পুরুষের জন্মনিরোধক পিল থামিয়ে দেবে শুক্রাণুর কাজ

প্রকাশিত :  ০৯:৪২, ১৪ নভেম্বর ২০২৩

পুরুষের জন্মনিরোধক পিল থামিয়ে দেবে শুক্রাণুর কাজ

জন্মনিরোধক পিল বর্তমানে জন্মনিয়ন্ত্রণের অন্যতম উপায় । চিকিৎসাবিজ্ঞানের অন্যতম শ্রেষ্ঠ এই আবিষ্কার এককভাবে মানবসমাজে নিয়ে এসেছে যুগান্তকারী পরিবর্তন।

১৯৫০-এর দশকে যুক্তরাষ্ট্রে সর্বপ্রথম জন্মনিরোধক পিল আবিষ্কার হয়। এরপর ধর্মীয় ও সামাজিক বিধি-নিষেধের গণ্ডি পেরিয়ে বর্তমানে জন্মনিরোধক পিলে আস্থা রাখছেন বিশ্বের ১৫ কোটির বেশি নারী।

আবিষ্কারের পর থেকেই জন্মনিয়ন্ত্রণের এই উপায় পরিচিত হয়ে ওঠে আধুনিকতার প্রতীক ও নারীবাদের মাইলফলক হিসেবে।

তবে স্বাভাবিকভাবেই যে প্রশ্নটি অত্যন্ত জোরালোভাবে উঠে এসেছে, সেটি হলো—পুরুষের ক্ষেত্রে জন্মনিয়ন্ত্রণের বিষয়টি কী হবে?

গত অর্ধশতাব্দী ধরে পুরুষের জন্মনিরোধক পিলের জন্য অসংখ্য পদ্ধতির প্রস্তাব করেছেন গবেষক ও বিজ্ঞানীরা। তবে তা কোনোটিই ধোপে টেকেনি।

চিকিৎসাবিজ্ঞানের অনেক উন্নতি হলেও এত বছরেও আবিষ্কার করা সম্ভব হয়নি পুরুষের জন্য কোনো জন্মনিরোধক পিল।

তবে সম্প্রতি ইঁদুরের ওপর গবেষণা চালিয়ে আশানুরূপ ফল পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। তারা বলছেন, পুরুষদের জন্য মুখে খাওয়ার একটি পিল নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। যেটি খেলে পুরুষের শুক্রাণুকে কয়েক ঘণ্টার জন্য নিশ্চল করে দেওয়া সম্ভব।

পিল গ্রহণের পরবর্তী এক ঘণ্টা পর্যন্ত এটি কার্যকর থাকবে শতভাগ। তিন ঘণ্টা পর পিলের কার্যকারিতা নেমে আসবে ৯১ শতাংশে এবং ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এটির কার্যকারিতা সম্পূর্ণ শেষ হয়ে যাবে।

সমাজবিজ্ঞানীরা বলছেন, পুরুষতান্ত্রিক সমাজে পুরুষের জন্য জন্মনিরোধক পিল কতটা জনপ্রিয় হবে, তা প্রশ্নসাপেক্ষ। এ ছাড়া কনডমের বিকল্প হিসেবে এই পিল ব্যবহার করা হলে এইডসের মতো মরণব্যাধিগুলো ছড়িয়ে পড়বে খুব সহজেই।

তবে সব প্রশ্নের উত্তর মিলবে এই পিল বাজারে আসার পরই। বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই বাজারে আনা সম্ভব হবে পুরুষের জন্য জন্মনিরোধক পিল।

Leave Your Comments


ইন্টেলকে ১০ বিলিয়ন ডলার ভর্তুকি দেবে যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশিত :  ০৬:০৩, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট: ০৮:২৪, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

বাইডেন প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম চিপ উত্পাদনকারী কোম্পানি ইন্টেলকে ১ হাজার কোটি ডলার ভর্তুকি দেওয়ার কথা বিবেচনা করছে। এই ভর্তুকি নিয়ে আলোচনা চলছে। ব্লুমবার্গ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

এ ভর্তুকির বিষয়ে এখন আলোচনা চলছে বলেও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। এতে ঋণ ও সরাসরি অনুদানও থাকবে বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও ইন্টেলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এরই মধ্যে চিপস অ্যাক্টের অধীনে দু’টি অনুদানের ঘোষণা দিয়েছে। মার্কিন বাণিজ্য সচিব গিনা রাইমন্ডো চলতি মাসের শুরুতে এক বিবৃতি দিয়েছিলেন। সেখানে তার বিভাগ থেকে সেমিকন্ডাক্টর উত্পাদন বাড়াতে দুই মাসের মধ্যে ৩ হাজার ৯০০ কোটি ডলারের বিলিয়ন প্রোগ্রাম থেকে তহবিল পুরস্কার দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন।

চিপ উত্পাদন ও সরবরাহ চেইনে বিনিয়োগের জন্যই এ তহবিল গঠন করা হয়েছে। এছাড়া ভর্তুকির মাধ্যমে নতুন কারখানা স্থাপন করা হবে, যেটি দেশটির অভ্যন্তরীণ পর্যায়ে উত্পাদন বাড়াতে সহায়তা করবে। ওহাইওতে একটি নতুন সাইটসহ অ্যারিজোনা ও নিউ মেক্সিকোয় দীর্ঘমেয়াদে চিপ কারখানা স্থাপনে কয়েক হাজার কোটি ডলার ব্যয়ের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে ইন্টেল।

কোম্পানির বিবৃতি অনুযায়ী, ওহাইওর কারখানাটি বিশ্বের অন্যতম বড় চিপ উত্পাদন কেন্দ্র হতে যাচ্ছে। তবে সম্প্রতি ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কিন কোম্পানিটি ২০২৬ সালের আগে ওহাইওতে কারখানা স্থাপনের কাজ শেষ করতে পারবে না।

ইন্টেল ছাড়াও মাইক্রোন ও স্যামসাং ইলেকট্রনিকস যুক্তরাষ্ট্রে আলাদা চিপ উত্পাদন কেন্দ্র স্থাপনের বিষয়ে কাজ করছে বলেও জানা গেছে।


img