img

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি হস্তান্তর অক্টোবরে

প্রকাশিত :  ১২:৪৯, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৩
সর্বশেষ আপডেট: ১২:৫০, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৩

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি হস্তান্তর অক্টোবরে

আগামী ৫ অক্টোবর রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের (আরএনপিপি) জ্বালানি ইউরেনিয়াম আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হবে।

মঙ্গলবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ঈশ্বরদী উপজেলা পরিষদ আয়োজিত তিন দিনব্যাপী উন্নয়ন মেলা অনুষ্ঠানের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ুন কবীর।

তিনি বলেন, পাবনার ঈশ্বরদীতে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্প এলাকায় ইউরেনিয়াম হস্তান্তর প্রক্রিয়া অনুষ্ঠিত হবে। ইউরেনিয়াম হস্তান্তর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

পাবনা জেলা প্রশাসক মু. আসাদুজ্জামানের সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুবীর কুমার দাশ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আতিয়া ফেরদৌস কাকলী, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) টি এম রাহসিন কবির প্রমুখ।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি করপোরেশন রোসাটম সেপ্টেম্বরের শেষে দিকে এ প্রকল্পের পারমাণবিক জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত ইউরেনিয়ামের প্রথম চালান দেশে আনার প্রস্তুতি নিয়েছে। বিমানযোগে রাশিয়া থেকে দেশে আনার পর এ জ্বালানি প্রকল্প এলাকায় আনুষ্ঠানিকতার মধ্যদিয়ে হস্তান্তর করা হবে।

ইউরেনিয়াম বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর সেখান থেকে কঠোর নিরাপত্তায় পাবনার ঈশ্বরদীর রূপপুর প্রকল্পে আনা হবে। সেনাবাহিনী, পুলিশসহ বিভিন্ন বিভাগের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীর সদস্যরা এ নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে।

এক লাখ ১৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে এ প্রকল্পের বেশিরভাগ অর্থই ঋণ সহায়তা হিসেবে দিচ্ছে রাশিয়া। রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্পে দুটি ইউনিটের কাজ চলছে। প্রথম ইউনিট ২০২৪ সালে ও দ্বিতীয় ইউনিট ২০২৫ সালে উৎপাদনে যাওয়ার কথা রয়েছে।

img

আমাদের গুলি করলে আমরাও পাল্টা গুলি করব : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত :  ১৬:০৬, ২০ জুন ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট: ১৮:৩৯, ২০ জুন ২০২৪

মিয়ানমারের উদ্দেশে কড়া বার্তা দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, আমাদের গুলি করলে আমরাও পাল্টা গুলি করব। বৃহস্পতিবার (২০ জুন) দুপুরে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মিয়ানমারে বিভিন্ন জাতি-গোষ্ঠী সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছে। আমরা যতদূর শুনেছি আরাকান রাজ্যের আরাকান আর্মি অনেক এলাকা দখল করে নিয়েছে। সেজন্য মিয়ানমারের যে বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি), তারা আত্মরক্ষার্থে আমাদের এলাকায় পালিয়ে আসছে। কাজেই সেখানকার অবস্থা কী, সেটা আমরা বলতে পারব না। তবে এটুকু বলতে পারি, তারা মাঝে মাঝে ভুল করে আমাদের বিজিবির দলের ওপর গুলি করেছিল। তাদের জানিয়েছি। তারা যেটা বলছে, সুনির্দিষ্টভাবে বাংলাদেশের পতাকা যেন উড়িয়ে যায়। তাহলে আর কেউ গুলি করবে না।

তিনি বলেন, টেকনাফ থেকে সেন্টমার্টিন যেতে হলে আমাদের এলাকায় নাফনদ কিছু নাব্য হারিয়েছে। কাজেই সেখান দিয়ে আমাদের নৌযান চলাচল করতে পারে না। মিয়ানমারের অংশ দিয়ে যেতে হয়। যে কারণে এই বিপত্তিটা ঘটেছে। কখনো মিয়ানমার আর্মি, কখনো আরাকান আর্মি ফায়ার ওপেন করে। আমরা উভয়কেই বলে দিয়েছি, তারা আবার যদি গুলি করে আমরাও পাল্টা গুলি করব। ওখান থেকে আর কোনো গোলাগুলি হচ্ছে না। এখানে মিয়ানমারের যে দুটি জাহাজ ছিল সেগুলো ফেরত নিয়ে গেছে। আমরা আশা করছি সেখানে আর গুলি হবে না। তারপরও আমাদের যারা ওই পথ দিয়ে যাতায়াত করছেন, তারা সাবধানতা অবলম্বন করবেন।