img

পায়রা বন্দরে একাধিক পদে চাকরি, আবেদন করুন দ্রুত

প্রকাশিত :  ১৪:৪৯, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩

পায়রা বন্দরে একাধিক পদে চাকরি, আবেদন করুন দ্রুত

পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষে লোকবল নিয়োগের জন্য সম্প্রতি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। এই বন্দরে ১২টি পদে মোট ১৪ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। বিজ্ঞপ্তি অনুসারে পদগুলোয় যোগ্যতা পূরণ সাপেক্ষে যোগ দিতে পারবেন যে কেউ। ইতিমধ্যে আবেদন শুরু হয়েছে। আবেদন করা যাবে ২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।

পদের নাম, পদসংখ্যা ও বেতন স্কেল

১. সহকারী পরিচালক (হিসাব)-১; বেতন স্কেল ২২০০০-৫৩০৬০ টাকা

২. ইঞ্জিন ড্রাইভার (১ম শ্রেণি)-১; বেতন স্কেল ১১০০০-২৬৫৯০ টাকা

৩. প্রধান সহকারী-১; বেতন স্কেল ১১০০০-২৬৫৯০ টাকা

৪. ব্যক্তিগত সহকারী-১; বেতন স্কেল ১১০০০-২৬৫৯০ টাকা

৫. সিনিয়র অ্যাকাউন্টস অ্যাসিস্ট্যান্ট-১; বেতন স্কেল ১০২০০-২৪৬৮০ টাকা

৬. স্টেনো টাইপিস্ট কাম-কম্পিউটার অপারেটর-১; বেতন স্কেল ১০২০০-২৪৬৮০ টাকা

৭. সহকারী ট্রাফিক ইন্সপেক্টর-২; বেতন স্কেল ১০২০০-২৪৬৮০ টাকা

৮. অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক-২; বেতন স্কেল ৯৩০০-২২৪৯০ টাকা

৯. নিম্নমান বহিঃসহকারী-১; বেতন স্কেল ৯৩০০-২২৪৯০ টাকা

১০. সুকানি-১; বেতন স্কেল ৮৫০০-২০৫৭০ টাকা

১১. অফিস সহায়ক-১; বেতন স্কেল ৮২৫০-২০০১০ টাকা

১২. নিরাপত্তারক্ষী-১; বেতন স্কেল ৮২৫০-২০০১০ টাকা

আবেদনের যোগ্যতা

প্রতিটি পদে আবেদনের জন্য আবেদনের যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা ও বয়সসীমা জানা যাবে বিজ্ঞপ্তিতে।

বয়স

আগ্রহী প্রার্থীদের বয়স ১-৬-২০২৩ তারিখে ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে। তবে মুক্তিযোদ্ধা/শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের ক্ষেত্রে বয়স ৩২ বছর।

আবেদনের নিয়ম

আগ্রহী প্রার্থীরা ওয়েবসাইট http://ppa.teletalk.com.bd/posts.php থেকে আবেদনপত্র পূরণ করতে পারবেন। নিয়োগসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য এই লিংকে http://ppa.teletalk.com.bd/docs/PPA_CIRCULAR_2023_08_31.pdf জানা যাবে।

img

সুইস ব্যাংক থেকে রেকর্ড পরিমাণ টাকা সরিয়ে নিচ্ছেন বাংলাদেশিরা!

প্রকাশিত :  ১৬:৪৭, ২০ জুন ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট: ১৮:৪১, ২০ জুন ২০২৪

বাংলাদেশের অঢেল টাকার মালিকরা নিরাপদ মনে করে সুইজারল্যান্ডের বিভিন্ন ব্যাংককে তাদের টাকা আমানত রেখেছেন, গত এক বছরে তারা তাদের আমানত নজিরবিহীন গতিতে সরিয়ে নিচ্ছেন।

বৃহস্পতিবার (২০ জুন) সুইজারল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুইস ন্যাশনাল ব্যাংকের (এসএনবি) প্রকাশিত বার্ষিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বছর সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকগুলোতে বাংলাদেশিদের আমানতের পরিমাণ সাড়ে ৫ কোটি সুইস ফ্রাঁ থেকে কমে ১ কোটি ৮০ লাখ ফ্রাঁ হয়েছে। দেশটির ব্যাংকগুলো থেকে বাংলাদেশিদের অর্থ তুলে নেওয়ার এই গতিকে তীব্র বলা হচ্ছে। প্রতিবেদন বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ১ বছরে আমানতের হার প্রায় ৬৫ শতাংশ কমেছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশের ডলার সংকট এ ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রেখেছে। কেউ কেউ পাচার করা টাকাও হয়তো সরিয়ে নিয়েছেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক) মইনুল ইসলাম যুগান্তরকে জানান, নানা কারণে সুইস ব্যাংকের আকর্ষণ কমছে। তথ্যপ্রযুক্তির সুবিধার্থে বিশ্বের অনেক দেশের ব্যাংকে নিরাপদে বৈদেশিক মুদ্রা রাখা যাচ্ছে। পাচারকারীরা এখন সুইস ব্যাংকের বিকল্প হিসাবে ইউএসএ, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, মালয়েশিয়াসহ অনেক দেশে অর্থ পাচার করছে। যে কারণে সুইস ব্যাংকে আগের মতো আমানত বাড়ছে না।

২০২১ সালে যেখানে বাংলাদেশি আমানত ছিল ৮৭ কোটি ১১ লাখ সুইস ফ্রাঁ, ২০২২ সালের শেষে তা কমে এসেছে মাত্র সাড়ে পাঁচ কোটি ফ্রাঁতে। ওই বছর বিস্ময়কর গতিতে সুইস ব্যাংক থেকে সাড়ে ১০ হাজার কোটি টাকা তুলে নিয়েছে বাংলাদেশিরা। টাকা তুলে নেওয়ার প্রবণতা ২০২৩ সালেও অব্যাহত ছিল। যা বেশ উল্লেখ করার মতো। আমানত কমতে কমতে গত ২ বছরে ১১ হাজার ২২৯ কোটি টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে। এত বিপুল পরিমাণ টাকা উত্তোলন করে বাংলাদেশিরা কী করেছে, তার কোনো ব্যাখ্যা প্রতিবেদনে নেই।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের হাজার হাজার মানুষ সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকগুলোতে বৈধ-অবৈধ পথে উপার্জিত অর্থ গচ্ছিত রাখেন। কঠোর গোপনীয় ব্যাংকিং নীতির কারণে সারা দুনিয়ার মানুষ সেখানে অর্থ জমা রাখেন। বিশেষ করে অবৈধ আয় আর কর ফাঁকি দিয়ে জমানো টাকা জমা রাখা হয় সুইস ব্যাংকে। নির্দিষ্ট গ্রাহকের তথ্য না দিলেও এক দশক ধরে বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে আসছে সুইস ন্যাশনাল ব্যাংক। 

আমানত কমে যাওয়ার পেছনে ধারণা করা হচ্ছে, সুইজারল্যান্ডে গোপনীয়তা কমতে থাকায় বাংলাদেশিসহ অনেক দেশের ধনী ব্যক্তিই এখন অবৈধ টাকা জমা রাখার জন্য লুক্সেমবার্গ, কেম্যান আইল্যান্ড, ব্রিটিশ ভার্জিন আইল্যান্ড বা বারমুডার মতো ট্যাক্স হ্যাভেন দেশগুলোর দিকে ঝুঁকছেন।

প্রতিবেদন পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ২০২০ সালে সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকগুলোতে বাংলাদেশিদের জমা অর্থের পরিমাণ তার আগের বছরের তুলনায় কম ছিল। ওই বছর সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের গচ্ছিত অর্থের পরিমাণ ছিল ৫৬ কোটি ৩০ লাখ সুইস ফ্রাঁ; যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৫ হাজার ২০৩ কোটি টাকার বেশি।

এর আগের বছর অর্থাৎ ২০১৯ সালে সুইজারল্যান্ডের বিভিন্ন ব্যাংকে বাংলাদেশিদের জমা করা অর্থের পরিমাণ ছিল ৬০ কোটি ৩০ লাখ ফ্রাঁ। ২০১৮ সালে এই অর্থের পরিমাণ ছিল ৬২ কোটি সুইস ফ্রাঁ। আর ২০১৭ সালে এর পরিমাণ ছিল ৬৬ কোটি ১৯ লাখ সুইস ফ্রাঁ।

এদিকে, বাংলাদেশের প্রতিবেশী ভারতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও নাগরিকের সুইস ব্যাংকে অর্থ আমানতের হার ২০২৩ সালে প্রায় ৭০ শতাংশ কমেছে। গত ৪ বছরের মধ্যে ভারতীয়দের আমানতের পরিমাণ সর্বনিুে পৌঁছেছে ২০২৩ সালে।

আমানত হ্রাস পাওয়ার পরও সুইস ব্যাংকে ভারতীয়দের অর্থের পরিমাণ ১ দশমিক ০৪ বিলিয়ন সুইস ফ্রাঁতে দাঁড়িয়েছে; যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৯ হাজার ৭৭১ কোটি রুপি। এ নিয়ে সুইস ব্যাংকে ভারতীয় প্রতিষ্ঠান ও নাগরিকদের আমানত টানা দ্বিতীয়বারের মতো কমেছে।

সুইজারল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের ‘মোট দায়ের’ মধ্যে ব্যক্তিগত, ব্যাংক এবং অন্যান্য উদ্যোগের আমানতসহ সব ধরনের তহবিল অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।