img

ভালোবাসার বার্তা ছড়িয়ে শুরু ‘এ সিজন অব বাংলা ড্রামা’

প্রকাশিত :  ১৫:৫৪, ০২ নভেম্বর ২০২৩

 ভালোবাসার বার্তা ছড়িয়ে শুরু ‘এ সিজন অব বাংলা ড্রামা’

জনমত রিপোর্টঃ লন্ডনে শুরু হয়েছে মাসব্যাপী বাংলা নাট্যোৎসব ‘এ সিজন অব বাংলা ড্রামা’। পূর্ব লন্ডনের বাংলাদেশি অধ্যুষিত টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের আয়োজনে প্রতি বছর নভেম্বর মাসজুড়ে চলে এই উৎসব।

এটি লন্ডনে বাংলা নাট্যোৎসবের ২০ তম আয়োজন। যে কারণে এবারের উৎসবের মূল স্লোগান ‘২০ অ্যাক্টস অব লাভ’ (ভালোবাসার ২০টি অভিনয়)।

বুধবার স্থানীয় ব্রাডি আর্ট সেন্টারে উদ্বোধনী পরিবেশনায় ছিলো আয়োজনের মূল স্লোগানকে উপজীব্য করে নাটিকা- ‘২০ অ্যাক্টস অব লাভ’। ‘কোলভ আর্টসে’র পরিবেশনায় এই নাটিকায় দেখানো হয় বাঙালি পরিবারে ভিনদেশী বধুকে নিয়ে নানা টানাপোড়েন শেষে মেনে নেয়ার গল্প। যেখানে শেষ পর্যন্ত জয়ী হয় ভালোবাসা। এতে অভিনয় করেন রুকসানা খান ও ক্ল্যারিস মোন্টেরো।


এরপরই শুরু হয় মূল পরিবেশনা ‘ম্যারিজ ইজ মার্ডার’।হাস্যরসে ভরপূর প্রায় দুই ঘন্টার এই নাটকে তুলে ধরা হয় অনলাইন ডেটিংয়ের আধুনিক সময়ে উপযুক্ত জীবনসঙ্গী খুঁজে পাওয়া কতটা কষ্টসাধ্য। এতে জীবনসঙ্গী বাছাইয়ে বিবাহ সম্পর্কিত পেশাদার গোয়েন্দাসেবা নিতে গিয়ে পুরো পরিবার একটি খুনের রহস্যে জড়িয়ে পড়েন।

‘মার্লব সাইনিউ’ পরিবেশিত মঞ্চ নাটকটির লেখক ও পরিচালক কায়সার ফয়েজ। এতে অভিনয় করেন নাতাশা পার্সিভাল, অ্যানা সিলভেস্টার, আইউশি জেইন, আসাদ হোসাইন, মাইলস লোবো ও নিকি মাইলোনাস।

বরাবরের মত এবারও ‘এ সিজন অব বাংলা ড্রামা’র মাসব্যাপী আয়োজনে  মঞ্চনাটকের পাশাপাশি থাকছে গান, কবিতা, নৃত্য, বিষয়ভিত্তিক আলোচনা ও চিত্র প্রদর্শণীসহ নানা সাংস্কৃতিক আয়োজন।


অনুষ্ঠানের শুরুতে উৎসবের পরিচালক কাজী রুকসানা বলেন, বিশ্ব এখন এক কঠিন সময় পার করছে। নিষ্ঠুরতা আর মৃত্যুর খবরে নিজেকে সামলে রাখা কঠিন। মধ্যপ্রাচ্যে যা ঘটছে তার প্রভাব ছড়িয়ে পড়ছে দেশে দেশে। এ সময়ে আমাদের দরকার পারষ্পরিক ভালোবাসার মানসিকতা।

উৎসবের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেন টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের স্পীকার কাউন্সিলার জাহেদ চৌধুরী।

img

না ফেরার দেশে কবি অসীম সাহা

প্রকাশিত :  ১৪:১১, ১৮ জুন ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট: ১৪:১৬, ১৮ জুন ২০২৪

খ্যাতিমান কবি অসীম সাহা মারা গেছেন। মঙ্গলবার (১৮ জুন) দুপুর পৌঁনে ২টার দিকে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন কবির ছেলে অর্ঘ্য সাহা। অর্ঘ্য সাহা জানান, তার বাবার মরদেহ দান করা হবে।

কবি অসীম সাহা পারকিনসন (হাত কাঁপা রোগ), কোষ্ঠকাঠিন্য ও ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন।

১৯৪৯ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি নেত্রকোনায় তার মামার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন অসীম সাহা। তার পৈতৃক নিবাস মাদারীপুর। তার বাবা অখিল বন্ধু সাহা ছিলেন অধ্যাপক।

অসীম সাহা ১৯৬৫ সালে মাধ্যমিক পাস করেন এবং ১৯৬৭ সালে মাদারীপুর নাজিমুদ্দিন মহাবিদ্যালয় থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করেন। ১৯৬৯ সালে স্নাতক পাস করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগে ভর্তি হন। ১৯৬৯ সালে অসহযোগ আন্দোলন এবং পরে ১৯৭১ সালে স্বাধীনতাযুদ্ধ শুরু হলে তার স্নাতকোত্তর পরীক্ষা পিছিয়ে যায় এবং তিনি ১৯৭৩ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।

অসীম সাহার প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘পূর্ব পৃথিবীর অস্থির জ্যোৎস্নায়’। বাংলা সাহিত্যে অবদানের জন্য ২০১২ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন কবি অসীম সাহা। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে অবদানের জন্য ২০১৯ সালে বাংলাদেশ সরকার তাকে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদকে ভূষিত করে।

খ্যাতিমান এ কবির মৃত্যুতে তার গুণগ্রাহী কবিরাসহ নানা স্তরের মানুষের মধ্যে প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকেই তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করছেন। তার রেখে যাওয়া শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন।