img

‘জেড’ ক্যাটেগরিতে নেমে যাওয়ার শঙ্কায় ২১ কোম্পানি

প্রকাশিত :  ০৭:২৪, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩

‘জেড’ ক্যাটেগরিতে নেমে যাওয়ার শঙ্কায় ২১ কোম্পানি

২০২০ সালে শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) এক আদেশে বলেছিল, কোনো কোম্পানি পরপর দুই বছর ক্যাশ ডিভিডেন্ড দিতে ব্যর্থ হলে বা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এজিএম অনুষ্ঠানে ব্যর্থ হলে বা পরপর দুই বছর নেট ক্যাশ ফ্লো ঋণাত্মক হলে বা পুঞ্জীভূত লোকসানের পরিমাণ পরিশোধিত মূলধনকে অতিক্রম করলে বা বিএমআরই ছাড়া কোনো কোম্পানির ব্যবসায়িক বা উৎপাদন কার্যক্রম টানা ছয় মাস বন্ধ থাকলে ওই কোম্পানির শেয়ার ‘জেড’ক্যাটেগরিতে লেনদেন হবে।

ওই আদেশ অনুযায়ী, দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জে প্রায় দুই ডজন কোম্পানির শেয়ার ‘জেড’ ক্যাটেগরিতে নেমে যাওয়ার শঙ্কায় রয়েছেন বিনিয়োগকারীরা। এসব কোম্পানির শেয়ার বর্তমানে ‘এ’ বা ‘বি’ ক্যাটেগরিতে লেনদেন হচ্ছে।

স্টক এক্সচেঞ্জ ও বিএসইসির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কভিড-১৯ মহামারি পরিস্থিতির কারণে ‘জেড’ ক্যাটেগরিতে অবনমনে স্টক এক্সচেঞ্জের ক্ষমতা স্থগিত করেছিল বিএসইসি। বাজারের মন্দাভাব দীর্ঘায়িত হওয়ায় বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে স্টক এক্সচেঞ্জকে সেই ক্ষমতা এখনো ফিরিয়ে দেয়নি।

বিএসইসির ওই আদেশের নির্দেশনা পরিপালক করতে ব্যর্থ হওয়ায় যেসব কোম্পানির শেয়ার ‘জেড’ ক্যাটেগরিতে নেমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে অলিম্পিক অ্যাক্সেসরিজ, বিচ হ্যাচারি, সিভিও পেট্রোকেমিক্যাল, সেন্ট্রাল ফার্মা, ডেল্টা স্পিনার্স, এফএএস ফাইন্যান্স, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং, উত্তরা ফাইন্যান্স, খুলনা প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং, মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক, মেঘনা পেট ইন্ডাস্ট্রিজ, মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজ, প্রিমিয়ার লিজিং, রিজেন্ট টেক্সটাইল, রূপালী ব্যাংক, ইউনিয়ন ক্যাপিটাল, ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড, জাহিন স্পিনিং, জাহিনটেক্স এবং ইয়াকিন পলিমার লিমিটেড।



img

১৯ দিনে রেমিট্যান্স এলো ১৪ হাজার কোটি টাকা

প্রকাশিত :  ১৬:১৭, ২১ এপ্রিল ২০২৪

চলতি এপ্রিল মাসের প্রথম ১৯ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১২৮ কোটি ১৫ লাখ মার্কিন ডলার। দেশীয় মুদ্রায় যা ১৪ হাজার কোটি টাকার বেশি।  

রোববার (২১ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

প্রতিবেদন বলছে, এসময়ে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ১১ কোটি ডলার, বিশেষায়িত একটি ব্যাংকের মাধ্যমে ৭ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলার, বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ১০৮ কোটি ৮১ লাখ ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৩৯ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার। 

এর আগে মার্চ মাসে দেশে রেমিট্যান্স আসে ১৯৯ কোটি ৬৮ লাখ ডলার। বছরের প্রথম মাস জানুয়ারিতে দেশে এসেছে ২১০ কোটি ডলার এবং ফেব্রুয়া‌রি‌তে আসে ২১৬ কো‌টি ৬০ লাখ ডলার।

গত ২০২২-২৩ অর্থবছরে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ১৬১ কোটি ৭ লাখ মার্কিন ডলার। ২০২১-২০২২ অর্থবছরে মোট রেমিট্যান্স আসে ২ হাজার ১০৩ কোটি ১৭ লাখ মার্কিন ডলার। 

এর আগে ২০২০-২১ অর্থবছরে রেমিট্যান্স এসেছিল ২ হাজার ৪৭৭ কোটি ৭৭ লাখ মার্কিন ডলার। যা সর্বোচ্চ পরিমাণ রেমিট্যান্স।