন, মিল মালিকরা দাম বাড়িয়ে দেওয়ায় তাদেরও বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

রাজশাহী অঞ্চলের প্রায় প্রতিটি আড়তে চালের দাম বৃদ্ধির তথ্য পাওয়া গেছে। রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নাটোর ও নওগাঁর বিভিন্ন বাজারে প্রতি বস্তায় (৫০ কেজি) চালের দাম বেড়েছে ১০০ থেকে ৪০০ টাকা। খুচরা বাজারে প্রতিকেজি চালের দাম বেড়েছে ২ থেকে ৪ টাকা।

মিল মালিকদের ভাষ্য, মিল পর্যায়ে প্রতি বস্তা আঠাশ চাল বিক্রি হচ্ছে ৩০০০ থেকে ৩২০০ টাকায়, যা কিছুদিন আগেও ২৯০০ থেকে ৩০০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। মোটা চাল (গুটি স্বর্ণা) প্রতি বস্তা বিক্রি হচ্ছে ২৪০০ থেকে ২৫০০ টাকায়, যা কিছুদিন আগে ২২০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। অন্যদিকে জিরাশাইল চাল এখন বিক্রি হচ্ছে ৩৪০০ টাকায়। যা গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছিল ৩ হাজার টাকায়।

পাইকারি চাল বিক্রেতারা বলছেন, মিলার ও মৌসুমি ধান ব্যবসায়ীদের কারণেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। আর এই বাড়তি দর পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতারা সমন্বয় করছেন। ফলে চাল কিনতে বেশি টাকা খরচ হওয়ায় ক্রেতারা পড়ছেন বেকায়দায়।

রাজশাহী নগরীর কাদিরগঞ্জ এলাকার পাইকারি চাল বিক্রেতা ফাতেমা রাইস এজেন্সির মালিক দাবিরুল ইসলাম বলেন, গত এক সপ্তাহ ধরে বেড়ে চলেছে চালের দাম। প্রতিদিনই বাড়ছে। এ জন্য আমাদেরও বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। আশা করি চালের দাম কমলে আমরাও কম দামে বিক্রি করতে পারবো।

এদিকে ধান ও চালের সবচেয়ে বড় মোকাম নওগাঁ জেলায়। মিল গেটে ৫০ কেজির প্রতি বস্তা চালের দাম ১০০ থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, স্থানীয় বাজারে ধানের দাম প্রতি মণে ১৫০ থেকে ২০০ টাকা বেড়েছে। ধানের দাম বাড়ার কারণে সরু ও মোটা চালের দাম কেজিতে ২ থেকে ৪ টাকা বেড়েছে।

নওগাঁ মৌ অ্যাগ্রো অ্যারোমেটিক রাইস মিলের ব্যবস্থাপক ইফতারুল ইসলাম বলেন, কোরবানি ঈদের পর থেকে বাজারে জিরা ও কাটারি ধানের দাম ঊর্ধ্বমুখী। এই দুই প্রকার ধানের দাম বেড়েছে প্রতি মণে ১৫০ থেকে ২০০ টাকা। ধানের দাম বেড়ে যাওয়ায় চালের উৎপাদন খরচ বেড়ে যায়। তাই স্বাভাবিকভাবেই চালের দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে।

নাটোর চাল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আবদুর রব খান চৌধুরী বলেন, বাজারে ধানের সরবরাহ কম থাকা, বর্ষাজনিত কারণে ধান সেদ্ধ ও শুকাতে না পারায় চালের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। এ ছাড়া এবার সরকার গোডাউনে আগে ধান নেওয়ায় বাজারে মোটা চালের ঘাটতি পড়েছে। সে জন্য চিকন চালের ওপর চাপ পড়েছে।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের রাজশাহীর উপ-পরিচালক ইব্রাহিম হোসেন বলেন, চালের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে আমাদের অভিযান চলছে। চাল ব্যবসায়ীদের সতর্কও করা হচ্ছে। এরপরও যারা সতর্ক হচ্ছে না তাদের জরিমানা করা হচ্ছে।