img

আচমকা চোখে ব্যথা করলে

প্রকাশিত :  ১৬:২০, ০৩ জুন ২০২৩

আচমকা চোখে ব্যথা করলে

চোখ আর মাথাব্যথার অনেকগুলো কারণ থাকে। কিন্তু আচমকা চোখে ব্যথা করলে তাকে ক্লাস্টার হেডেক বলা হয়। এই ধরনের সমস্যা হলে সাধারণত সকাল অথবা সন্ধ্যায় কিংবা প্রতিদিন একই সময়ে এই ব্যথা শুরু হয়।

এই ধরনের ব্যথার সঙ্গে চোখ থেকে পানি পড়া, চোখ লাল হয়ে যাওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দিতে থাকে। এছাড়াও অতিরিক্ত আওয়াজ, জোরে কোনও শব্দ হলে অসহ্য লাগতে শুরু করে। যারা অফিসে বা ব্যস্ত সময় পার করেন তাদের জন্য এই সমস্যা ভয়ংকর প্রতিবন্ধকতা হয়ে উঠতে পারে। কিন্তু এমন সমস্যা হলে কি করা যেতে পারে? চলুন কিছু পরামর্শ দেখে নেওয়া যাক: 

ঘন ঘন চোখের পাতা ফেলুন

৩-৪ সেকেন্ড পরপর চোখের পাতা ফেলবেন। চোখের দৃষ্টিশক্তির জন্য ঘন ঘন চোখের পাতা ফেলা অত্যন্ত জরুরি। কিন্তু কম্পিউটার বা স্মার্ট ডিভাইসে চোখ রাখতে গিয়ে মনোযোগের তীব্রতায় অনেকে তা এড়িয়ে যান। কিন্তু টানা ১ মিনিট চোখের পাতা ফেলার অভ্যাস করে নিলে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে। আপনার অভ্যাসও গড়ে উঠবে। 

একটানা কম্পিউটার স্ক্রিনে তাকাতে নেই

একটানা কম্পিউটার স্ক্রিনে তাকানো চোখের জন্য ক্ষতিকর। যদি টানা ২০ মিনিট স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকেন তাহলে ২০ মিনিট পর দূরবর্তী কোনো জিনিসের দিকে তাকানোর অভ্যাস করুন। মনোযোগ আলো থেক সরিয়ে চোখ ভালো রাখুন। 

চোখের মণি ঘুরান

চোখের আচমকা ব্যথা দূর করারো ব্যায়াম আছে। চোখের মণি প্রথমে ঘড়ির কাটার দিকে চারবার ঘুরান। তারপর ঘড়ির কাটার বিপরীত দিকে চারবার ঘুরান। এভাবে এক মিনিটের মতো ব্যায়াম করুন। চোখের স্বাস্থ্য ভালো থাকবে।  সূত্র: হেলথইন 


img

ঈদের পর ফিট থাকতে করণীয়

প্রকাশিত :  ১১:২৩, ২০ জুন ২০২৪

উৎসব মানেই যেন পেট পুরে খাওয়া। ফিটনেস বা সুঠাম দেহ বলে যে একটা বিষয় আছে, তা আমরা ভুলে যাই। ভুললেই কিন্তু বিপত্তি! শরীর যেন বিগড়ে না যায়, সেদিকে খেয়াল রাখা জরুরি। ঈদের পর ফিটনেস সচেতনদের ভাবতে হয় অনেক কিছুই। জেনে নিন বিরতির পর কীভাবে শুরু করবেন ব্যায়াম।  

শরীরচর্চায় ছন্দপতন হলে, একটু একটু করে আবার ব্যায়াম শুরু করুন। কারণ হুট করে আগের মতো ছন্দে ফেরাটা কঠিন। ব্যায়ামের শুরুতেই অল্প দূরত্বে দৌড়ে নিলে শরীর উষ্ণ হবে। এক্ষেত্রে অবশ্য সাইক্লিং, দড়ি লাফানো খুব ভালো ব্যায়াম। দ্রুত ওজন কমাতে বেঞ্চ বেলি, পুশআপ দিতে পারেন। প্রথম দিকে অল্পতে কষ্ট হলেও নিয়মিত করলে আগের অবস্থানে ফিরে যেতে বেশি সময়ের প্রয়োজন হবে না।

অনেক দিন বিরতির পর টানা ব্যায়াম করবেন না। দরকার হলে মিনিট দশ করার পর বিশ্রাম নিন। দিনের শুরুতে ব্যায়াম করার চেষ্টা করবনে। মানে, ঘুম থেকে উঠে নাশতা খাওয়ার আগে শরীরচর্চা করার চেষ্টা করলে বেশি উপকার পাবেন। 

গরমে কারণে প্রচুর পরিমাণে পানি পান করবেন। দিনে ভারী খাবারের পাশাপাশি ফলজাতীয় খাবারের পরিমাণ বাড়িয়ে দিন। মাংস, পোলাও, খিচুড়ি, বিরিয়ানি, কাবাব আর বোরহানি-কোমল পানীয় না খেয়ে শাকসবজি খাওয়া বাড়িয়ে দিন। 

হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, স্থূলতা, আর্থ্রাইটিস থেকে রক্ষা পেতে শরীরচর্চার কোনো বিকল্প এখন অবধি আবিষ্কার হয়নি। দীর্ঘ বিরতির পর শরীরচর্চা শুরু করলে মাংসপেশিতে ব্যথা ও ইনজুরি হতে পারে, হৃৎপিণ্ডও হঠাৎ তাল মেলাতে পারবে না। তাই ক্ষেত্রবিশেষে প্রয়োজন মনে করলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারেন।