img

পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি: উদ্যোগের ধারাবাহিকতা কেন থাকবে না

প্রকাশিত :  ০৭:২০, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩

পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি: উদ্যোগের ধারাবাহিকতা কেন থাকবে না

নাগরিক সমাজে এখন পরিবেশবান্ধব ও নিরাপদ শাকসবজির প্রতি আগ্রহ বেড়েছে। অনেক তরুণ উদ্যোক্তা এখন নিরাপদ কৃষি নিয়ে কাজ করছেন। গড়ে তুলেছেন নিজস্ব খামার, উদ্বুদ্ধ করছেন স্থানীয় কৃষকদেরও। স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতেও এমন সরকারি উদ্যোগ নেওয়া হয়।

তবে এতে কৃষক ও ভোক্তা কতটা উপকৃত হচ্ছেন, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। রাজশাহীতে একজন কৃষি কর্মকর্তা নিজ উদ্যোগে পরিবেশবান্ধব নামে প্রযুক্তির মাধ্যমে নিরাপদ সবজি উৎপাদনে চাষিদের উদ্বুদ্ধ করেছিলেন। কিন্তু কয়েক বছর যেতে না যেতেই সেই প্রযুক্তি হাওয়া হয়ে গেছে। তাহলে এই উদ্যোগ কেন নেওয়া হলো? 

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে আমরা দেখছি, পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ব্যবহার করে ১৯২ কোটি টাকার নিরাপদ সবজি উৎপাদন বেড়েছিল বলে দাবি করা হয়। মো. শফিকুল ইসলাম নামে রাজশাহীর তানোর ও গোদাগাড়ী উপজেলার সাবেক একজন কৃষি কর্মকর্তা এ কাজে চাষিদের উদ্বুদ্ধ করেছিলেন। মুজিব বর্ষ উপলক্ষে গোদাগাড়ীর একটি গ্রামকে ‘নিরাপদ সবজির গ্রাম’ বলেও ঘোষণা করেছিলেন। তানোরেও সবজি উৎপাদন করেন দ্বিগুণ। এসবের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ‘বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার ১৪২৬’ পেয়েছেন। কিন্তু খোঁজ নিয়ে দুই উপজেলার কোথাও এখন সেই প্রযুক্তির ব্যবহার দেখা যায়নি। নিরাপদ সবজির উৎপাদনও বন্ধ হয়ে গেছে।

কীটনাশক ও রাসায়নিক সার ব্যবহারে কৃষকদের নিরুৎসাহিত করা হয়। পোকা দমনে শুধু জৈব বালাইনাশক, সেক্স ফেরোমন ফাঁদ ও হলুদ স্টিকি ফাঁদ ব্যবহার করা হয়। কীটনাশকের বদলে নিমের ছালের রস ব্যবহার করা হয়েছিল। আড়াই থেকে তিন মাসে এ উদ্যোগ অনেকটা সফল হয়।

এখন চাষিরা জানাচ্ছেন, তাঁরা কেউ আগের প্রযুক্তি ব্যবহার করে সবজি চাষ করছেন না। কোটি কোটি টাকার সবজি উৎপাদন বাড়লেও কেন কৃষকেরা সেই প্রযুক্তি ব্যবহারে ইচ্ছুক নন? তাহলে সেই সাফল্যের দাবির মধ্যে কোনো গোঁজামিল ছিল? তেমনটিই ঘটে থাকলে জাতীয় কৃষি পুরস্কারের স্বীকৃতি অবশ্যই প্রশ্নবিদ্ধ হবে।

কৃষকদের বক্তব্য, গ্রামের সব চাষি যখন কীটনাশক ব্যবহার করেন, তখন ওই প্রযুক্তিতে আর কাজ হয় না। বর্তমানে নাটোরে একটি প্রকল্পে কাজ করা শফিকুল ইসলামের বক্তব্য, তিনি তানোর ও গোদাগাড়ীতে ১০ হাজার কৃষককে প্রশিক্ষণ দিয়েছিলেন। 

এখন যদি কেউ তাঁর ‘উদ্ভাবিত’ প্রযুক্তি ধরে না রাখেন, তাহলে তো তাঁর কিছুই করার নেই। তাঁর এ বক্তব্য অনেকটা দায়সারামূলক। এ প্রযুক্তি ব্যবহারে তাঁর সাফল্য সত্যি হয়ে থাকলে তিনি অবশ্যই সাধুবাদ পাওয়ার যোগ্য।

কিন্তু এমন উদ্যোগগুলোর ধারাবাহিকতা না থাকাটা দুঃখজনক। এ প্রযুক্তি নিয়ে কী ঘটেছে, কেন তা ব্যর্থ হলো, তা তদন্ত করে দেখা হোক।

মতামত এর আরও খবর

img

প্রসঙ্গঃ স্থানীয় সরকারের সার্কেল পদ্ধতি ও সরপঞ্চ ব্যবস্থা

প্রকাশিত :  ০২:১৬, ১৫ জুলাই ২০২৪

||  মতিয়ার চৌধুরী ||

বিভিন্ন সময়ে আমাদের দেশে স্থানীয় সরকার পদ্ধতির পরিবর্তন পরিবর্ধন ঘটেছে, সেই সাথে স্থানীয় সরকাররের পদ-পদবীর নামেরও পরিবর্তন হয়েছে। যেমন শহরাঞ্চল বা নগর গুলোতে চেয়ারম্যানের পরিবর্তে মেয়র, কমিশনারের পদ হয়েছে কাউন্সিলার, বড় বড় শহরগুলোকে করা হয়েছে সিটি কর্পোরেশন।  অনুরূপভাবে পাকিস্তান আমলের শেষ দিকে স্থানীয় সরকারের সার্কেল পদ্ধতি ভেঙ্গে করা হয় ইউনিয়ন কাউন্সিল। কয়েকটি সার্কেল ভেঙ্গে করা হয় একটি ইউনিয়ন। সার্কেল প্রধানের পদবী সরপঞ্চ পরিবর্তন করে করা হয় চেয়ারম্যান ও সহকারীর পরিবর্তে নামকরন করা হয় মেম্বার বা ইউপি সদস্য। পরিচালনার সুবিধার্থে বিভিন্ন সময়ে ইউনিয়ন কাউন্সিলের ওয়ার্ড এবং সদস্য সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। 

একসময়ে প্রতিটি ইউনিয়নে ভাইস চেয়ারম্যান সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হলেও-পরবর্তিতে এই পদটি বিলুপ্ত করা হয়। এরশাদ আমলে চালু করা হয় উপজেলা পদ্ধতি। জিয়াউর রহমানের সময়ে চালু করা হয় গ্রাম সরকার। এই গ্রাম সরকার প্রধানের পদবী ছিল সরকার-তার পরিচালনা সহকারীদের বলা হয় হত মন্ত্রী। পরবর্তিতে গ্রাম সরকার ব্যবস্থার বিলুপ্তি ঘটে। 

বর্তমান সরকারের সময় প্রতিটি উপজেলায় একজন ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হওয়ার বিধান চালু হয়েছে। উপজেলা পদ্ধতির শুরুতে এটি ছিলনা। প্রথমে থানা গুলোকে করা হয় মানউন্নীত থানা। এর পর মান উন্নীত থানাগুলোর নাম হয় উপজেলা, থানা নির্বাহী কর্মকর্তা বা টিএনও এর পদটির নাম বদল করে করা হয় ইউএনও বা উপজেলা নির্বাহী অফিসার। 

দেশে এখন আর মহকুমা ব্যবস্থা নেই। প্রতিটি মহকুমাকে জেলায় রূপান্তর করা হয়েছে। বিলুপ্তি ঘটেছে সার্কেল অফিসারের পদটিরও। বিশ্বের প্রতিটি দেশেই প্রশাসনিক সুবিদার্থে এমনটি করা হয়। আমার আলোচ্য বিষয় সার্কেল পদ্ধতি ও সরপঞ্চ ব্যবস্থা। 

সার্কেল বা সরপঞ্চ পদ্ধতিঃ

সার্কেল বা সরপঞ্চ পদ্ধতি হল ভারতীয় উপমহাদেশের স্থানীয় সরকারের প্রাচীনতম শাসন ব্যবস্থা। 

প্রাচীন ভারতের গ্রামীণ শাসন ব্যবস্থার মূল ভিত্তি ছিল পাঁচজন নির্বাচিত বা মনোনীত ব্যক্তিকে নিয়ে গঠিত গ্রামীণ স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠান পঞ্চায়েত। এই প্রতিষ্ঠানের হাতে ন্যস্ত ছিল গ্রাম গুলির প্রশাসন, আইন প্রণয়ন ক্ষমতা ও বিচার ব্যবস্থা পরিচালনের দায়িত্ব। 

মুঘল আমল পর্যন্ত ভারতের গ্রাম গুলি এই পঞ্চায়েত ব্যবস্থা দ্বারাই নিয়ন্ত্রিত হত। কিন্তু মুঘল সাম্রাজ্যের পতনের পর পঞ্চায়েত প্রতিষ্ঠান ব্যবস্থাটি বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। 

ব্রিটিশ শাসনকালে ভারতের এই সুমহান ঐতিহ্যশালী শাসন ব্যবস্থার সম্পূর্ণ অবসান ঘটে। তার বদলে ভারতে ব্রিটিশরা নিজ কায়েমি স্বার্থ টিকিয়ে রাখার উদ্দেশ্যে ভারতের গ্রাম ও নগরাঞ্চলে ব্রিটিশ ধাঁচের এক স্বায়ত্তশাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করে। ১৮৫৭ সালের পরে ব্রিটিশরা পঞ্চায়েতকে ছোটখাটো অপরাধ দমন এবং গ্রামের বিরোধ নিষ্পত্তি করার ক্ষমতা দিয়ে প্রথাটি পুনরুদ্ধার করার চেষ্টা করেছিল। তবে এই পদক্ষেপ গুলো গ্রামীণ সম্প্রদায়ের হারানো ক্ষমতা পুনরুদ্ধারের জন্য মোটেই পর্যাপ্ত ছিল না। 

প্রতিটি প্রশাসনিক থানা অনেক গুলো সার্কেলে বিভক্ত ছিল। সার্কেলের প্রধান নির্বাহীকে বলা হতো সরপঞ্চ। সরপঞ্চের পরিষদে দুইজন সরপঞ্চায়েত বা সহকারী সরপঞ্চ থাকতেন। একজন সরপঞ্চ বেশ কিছু প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করতেন। চৌকিদার নিয়োগ, ট্যাক্স সংগ্রহ, গ্রামীন বিরোধ নিষ্পত্তি, বিচার সালিশ তথা আইনশৃঙ্খলা রক্ষা প্রভৃতি। থানা সার্কেল অফিসার বা প্রশাসনিক উচ্চ পদস্থ অফিসারের তত্বাবধানে সরাসরি হাত তুলার মাধ্যমে সরপঞ্চ ও সহকারী সরপঞ্চ বা সরপঞ্চায়েত নির্বাচিত হতেন। সরপঞ্চ দুইজন চৌকিদার নিয়োগ করতে পারতেন। ক্ষেত্র বিশেষে বিচার কার্যক্রম পরিচালনার স্বার্থে সরপঞ্চ নিজস্ব ক্ষমতাবলে ৪/৫ জন ব্যক্তিকে সালিশ কার্যে নিয়োগ করতে পারতেন। 

সরপঞ্চের মেয়াদ ছিল পাঁচ বছর। সরপঞ্চ পদটি বর্তমানে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের পদমর্যাদা। ১৯৫৮ সালে পাকিস্তানের প্রধান সামরিক আইন প্রসাসক ফিল্ড মার্শাল আইয়ূব খান সার্কেল প্রথা বিলুপ্ত করে মৌলিক গণতন্ত্র চালুর মাধ্যমে ইউনিয়ন কাউন্সিল গঠন করেন। ব্রিটিশ শাসনামলে নবীগঞ্জ থানায় ৪১টি সার্কেল ছিল। বিভিন্ন জনের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করে এই নিবন্ধে নবীগঞ্জ উপজেলা সহ বৃহত্তর সিলেট জেলার (বর্তমানে সিলেট বিভাগ) ৫১ জন সরপঞ্চ ও সহকারী সরপঞ্চের নাম ও সংক্ষিপ্ত পরিচয় তুলে ধরার চেষ্টা করলাম। পরবর্তিতে তা ক্রমান্বয়ে তুলে ধরা হবে।

 

জেলাঃ-হবিগঞ্জ, উপজেলা নবীগঞ্জঃ  ১। আক্রম উল্লা; গ্রাম: কাজীরগাঁও, পদবী: সরপঞ্চ, সার্কেল নামাবার- ১ দায়িত্ব কাল-১৯৩৫-১৯৪০)  তার  অন্যান্য পরিচয়:  তিনি নবীগঞ্জ কলেজের  প্রভাসক শফিকুর রহমানের নানা। ২। সুজাত মিয়া; গ্রাম: বাগাউড়া, পদবী: সরপঞ্চায়েত, সার্কেল: নম্বর-১, দায়িত্বকাল (১৯৪০-১৯৪৫)  অন্যান্য পরিচয়:  দুই নং ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলামের পিতা। ৩।  আব্দুস সালাম; গ্রাম: কাজিরগাঁও, পদবী: ভারপ্রাপ্ত সরপঞ্চ, সার্কেল: নম্বর-১, মেয়াদ কাল:(১৯৫১-১৯৫৮) সর্বশেষ মেয়াদ, অন্যান্য পরিচয়:  হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট আবুল মনসুর আহমেদ এর পিতা। ৪। আব্দুল খালিক চৌধুরী; পিতা: শ্রীমান নজিব উল্লা চৌধুরী, গ্রাম: কামারগাঁও, পদবী: সরপঞ্চ, সার্কেল নং-২, মেয়াদ কাল: (১৯৪০-১৯৪৫), অন্যান্য পরিচয়: ৪নং ইউনিয়ন পরিষদের প্রথম  চেয়ারম্যান আব্দুর রশীদ চৌধুরীর বড়ো ভাই ও ব্যাংক কর্মকর্তা আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী  ও  ব্যবসায়ী আবদুল মোনায়েম চৌধুরীর দাদা। ৫।  শ্রী মথুর চন্দ্র দেব, গ্রাম: কামারগাঁও, পদবী: সহকারী সরপঞ্চ, সার্কেল নম্বর-২ মেয়াদ কাল: (১৯৪০-১৯৪৫), অন্যান্য পরিচয়: কামার গাঁওের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব সদ্য প্রয়াত নারায়ণ দেব ও মনিষ দেবের পিতা। ৬। শ্রী সাড়ী দত্ত, গ্রাম: হোসেনপুর, পদবী: সরপঞ্চ, সার্কেল: নম্বর-৩ অন্যান্য পরিচয়: বিশিষ্ট সালিশ বিচারক পরেশ দত্তের বড়ো ভাই। ৭।  শ্রী শরৎ চন্দ্র দাস, গ্রাম: দূর্গাপুর, পদবী: সহকারী সরপঞ্চ, সার্কেল: নম্বর-৩ অন্যান্য পরিচয়: দূর্গাপুর গ্রামের প্রয়াত টখা দাশের পিতা।  ৮। শ্রী অতুল চন্দ্র দেব -গ্রাম: হোসেনপুর, পদবী: সহকারী সরপঞ্চ, সার্কেল: নম্বর-৩, অন্যান্য পরিচয়: প্রয়াত হরি দেবের পিতা। ৯।  আসক মুন্সি, পিতা: শেখ নরু, গ্রাম: দূর্গাপুর, পদবী: সরপঞ্চ, সার্কেল নম্বর-৩ মেয়াদ কাল: (১৯০৮-১৯১৩), অন্যান্য পরিচয়: ৪নং ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক মেম্বার আব্দুস সাত্তারের চাচা ও ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর সদস্য আলফু মিয়ার পিতা। ১০।  আব্দুল বছির চৌধুরী (শায়েস্তা মিয়া), পিতা: শ্রীমান আব্দুল হেকিম চৌধুরী, গ্রাম: নূরগাঁও, পদবী: সরপঞ্চ, সার্কেল: নম্বর-৩, মেয়াদ কাল: (১৯১৩-১৯২৩), অন্যান্য পরিচয়: বিশিষ্ট শিক্ষক মদব্বির  হোসেন চৌধুরীর পিতা ও ডাক্তার মোহাদ্দিস চৌধুরীর দাদা।  ১১।  আব্দুল কদ্দুস চৌধুরী, পিতা: শ্রীমান আব্দুর রহিম চৌধুরী, গ্রাম: নূরগাঁও, পদবী: সরপঞ্চ, সার্কেল: নম্বর-৩, মেয়াদ কাল: (১৯২৩-১৯৩৩)। তার অন্যান্য পরিচয় তিনি  ইনসাফুজ্জামান চৌধুরীর পিতা। ১২। শ্রীমান প্যায়ারী মোহন দেব, পিতা: শ্রীমান কৃপা রাম দেব, গ্রাম: পুরাদিয়া, পদবী: সহকারী সরপঞ্চ, সার্কেল: নম্বর-৩  মেয়াদ কাল: (১৯২৩-১৯৩৩), অন্যান্য পরিচয়: বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনের সৈনিক কংগ্রেস নেতা এডভোকেট কামিনী কুমার দেবের ভাই। কামিনী কুমার দেব দেশবিভাগ সহ্য করতে না পড়ে সিলেট কাষ্টঘরের বাসায় আত্মহত্যা করেন। ও বিশিষ্ট হোমিও চিকিৎসক শ্রী প্রহল্লাদ চন্দ্র দেবের পিতা।  ১৩।  রফিকুল হক চৌধুরী, পিতা: শ্রীমান আব্দুর রহিম চৌধুরী, গ্রাম: নূরগাঁও, পদবী: সরপঞ্চ, সার্কেল: নম্বর-৩ মেয়াদ কাল: (১৯৩৩-১৯৪৩), অন্যান্য পরিচয়: আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন সাংবাদিক ও লেখক ইংল্যান্ড প্রবাসী মতিয়ার চৌধুরীর পিতা। ১৪।  সফিকুল হক চৌধুরী; পিতা: শ্রীমান আব্দুর রহিম চৌধুরী, গ্রাম: নূরগাঁও, পদবী: সরপঞ্চ সার্কেল: নম্বর-৩ মেয়াদ কাল: (১৯৪৩-১৯৫৮) , অন্যান্য পরিচয়: ৪নং ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবু শহীদ চৌধুরীর পিতা। ১৫।  শ্রীমান অশ্বিনী কুমার ভূইয়া; গ্রাম: পুরাদিয়া, পদবী: সহকারী সরপঞ্চ, সার্কেল:  নম্বর-৩, মেয়াদ কাল: (১৯৪৩-১৯৫৮) ১৬।  হাজী সোয়াব আলী; পিতা: আম্বর উল্লাহ , গ্রাম: নূরগাঁও, পদবী: সহকারী সরপঞ্চ, সার্কেল: নম্বর-৩  মেয়াদ কাল: (১৯৩৩-১৯৪৩), অন্যান্য পরিচয়: নবীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতা এডভোকেট মুজিবুর রহমান কাজলের দাদা।  ১৭।  আশব উল্লাহ; গ্রাম: লামা জিয়াপুর (কামারগাও), পদবী: সরপঞ্চ, সার্কেল: নম্বর-৪ মেয়াদ কাল: (১৯৩৫-১৯৪৫), অন্যান্য পরিচয়: ৪নং ইউনিয়নের সাবেক মেম্বার সিরাজুল ইসলামের দাদা এবং বর্তমান কমারগাও ভাটপাড়া গ্রামের এরশাদুল্লাহ ও সমিরুল্লার পিতা। ১৮।  আব্দুল হাসিম (মাস্টার); গ্রাম: বাড়িগাঁও, পদবী: সহকারী সরপঞ্চ, সার্কেল:  নম্বর-৪  মেয়াদ কাল: (১৯৩৫-১৯৪৫)  ১৮।  শ্রীমান নরেন্দ্র ঠাকুর বড়াল; গ্রাম: মধ্যসমত, পদবী: সরপঞ্চ, সার্কেল নং- ১৭ , মেয়াদ কাল: (১৯০৫-১৯১০)। ১৯।  শ্রীমান উত্তম কুমার চৌধুরী; গ্রাম: মধ্যসমত, পদবী: সরপঞ্চ, সার্কেল: ১৭ নম্বর, মেয়াদ কাল: (১৯১৫-১৯২০)।  ২০। আরজদ চৌধুরী- পিতা  আলিম চৌধুরী গ্রাম: মধ্যসমত, আগনা, পদবী: সরপঞ্চ, সার্কেল:  নম্বর-১৭  মেয়াদ কাল: (১৯৪৮-১৯৫৮)।  ২১।  শ্রীমান সনাতন দাস (১৮৫৫-১৯৩৮); পিতা: শ্রীমান গঙ্গারাম দাস, গ্রাম : মুক্তাহার, পদবী: সরপঞ্চ, সার্কেল:  নম্বর- ৩৯, মেয়াদ কাল: (১৮৯৫-১৯০০), অন্যান্য পরিচয়: বীর মুক্তিযোদ্ধা রবীন্দ্র চন্দ্র দাসের (মাস্টার) দাদা শ্রীমান দীননাথ দাসের বড়ো ভাই।  ২২।  শ্রীমান দীননাথ দাস (১৮৬০-১৯৪৩); পিতা: শ্রীমান গঙ্গারাম দাস, গ্রাম: মুক্তাহার, পদবী: সরপঞ্চ, সার্কেল নম্বর-৩৯, মেয়াদ কাল: (১৯৯০-১৯০৫), অন্যান্য পরিচয়: বীর মুক্তিযোদ্ধা রবীন্দ্র চন্দ্র দাসের (মাস্টার) দাদা। ২৩।  শ্রীমান বঙ্ক চন্দ্র দাস (জন্ম: ১৮৮৩ - মৃত্যু তারিখ: ৪ঠা আষাঢ় ১৩৭১ বঙ্গাব্দ; ১৮ জুন ১৯৬৪ খ্রিস্টাব্দ); পিতা: শ্রীমান ব্রজনাথ দাস, গ্রাম: মুক্তাহার, পদবী: সরপঞ্চ, সার্কেল নম্বর-৩৯  মেয়াদ কাল : (১৯৫০-১৯৫৮), অন্যান্য পরিচয়: তিনি দীর্ঘ দিন শিক্ষকতা করেন। তিনি ও তাঁর ভাই ভগবান দাস বিশাল ভূসম্পত্তি এবং নিজস্ব তালুক ও ইটের ভাটার মালিক ছিলেন। নবীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক নেতা ভাগ্যেশ্বর দাসের (ভাগ্যেশ্বর বাবু) পিতা ও ডা. কুটিশ্বর দাসের (সাবেক চেয়ারম্যান কুটিশ্বর বাবু) জ্যেঠা।  ২৪। মহানন্দ দাশ (বিএ); পিতা: প্রতাপ দাশ, পদবী: সরপঞ্চ- সার্কেল নং- ২১,(ময়াদকাল ১৯৪৫-১৯৫০) গ্রাম: বাল্লা জগন্নাথপুর, অন্যান্য পরিচয়: ১নং ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান বাবু মতিলাল দাশের (বি.এ) পিতা ও মৃনাল দাশের দাদা।  ২৫। মহেন্দ্র কুমার দাশ রায়; পদবী: সরপঞ্চ, গ্রাম: জগন্নাথপুর, সার্কেল নং-২১ মেয়াদ কাল (১৯৫১-১৯৫৮)  তিনি দীর্ঘ দিন দায়িত্ব পালন করেন। অন্যান্য পরিচয়: মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক। তিনি ১৯৬০ সালে বিডি মেম্বার নির্বাচিত হন।   ২৬। মো: আরজদ চৌধুরী; পদবী: সরপঞ্চ; গ্রাম: চরগাঁও; সার্কেল নং-৩৮ মেয়াদ কাল  ১৯৪৫-১৯৫০)  অন্যান্য পরিচায়: নবীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ফজলুল হক চৌধুরী সেলিম’র দাদা । তিনি ১৯৬০ সালে বিডি মেম্বার নির্বাচিত হন।   ২৭।  আফসর মিয়া; পিতা: জইন উল্লা; গ্রাম: গুজাখাইড়; পদবী: সরপঞ্চ; সার্কেল নং-৩৩ ( মেয়াদকাল- (১৯৪৫-১৯৫০) অন্যান্য পরিচায়: লন্ডনী বাদশা মিয়ার পিতা। ২৮।  হাজী ইয়াদ আলী; পিতা: হাজী ইছুব উল্লা, পদবী: সরপঞ্চ- গ্রাম: রাজাবাদ, সার্কেল-নং-৩৮ মেয়াদ কাল (১৯৫০-১৯৫৮) :অন্যান্য পরিচয়: তিনি ১৯৬০ ও ১৯৬৫ সালে বিডি মেম্বার নির্বাচিত হন। নবীগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান হাজী আব্দুল মতলিব এর পিতা।   ২৯।  আলফাস মিয়া; পদবী: সরপঞ্চ, সার্কেল নং-২৩ মেয়াদকাল ১৯৪৫-১৯৫৮) গ্রাম: বুরহানপুর, অন্যান্য পরিচয়: হবিগঞ্জ বারের সিনিয়র এডভোকেট খালিকুজ্জামান চৌধুরী’র পিতা। 

বানিয়াচং উপজেলা-জেলা হবিগঞ্জঃ  ৩০।  আবদুল জব্বার চৌধুরী; পিতা: আবদুল মজিদ চৌধুরী, পদবী: সরপঞ্চ, সার্কেল নং- ১১  মেয়াদকালঃ (১৯৪৪-১৯৪৮), গ্রাম: কাগাপাশা, অন্যান্য পরিচয়: সালেহ আহমদ চৌধুরীর দাদা। ৩১।  বামাচরণ চৌধুরী; গ্রাম: রাজেন্দ্রপুর, পদবী: সরপঞ্চ, সার্কেল নং- ১১  মেয়াদকাল: (১৯৪৯-১৯৫৩), অন্যান্য পরিচয়: বারীন্দ্র চৌধুরী এবং বিধান চৌধুরীর পিতা। ৩২।  হাজী আব্দুর রহিম; গ্রাম : কাগাপাশা, পদবী: সরপঞ্চ, সার্কেল- নং-৮ মেয়াদকাল: (১৯৫৪-১৯৫৮), অন্যান্য পরিচায়: কাগাপাশা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল আলিমের বাবা। ৩৩।  জগৎ চন্দ্র চৌধুরী (জগৎ সরকার; (১৯১৩ – ২৫-.০৩.১৯৭৩); পিতা: দুর্যোধন চৌধুরী, পদবী: সরপঞ্চায়েত, গ্রাম: মাকালকান্দি, সার্কেল নং-১৩ মেয়াদ কাল (১৯৩৫-১৯৪০)  অন্যান্য পরিচয়: ১৯৫৪ সালে তিনি হবিগঞ্জ লোকাল বোর্ডের সদস্য নির্বাচিত হন ও কিংবদন্তি প্রতীম সালিশ বিচারক।  ৩৪। কর্ণমোহন চৌধুরী; পিতা: কৈলাশ চৌধুরী, পদবী: সরপঞ্চায়েত/সহকারী সরপঞ্চ, গ্রাম: মাকালকান্দি, সার্কেল: ১১ নম্বর, (মেয়াদকাল-(১৯৪৫-১৯৫৮) অন্যান্য পরিচয়: নাতি সম্রাট চৌধুরী।  ৩৫।  হাজী মজর আলী; পদবী: সরপঞ্চায়েত/সহকারী সরপঞ্চ, গ্রাম: উমরপুর, সার্কেল নং-৭ (মেয়াদকাল-১৯৪৫-১৯৫০)কাগাপাশা ইউনিয়ন।  ৩৬।  হরলাল দাশ; পদবী: সরপঞ্চায়েত, গ্রাম: ভাগতলা, সার্কেল নং -৫ (মেয়াদকাল ১৯৪৫-১৯৫৫)  পৈলার কান্দি ইউনিয়ন, অন্যান্য পরিচয়: পুত্র অরবিন্দু দাশ (ভারত প্রবাসী)।

জেলা: সুনামগঞ্জ, উপজেলা: দিরাই   ৩৭।  প্রসন্ন চৌধুরী; পদবী: সরপঞ্চ, গ্রাম: রাজনাও সার্কেল নং-৭ মেয়াদকাল(১৯৪০-১৯৪৫)  (চৌধুরী বাড়ির), জগদল ইউনিয়ন। ৩৮।  গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী (করম মিয়া), পদবী: সরপঞ্চ, গ্রাম: কুলঞ্জ, সার্কেল নং-৩ মেয়াদ কাল: (১৯৫০-১৯৫৮) , অন্যান্য পরিচয়: দিরাই উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান নাসির উদ্দীন চৌধুরীর পিতা।  ৩৯।  কামিনী মোহন চৌধুরী; পিতা: কালাচাঁদ চৌধুরী, গ্রাম: রাজনাও (চৌধুরী বাড়ি), জগদল ইউনিয়ন, পদবী: সরপঞ্চ, সার্কেল নং-৭ (মেয়াদকাল-(১৯৩৫-১৯৪০)  অন্যান্য পরিচয়: ছেলে কাঞ্চন চৌধুরী, নাতি সাম্য চৌধুরী (শাবিপ্রবি ছাত্র)। ৪০।  আব্দুল হক; গ্রাম: জগদল, পদবী: সরপঞ্চ, সার্কেল নং-৬ মেয়াদকাল (১০৪৫-১৯৫০) অন্যান্য পরিচয়: পুত্র বজলু হক।  ৪১।  ওয়াহেদ উল্লা; গ্রাম: রাজনাও, পদবী: সরপঞ্চ সারেকল নং-৭ মেয়াদকাল (১৯৫০-১৯৫৮), জগদল ইউনিয়ন।

জেলা: সুনামগঞ্জ, উপজেলা: জগন্নাথপুরঃ  ৪২।  চক্রপানি চক্রবর্তী; পদবী: সরপঞ্চ, গ্রাম: কামাড়খাল, সার্কেল:  নম্বর-১, মেয়াদ কাল: (১৯৩৫-১৯৪৫) দীর্ঘ দিন শেষ মেয়াদ পর্যন্ত। ৪৩।  হাসান খান; পদবী: সরপঞ্চ, গ্রাম: শ্রীরামশ্রী (দিঘির পাড়), সার্কেল: ৯ নম্বর, মেয়াদ কাল: (১৯২৫-১৯৩৫), অন্যান্য পরিচয়: ৩নং মিরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেরিন সাহেবের নানা ও শ্রীমারসী খান পরিবারের সদস্য বিশিষ্ট সালিশ ব্যক্তিত্ব ধন খান ও মনর খানের পিতা। ৪৩। সাজিদুর রহমান ; পদবী: সরপঞ্চ, গ্রাম: শ্রীরামশ্রী (পূর্ব গ্রাম), সার্কেল: নং- ১১ , মেয়াদ কাল: (১৯৫০-১৯৫৮), পরবর্তিতে মীরপুর িইউনিয়নের মেম্বার নির্বাচিত হন ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।  অন্যান্য পরিচয়: লন্ডনের টাওয়ার হ্যামলেট কাউন্সিলের সাবেক ডেপুটি মেয়র আকিকুর রহমানের পিতা। ৪৪।  আব্দুল ওয়াহিদ; পদবী: সহকারী সরপঞ্চ, গ্রাম নিজ শ্রীরামসী : সার্কেল: ১১ নম্বর, মেয়াদ কাল (১৯৪৫-১৯৫০)। তিনি একজন শালিশ বিচারক ও শ্রীরামসী উচ্চ বিদ্যালয়ের ভূমি দাতা ও দীর্ঘ দিন স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি ছিলেন , ও শ্রীরামসী মশাজান কাদিপুর প্রইমারী স্কুলের প্রতিষ্টাতা। সদ্য প্রয়াত যুক্তরাজ্য প্রবাসী ক্যাটারারস নেতা এলাইছ মিয়া মতিনের পিতা।  ৪৪।  আব্দুল গণি; পদবী: সককারী সরপঞ্চ, গ্রাম: শ্রীরামশ্রী (চাঁদ বোয়ালিয়া), সার্কেল: নং১১   মেয়াদ কাল:  মেয়াদকাল-১৯৪৫-১৯৫০) , অন্যান্য পরিচয়: তিনি ১৯৬০ সালে বিডি মেম্বার নির্বাচিত হন।  বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল বশরের চাচা ও যুক্তরাজ্য প্রবাসী আব্দুল মোবিন ও চিত্র গ্রাহক আব্দুল মোনায়েমের পিতা।  

জেলা সুনামগঞ্জ -উপজেলা ছাতকঃ  ৪৫। রুস্তম আলী; পদবী: সরপঞ্চ , গ্রাম: রায়ত, কালারুকা মেয়াদকাল-(১৯৫০-১৯৫৮) , অন্যান্য পরিচয়: কালারুকা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান লন্ডন প্রবাসী মো: ফারুখ মিয়া’র পিতা।

জেলা: সিলেট, উপজেলা: বালাগঞ্জ বর্তমান ওসমানী নগরঃ  ৪৬।  হামদু মিয়া; পদবী: সরপঞ্চ, গ্রাম: রাইকদারা, দয়ামীর, সার্কেল নং- ৯ , থানা: বালাগঞ্জ (বর্তমান ওসমানী নগর), মেয়াদ কাল: (১৯৪০-১৯৪৫), অন্যান্য পরিচয়: সাবেক মেম্বার ও  মুক্তিযুদ্ধের  অন্যতম সংগঠক আব্দুল ওয়াহিদ ও লন্ডন প্রবাসী হারিছ মিয়া এবং হাফিজ তৈয়ব মিয়া, তাহিদ মিয়া, তারিছ মিয়া ও তছলিম মিয়ার পিতা।  ৪৭।  ইনতাজ উল্লা; পদবী: সরপঞ্চ, গ্রাম: গজিয়া, সাদীপুর ইউনিয়ন, সার্কেল নং- ১৩, থানা: বালাগঞ্জ (বর্তমান ওসমানী নগর), মেয়াদ কাল: (১৯৪৫-১৯৫৫), অন্যান্য পরিচয়: বিশিষ্ট শালিশ ব্যক্তিত্ব আলা উদ্দিনের পিতা সাবেক ছাত্র নেতা শাহজাহানের দাদা।

জেলাঃ মৌলভীবাজার- থানা: কুলাউড়া ৪৮।  নাম: মসকন্দ আলি (মাস্টার) (১৮৭৭-১৯৭২); পিতা: আবদুল আলি খান, গ্রাম: জাঙ্গালিয়া, পদবী: সরপঞ্চ, মেয়াদ কাল: (১৯৪৫-১৯৫০), সার্কেল: সাগরনাল (জাঙ্গালিয়া, সাগরনাল, বরইতুলি, কলাবাড়ী বাজার, বর্তমান ৬ নং সাগরনাল ইউপি)। তৎকালীন থানা: কুলাউড়া, বর্তমান: জুড়ি। অন্যান্য পরিচয়: ছেলের ঘরের নাতিদের শামসুল আলম সেলিম (সাংস্কৃতিক সম্পাদক, সিলেট জেলা আওয়ামী লীগ)।

 (বিঃ দ্রঃ তথ্য ঋণ: বিভিন্ন সময়ে নবীগঞ্জ উপজেলার তথ্য দিয়েছেন বাবু শ্যামাপ্রসন্ন দাশগুপ্ত (বিধুবাবু, সাবেক জমিদার ও চেয়ারম্যান, নবীগঞ্জ), জনাব আব্দুল আজিজ চৌধুরী (সাবেক এমপিএ, নবীগঞ্জ)। বানিয়াচং, দিরাই, ছাতক উপজেলার ও নবীগঞ্জ উপজেলার বাল্লা জগন্নাথপুরের তথ্য দিয়েছেন তরুন সমাজকর্মী জার্নেল চৌধুরী (মাকালকান্দি, বানিয়াচং, হবিগঞ্জ)। জগন্নাথপুর উপজেলার ১নম্বর সার্কেলের তথ্য দিয়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা রসরাজ বৈদ্য (কালীটেকি, সাবেক সভাপতি, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি-ছাড়া বিভিন্ন সময়ে তথ্য দিয়েছেন সিলেটের কৃতিসন্তান  ইতিহাস বেত্তা মনির উদ্দিন চৌধুরী, কামারগাঁও গ্রামের ছাদিক হোসেন চৌধুরী, নবীগঞ্জের সর্বজন শ্রদ্ধেয় সাংবাদিক এম এ, বশিরসং ও সিলেট কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদের প্রতিষ্টাতা ভাষা সৈনিক মুহম্মদ নূরুল হক।) 

মতিয়ার চৌধরী: সাংবাদিক, গবেষক ও লেখক

লন্ডনলন্ডন, যুক্তরাজ্য / ৩রা জুলাই ২০২৪

মতামত এর আরও খবর