img

বিআইডব্লিউটিএতে ৬১ পদে চাকরি, আবেদন শেষ সোমবার

প্রকাশিত :  ১৬:০৯, ০৩ জুন ২০২৩

বিআইডব্লিউটিএতে ৬১ পদে চাকরি, আবেদন শেষ সোমবার

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) একাধিক পদে জনবল নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। এ প্রতিষ্ঠানে ১৬ ক্যাটাগরির পদে চতুর্থ থেকে ১৯তম গ্রেডে ৬১ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীদের আগামী সোমবারের মধ্যে অনলাইনে আবেদন করতে হবে।

১. পদের নাম: অধ্যক্ষ, ডেক ও ইঞ্জিন কর্মী প্রশিক্ষণ কেন্দ্র

পদসংখ্যা: ১

যোগ্যতা: মাস্টার মেরিনারসহ (এফজি) অভ্যন্তরীণ নৌ চলাচলে ১০ বছরের অভিজ্ঞতা। অথবা প্রথম মেট (এফজি) সনদসহ প্রথম শ্রেণির ইনল্যান্ড মাস্টার সার্টিফিকেট এবং অভ্যন্তরীণ নৌ চলাচলে ১০ বছরের অভিজ্ঞতা। অথবা বাংলাদেশ নৌবাহিনীর এক্সিকিউটিভ শাখায় কমান্ডার হিসেবে চাকরির অভিজ্ঞতা।

বয়সসীমা: ৪০-৫০ বছর

বেতন স্কেল: ৫০,০০০-৭১,২০০ টাকা (গ্রেড-৪)


২. পদের নাম: কনিষ্ঠ সহকারী নৌ সংরক্ষণ ও পরিচালন তত্ত্বাবধায়ক/থার্ড অফিসার

পদসংখ্যা: ৩

যোগ্যতা: এসএসসি পাসসহ জাহাজে চার বছরের ক্যাডেটশিপের অভিজ্ঞতা এবং দ্বিতীয় শ্রেণির ইনল্যান্ড মাস্টার সার্টিফিকেট। অথবা বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সিম্যান শাখায় চিফ পেটি অফিসারসহ (এইচইটি/এসএসসি) শিক্ষানবিশি থাকাকালীন প্রার্থীদের অবশ্যই দ্বিতীয় শ্রেণির ইনল্যান্ড মাস্টার সনদ হাসিল করতে হবে। অথবা বাঅনৌপকের কনিষ্ঠ নদী জরিপকারী হিসেবে চাকরিকাল আট বছর হতে হবে।

বয়সসীমা: ২১-৪০ বছর

বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা (গ্রেড-৯)


৩. পদের নাম: সহকারী পরিচালক (হিসাব), সহকারী পরিচালক (অর্থ) এবং সহকারী পরিচালক (নিরীক্ষা)

পদসংখ্যা: ১

যোগ্যতা: বাণিজ্যে দ্বিতীয় শ্রেণির স্নাতকোত্তর ডিগ্রি।

বয়সসীমা: ২১-৩০ বছর

বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা (গ্রেড-৯)

৪. পদের নাম: সহকারী হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা, সহকারী অর্থ কর্মকর্তা, সহকারী নিরীক্ষা কর্মকর্তা

পদসংখ্যা: ২

যোগ্যতা: বাণিজ্যে দ্বিতীয় শ্রেণির স্নাতকোত্তর ডিগ্রি।

বয়সসীমা: ২১-৩০ বছর

বেতন স্কেল: ১৬,০০০-৩৮,৬৪০ টাকা (গ্রেড-১০)


৫. পদের নাম: কনিষ্ঠ নদী জরিপকারী

পদসংখ্যা: ৬

যোগ্যতা: গণিতসহ বিএ ডিগ্রি অথবা পদার্থ, রসায়ন, গণিতসহ বিএসসি ডিগ্রি। সরাসরি নিয়োগকৃত প্রার্থীদের শিক্ষানবিশকাল দুই বছর হবে, যার শেষে লিখিত ও ব্যবহারিক পরীক্ষার ফলের ওপর চাকরিতে আত্মীকরণের বিষয়টি নির্ভরশীল থাকবে।

বয়সসীমা: ২১-৩০ বছর

বেতন স্কেল: ১১,০০০-২৬,৫৯০ টাকা (গ্রেড-১৩)


৬. পদের নাম: সহকারী প্রোগ্রামার

পদসংখ্যা: ১

যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সায়েন্স/কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং/ ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং/ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি-সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অন্যূন দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএসহ স্নাতক (সম্মান) বা সমমানের ডিগ্রি।

বয়সসীমা: অনূর্ধ্ব ৩০ বছর

বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা (গ্রেড-৯)



৭. পদের নাম: সাঁটমুদ্রাক্ষরিক

পদসংখ্যা: ১

যোগ্যতা: এইচএসসি পাস। ইংরেজি শর্টহ্যান্ড ও টাইপে কমপক্ষে যথাক্রমে ৭০/২৩ শব্দ এবং বাংলা শর্টহ্যান্ডে ও টাইপে যথাক্রমে ৪৫/২৩ শব্দের দক্ষতা থাকতে হবে।

বয়সসীমা: ১৮-৩০ বছর

বেতন স্কেল: ১২,৫০০-৩০,২৩০ টাকা (গ্রেড-১১)

৮. পদের নাম: সহকারী ও কোষাধ্যক্ষ

পদসংখ্যা: ১

যোগ্যতা: বাণিজ্যে স্নাতক ডিগ্রি।

বয়সসীমা: ১৮-৩০ বছর

বেতন স্কেল: ১২,৫০০-৩০,২৩০ টাকা (গ্রেড-১১)


৯. পদের নাম: নকশাবিদ

পদসংখ্যা: ১

যোগ্যতা: এসএসসিসহ কোনো অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান থেকে ড্রাফটসম্যানশিপে দুই বছর মেয়াদি কোর্স পাস।

বয়সসীমা: ১৮-৩০ বছর

বেতন স্কেল: ১১,৩০০-২৭,৩০০ টাকা (গ্রেড-১২)


১০. পদের নাম: কম্পিউটার অপারেটর

পদসংখ্যা: ২

যোগ্যতা: এইচএসসি বা সমমান পাস। কম্পিউটার চালানোর অভিজ্ঞতাসহ ইংরেজি টাইপে প্রতি মিনিটে সর্বনিম্ন ৩০ শব্দ এবং বাংলা টাইপে প্রতি মিনিটে সর্বনিম্ন ২৫ শব্দের দক্ষতা। অপারেটরস অ্যাপটিটিউড টেস্টে অবশ্যই উত্তীর্ণ হতে হবে।

বয়সসীমা: অনূর্ধ্ব ৩০ বছর

বেতন স্কেল: ১১,০০০-২৬,৫৯০ টাকা (গ্রেড-১৩)

১১. পদের নাম: ট্রাফিক সুপারভাইজার

পদসংখ্যা: ২

যোগ্যতা: এইচএসসি পাসসহ টাইপিংয়ে জ্ঞান থাকতে হবে।

বয়সসীমা: ১৮-৩০ বছর

বেতন স্কেল: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা (গ্রেড-১৬)


১২. পদের নাম: নিম্নমান সহকারী, সময় রক্ষক ও সহকারী কোষাধ্যক্ষ

পদসংখ্যা: ১১

যোগ্যতা: এইচএসসি (বাণিজ্য) পাসসহ টাইপিংয়ে জ্ঞান থাকতে হবে।

বয়সসীমা: ১৮-৩০ বছর

বেতন স্কেল: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা (গ্রেড-১৬)


১৩. পদের নাম: ইলেকট্রিশিয়ান/ইলেকট্রিশিয়ান কাম পাম্প ড্রাইভার/পাম্প ড্রাইভার কাম ইলেকট্রিশিয়ান

পদসংখ্যা: ৪

যোগ্যতা: সরকারি ইলেকট্রিক্যাল লাইসেন্সিং বোর্ড থেকে অবশ্যই ‘সি’ গ্রেড ওয়ার্ক পারমিট লাইসেন্স থাকতে হবে।

বয়সসীমা: ১৮-৩০ বছর

বেতন স্কেল: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা (গ্রেড-১৬)

১৪. পদের নাম: গ্রিজার

পদসংখ্যা: ২২

যোগ্যতা: এসএসসি অথবা সমমানের যোগ্যতাসহ সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে কিছু অভিজ্ঞতা।

বয়সসীমা: ১৮-৩০ বছর

বেতন স্কেল: ৯,০০০-২১,৮০০ টাকা (গ্রেড-১৭)


১৫. পদের নাম: রেকর্ড কিপার

পদসংখ্যা: ২

যোগ্যতা: এসএসসি পাস।

বয়সসীমা: ২৭-৩২ বছর

বেতন স্কেল: ৯,০০০-২১,৮০০ টাকা (গ্রেড-১৭)


১৬. পদের নাম: দপ্তরি

পদসংখ্যা: ১

যোগ্যতা: এসএসসি পাস।

বয়সসীমা: ২৭-৩২ বছর

বেতন স্কেল: ৮,৫০০-২০,৫৭০ টাকা (গ্রেড-১৭)


বয়সসীমা

২০২৩ সালের ১ মে প্রার্থীদের বয়স ১ নম্বর পদের ক্ষেত্রে ৪০ বছর, ২ থেকে ৫ নম্বর পদের ক্ষেত্রে ২১ বছর, ৭ থেকে ১৪ নম্বর পদের ক্ষেত্রে ১৮ বছর এবং ১৫ ও ১৬ নম্বর পদের ক্ষেত্রে ২৭ বছর পূর্ণ হতে হবে। যেসব পদে আবেদনের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩০ বছর, ২০২০ সালের ২৫ মার্চ যাঁদের বয়স ৩০ বছরের মধ্যে থাকবে, তাঁরাও আবেদন করতে পারবেন। বিভাগীয় প্রার্থীদের বয়স ৪০ বছর পর্যন্ত শিথিলযোগ্য (শুধু বিআইডব্লিউটিএতে কর্মরতদের জন্য প্রযোজ্য)। বীর মুক্তিযোদ্ধা/শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে বয়স সর্বোচ্চ ৩২ বছর এবং বীর মুক্তিযোদ্ধার নাতি-নাতনিদের ক্ষেত্রে বয়স সর্বোচ্চ ৩০ বছর।


আবেদন যেভাবে

আগ্রহী প্রার্থীদের এই ওয়েবসাইটে https://jobsbiwta.gov.bd/website/ ফরম পূরণের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। নিয়োগসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য এই লিংকে http://biwta.portal.gov.bd/sites/default/files/files/biwta.portal.gov.bd/page/26fc265f_0f5f_4193_8f25_01328a85a0cc/2023-05-03-06-59-3553daaf7f3ef60e1607ed78e3027b22.pdf জানা যাবে।


আবেদন ফি

অনলাইনে ফরম পূরণের অনধিক ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ডাচ্-বাংলা মোবাইল ব্যাংকিং রকেটের মাধ্যমে বিআইডব্লিউটিএর বিলার আইডি নম্বর ৪২২-এ আবেদন ফি বাবদ ১ থেকে ৬ নম্বর পদের জন্য ৩২০ টাকা এবং ৭ থেকে ১৬ নম্বর পদের জন্য ২১৫ টাকা জমা দিতে হবে।


আবেদনের সময়সীমা: ৫ জুন ২০২৩।

img

সুইস ব্যাংক থেকে রেকর্ড পরিমাণ টাকা সরিয়ে নিচ্ছেন বাংলাদেশিরা!

প্রকাশিত :  ১৬:৪৭, ২০ জুন ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট: ১৮:৪১, ২০ জুন ২০২৪

বাংলাদেশের অঢেল টাকার মালিকরা নিরাপদ মনে করে সুইজারল্যান্ডের বিভিন্ন ব্যাংককে তাদের টাকা আমানত রেখেছেন, গত এক বছরে তারা তাদের আমানত নজিরবিহীন গতিতে সরিয়ে নিচ্ছেন।

বৃহস্পতিবার (২০ জুন) সুইজারল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুইস ন্যাশনাল ব্যাংকের (এসএনবি) প্রকাশিত বার্ষিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বছর সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকগুলোতে বাংলাদেশিদের আমানতের পরিমাণ সাড়ে ৫ কোটি সুইস ফ্রাঁ থেকে কমে ১ কোটি ৮০ লাখ ফ্রাঁ হয়েছে। দেশটির ব্যাংকগুলো থেকে বাংলাদেশিদের অর্থ তুলে নেওয়ার এই গতিকে তীব্র বলা হচ্ছে। প্রতিবেদন বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ১ বছরে আমানতের হার প্রায় ৬৫ শতাংশ কমেছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশের ডলার সংকট এ ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রেখেছে। কেউ কেউ পাচার করা টাকাও হয়তো সরিয়ে নিয়েছেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক) মইনুল ইসলাম যুগান্তরকে জানান, নানা কারণে সুইস ব্যাংকের আকর্ষণ কমছে। তথ্যপ্রযুক্তির সুবিধার্থে বিশ্বের অনেক দেশের ব্যাংকে নিরাপদে বৈদেশিক মুদ্রা রাখা যাচ্ছে। পাচারকারীরা এখন সুইস ব্যাংকের বিকল্প হিসাবে ইউএসএ, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, মালয়েশিয়াসহ অনেক দেশে অর্থ পাচার করছে। যে কারণে সুইস ব্যাংকে আগের মতো আমানত বাড়ছে না।

২০২১ সালে যেখানে বাংলাদেশি আমানত ছিল ৮৭ কোটি ১১ লাখ সুইস ফ্রাঁ, ২০২২ সালের শেষে তা কমে এসেছে মাত্র সাড়ে পাঁচ কোটি ফ্রাঁতে। ওই বছর বিস্ময়কর গতিতে সুইস ব্যাংক থেকে সাড়ে ১০ হাজার কোটি টাকা তুলে নিয়েছে বাংলাদেশিরা। টাকা তুলে নেওয়ার প্রবণতা ২০২৩ সালেও অব্যাহত ছিল। যা বেশ উল্লেখ করার মতো। আমানত কমতে কমতে গত ২ বছরে ১১ হাজার ২২৯ কোটি টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে। এত বিপুল পরিমাণ টাকা উত্তোলন করে বাংলাদেশিরা কী করেছে, তার কোনো ব্যাখ্যা প্রতিবেদনে নেই।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের হাজার হাজার মানুষ সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকগুলোতে বৈধ-অবৈধ পথে উপার্জিত অর্থ গচ্ছিত রাখেন। কঠোর গোপনীয় ব্যাংকিং নীতির কারণে সারা দুনিয়ার মানুষ সেখানে অর্থ জমা রাখেন। বিশেষ করে অবৈধ আয় আর কর ফাঁকি দিয়ে জমানো টাকা জমা রাখা হয় সুইস ব্যাংকে। নির্দিষ্ট গ্রাহকের তথ্য না দিলেও এক দশক ধরে বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে আসছে সুইস ন্যাশনাল ব্যাংক। 

আমানত কমে যাওয়ার পেছনে ধারণা করা হচ্ছে, সুইজারল্যান্ডে গোপনীয়তা কমতে থাকায় বাংলাদেশিসহ অনেক দেশের ধনী ব্যক্তিই এখন অবৈধ টাকা জমা রাখার জন্য লুক্সেমবার্গ, কেম্যান আইল্যান্ড, ব্রিটিশ ভার্জিন আইল্যান্ড বা বারমুডার মতো ট্যাক্স হ্যাভেন দেশগুলোর দিকে ঝুঁকছেন।

প্রতিবেদন পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ২০২০ সালে সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকগুলোতে বাংলাদেশিদের জমা অর্থের পরিমাণ তার আগের বছরের তুলনায় কম ছিল। ওই বছর সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের গচ্ছিত অর্থের পরিমাণ ছিল ৫৬ কোটি ৩০ লাখ সুইস ফ্রাঁ; যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৫ হাজার ২০৩ কোটি টাকার বেশি।

এর আগের বছর অর্থাৎ ২০১৯ সালে সুইজারল্যান্ডের বিভিন্ন ব্যাংকে বাংলাদেশিদের জমা করা অর্থের পরিমাণ ছিল ৬০ কোটি ৩০ লাখ ফ্রাঁ। ২০১৮ সালে এই অর্থের পরিমাণ ছিল ৬২ কোটি সুইস ফ্রাঁ। আর ২০১৭ সালে এর পরিমাণ ছিল ৬৬ কোটি ১৯ লাখ সুইস ফ্রাঁ।

এদিকে, বাংলাদেশের প্রতিবেশী ভারতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও নাগরিকের সুইস ব্যাংকে অর্থ আমানতের হার ২০২৩ সালে প্রায় ৭০ শতাংশ কমেছে। গত ৪ বছরের মধ্যে ভারতীয়দের আমানতের পরিমাণ সর্বনিুে পৌঁছেছে ২০২৩ সালে।

আমানত হ্রাস পাওয়ার পরও সুইস ব্যাংকে ভারতীয়দের অর্থের পরিমাণ ১ দশমিক ০৪ বিলিয়ন সুইস ফ্রাঁতে দাঁড়িয়েছে; যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৯ হাজার ৭৭১ কোটি রুপি। এ নিয়ে সুইস ব্যাংকে ভারতীয় প্রতিষ্ঠান ও নাগরিকদের আমানত টানা দ্বিতীয়বারের মতো কমেছে।

সুইজারল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের ‘মোট দায়ের’ মধ্যে ব্যক্তিগত, ব্যাংক এবং অন্যান্য উদ্যোগের আমানতসহ সব ধরনের তহবিল অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।