img

‘নেলসন ম্যান্ডেলার বক্তৃতা’ দেবেন মালালা

প্রকাশিত :  ০৮:১৭, ০৩ অক্টোবর ২০২৩

‘নেলসন ম্যান্ডেলার বক্তৃতা’ দেবেন মালালা

জোহানেসবার্গে ২১তম নেলসন ম্যান্ডেলা বার্ষিক বক্তৃতা দেবেন পাকিস্তানি নোবেল বিজয়ী এবং শিক্ষাকর্মী মালালা ইউসুফজাই। সোমবার নেলসন ম্যান্ডেলা ফাউন্ডেশন (এনএমএফ) এ ঘোষণা দিয়েছে।

পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ জানিয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (আগের টুইটার) দেওয়া এক বিবৃতিতে ম্যান্ডেলা ফাউন্ডেশনের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী ভার্ন হ্যারিস বলেছেন, চলতি বছরের ৫ ডিসেম্বর নির্ধারিত বক্তৃতাটি একটি বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। কারণ ওই দিন মাদিবার (নেলসন ম্যান্ডেলাকে দক্ষিণ আফ্রিকায় স্থানীয়ভাবে মাদিবা বলে ডাকা হয়) দশম মৃত্যুবার্ষিকী।

প্রসঙ্গত, নেলসন ম্যান্ডেলা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ম্যান্ডেলাকে সম্মান জানানোর অন্যতম প্রধান কর্মসূচি হলো— নেলসন ম্যান্ডেলা বার্ষিক বক্তৃতা।

ম্যান্ডেলা ২০১৩ সালে ৯৫ বছর বয়সে মারা যান। ১৯৯৪ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট হয়েছিলেন তিনি। জাতিগতভাবে ক্ষতবিক্ষত দেশগুলোতে ঐক্য প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টার জন্য ১৯৯৩ সালে তাকে নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়া হয়।



img

গাজায় ধ্বংসস্তূপ পরিষ্কারে সময় লাগতে পারে ১৫ বছর

প্রকাশিত :  ১০:২০, ১৬ জুলাই ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট: ১০:২৫, ১৬ জুলাই ২০২৪

টানা ৯ মাসেরও বেশি সময় ধরে গাজা ভূখণ্ডে চালানো ইসরাইলের হামলায় এখন পর্যন্ত নিহত হয়েছেন ৩৮ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি। এই আগ্রাসনে গাজা ভূখণ্ড পরিণত হয়েছে ধ্বংসস্তূপে।

ফিলিস্তিনে নিযুক্ত জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএ জানিয়েছে, পরিস্থিতি এতোটাই ভয়াবহ যে, গাজায় যে মাত্রায় ধ্বংসযজ্ঞ চলছে, তাতে ধ্বংসস্তূপ পরিষ্কারে সময় লাগতে পারে ১৫ বছর।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরাইলের আগ্রাসনের কারণে গাজা উপত্যকায় সৃষ্ট ধ্বংসস্তূপ পরিষ্কার করতে ১৫ বছর সময় লাগবে বলে ইউনাইটেড নেশনস রিলিফ অ্যান্ড ওয়ার্কস এজেন্সি ফর প্যালেস্টাইন রিফিউজিস (ইউএনআরডব্লিউএ) জানিয়েছে।

জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচির (ইউএনইপি) একটি মূল্যায়নের বরাত দিয়ে সোমবার সংস্থাটি বলেছে, অবরুদ্ধ এই উপত্যকাটির পরিচ্ছন্নতার জন্য ৪০ মিলিয়ন টন ধ্বংসস্তূপ অপসারণের প্রয়োজন হবে।

ইউএনআরডব্লিউএ বলেছে, বিভিন্ন অবকাঠামোর এসব ধ্বংসাবশেষ ও ধ্বংসস্তুপ গাজা উপত্যকার মানুষের জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করেছে, কারণ এতে অবিস্ফোরিত বহু বোমা এবং ক্ষতিকারক বিভিন্ন পদার্থ থাকতে পারে।

সংস্থাটি বলেছে, ধ্বংসস্তুপ অপসারণের জন্য ১০০টিরও বেশি ট্রাকের প্রয়োজন হবে এবং ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি খরচ হবে।

অন্যদিকে ইউএনইপি বলেছে, গাজার কিছু ধ্বংসাবশেষ অ্যাসবেস্টস দ্বারা দূষিত। বিষাক্ত এই খনিজ ক্যান্সারসহ ফুসফুসের রোগ সৃষ্টি করে। সংস্থাটি আরও বলেছে, গাজার ভবনগুলোর ধ্বংসাবশেষের নিচে বিপুল সংখ্যক মানুষের দেহাবশেষ চাপা পড়ে আছে।

এদিকে সোমবার দক্ষিণ ও মধ্য গাজায় হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। গত শনিবার ‘নিরাপদ অঞ্চল’ হিসেবে বিবেচিত হওয়া আল-মাওয়াসিতে হামলা চালায় ইসরাইলি বাহিনী। এই হামলার দুইদিন না যেতেই আবার হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। 

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের উপর আরো চাপ সৃষ্টির জন্যই এই কৌশল নিয়েছে দেশটি।

গাজা উপত্যকার আল-মাওয়াসিতে হাজারো বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি আশ্রয় নিয়েছিল। জায়গাটি ছিল তাঁবুতে পরিপূর্ণ। শনিবার ইসরাইলের আকস্মিক হামলায় ৯০ জন নিহত এবং অন্তত ৩ শতাধিক আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়। সোমবারের হামলায় ঠিক কতজন নিহত হয়েছে তা নির্দিষ্ট করে নিশ্চিত করেনি রয়টার্স।

বাস্তুচ্যুত ব্যক্তিরা রয়টার্সকে বলেছেন, চতুর্দিকে ধ্বংস্তুপের মধ্যে তারা এখন কোথায় যাবে সে সম্পর্কে কোন ধারণা নেই।