img

মানসিক চাপ কমাতে করবেন যে পাঁচটি কাজ

প্রকাশিত :  ০৯:৪৭, ১৬ নভেম্বর ২০২৩

মানসিক চাপ কমাতে করবেন যে পাঁচটি কাজ

নানা কারণে মানসিক চাপ হতে পারে। এর ফলে উচ্চ রক্তচাপ, হৃদ্‌রোগ এবং স্ট্রোকসহ বিভিন্ন ধরনের শারীরিক জটিলতা দেখা দেয়। সাধারণত দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপের ফলে মানসিক অস্থিরতা, অবসাদ মতো উপসর্গ দেখা যায়। এ ছাড়াও পেশির দুর্বলতা, ক্লান্তি, মাথা যন্ত্রণা কিংবা অনিদ্রার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে শরীরে। মানসিক চাপ শরীরের বিভিন্ন অংশকে প্রভাবিত করতে পারে। বিশেষ করে হৃৎপিণ্ডের উপর এর মারাত্মক প্রভাব পড়তে পারে। হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি এড়াতে এ কারণে বার বার মানসিক চাপ কমানোর কথা বলেন চিকি‌ৎসকেরা। 


মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে যা করবেন-

১.নিয়মিত শরীরচর্চা করলে শরীরে এন্ডরফিন হরমোনের মাত্রা স্বাভাবিক হয়। এর ফলে মন ভালো থাকে এবং মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট হালকা শরীরচর্চা করুন। জিমে না গিয়ে জগিং, সাঁতার কাটা, সাইক্লিং করলেও উপকার পাবেন। 

২. প্রতি দিন অন্তত পক্ষে ৭ থেকে ৯ ঘণ্টা ঘুমানো প্রয়োজন। সারা দিনের কাজের পর শরীর এবং মনকে নতুন করে কর্মোপযোগী করে তুলতে ঘুমের প্রয়োজন আছে। এ কারণে হৃৎপিণ্ড সুস্থ রাখতে ঘুমের বিকল্প নেই।  

৩. মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে খাবারেরও ভূমিকা রয়েছে। প্রতি দিনের খাদ্যতালিকায় টাটকা শাকসবজি, ফল, দানাশস্য রাখার চেষ্টা করুন। ক্যাফিনজাতীয় খাবার, অতিরিক্ত চিনি আছে এমন খাবারিএড়িয়ে চলুন। 

৪. সারাক্ষণ কাজ এবং পরিবারের সকলের খেয়াল রাখতে গিয়ে নিজের যত্ন নেওয়ার সময় পাচ্ছেন না?এতে নিজেরই ক্ষতি হচ্ছে। যখনই সময় পান নিজের পরিচর্যা করুন। এতে মানসিক চাপ অনেকটাই কমবে।

৫. মোবাইল ফোন আর ইন্টারনেটের এই যুগে মানুষের মধ্যে সামাজিকতা অনেকটা কমে গেছে। অবসাদ, মানসিক চাপ কাটাতে পরিবার-পরিজন, বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে বেশি করে সময় কাটাতে হবে। নিজের কোনো প্রিয়জনের সঙ্গে ভাগ করে নিন। এতে মানসিক চাপ কমবে।

img

ঈদের পর ফিট থাকতে করণীয়

প্রকাশিত :  ১১:২৩, ২০ জুন ২০২৪

উৎসব মানেই যেন পেট পুরে খাওয়া। ফিটনেস বা সুঠাম দেহ বলে যে একটা বিষয় আছে, তা আমরা ভুলে যাই। ভুললেই কিন্তু বিপত্তি! শরীর যেন বিগড়ে না যায়, সেদিকে খেয়াল রাখা জরুরি। ঈদের পর ফিটনেস সচেতনদের ভাবতে হয় অনেক কিছুই। জেনে নিন বিরতির পর কীভাবে শুরু করবেন ব্যায়াম।  

শরীরচর্চায় ছন্দপতন হলে, একটু একটু করে আবার ব্যায়াম শুরু করুন। কারণ হুট করে আগের মতো ছন্দে ফেরাটা কঠিন। ব্যায়ামের শুরুতেই অল্প দূরত্বে দৌড়ে নিলে শরীর উষ্ণ হবে। এক্ষেত্রে অবশ্য সাইক্লিং, দড়ি লাফানো খুব ভালো ব্যায়াম। দ্রুত ওজন কমাতে বেঞ্চ বেলি, পুশআপ দিতে পারেন। প্রথম দিকে অল্পতে কষ্ট হলেও নিয়মিত করলে আগের অবস্থানে ফিরে যেতে বেশি সময়ের প্রয়োজন হবে না।

অনেক দিন বিরতির পর টানা ব্যায়াম করবেন না। দরকার হলে মিনিট দশ করার পর বিশ্রাম নিন। দিনের শুরুতে ব্যায়াম করার চেষ্টা করবনে। মানে, ঘুম থেকে উঠে নাশতা খাওয়ার আগে শরীরচর্চা করার চেষ্টা করলে বেশি উপকার পাবেন। 

গরমে কারণে প্রচুর পরিমাণে পানি পান করবেন। দিনে ভারী খাবারের পাশাপাশি ফলজাতীয় খাবারের পরিমাণ বাড়িয়ে দিন। মাংস, পোলাও, খিচুড়ি, বিরিয়ানি, কাবাব আর বোরহানি-কোমল পানীয় না খেয়ে শাকসবজি খাওয়া বাড়িয়ে দিন। 

হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, স্থূলতা, আর্থ্রাইটিস থেকে রক্ষা পেতে শরীরচর্চার কোনো বিকল্প এখন অবধি আবিষ্কার হয়নি। দীর্ঘ বিরতির পর শরীরচর্চা শুরু করলে মাংসপেশিতে ব্যথা ও ইনজুরি হতে পারে, হৃৎপিণ্ডও হঠাৎ তাল মেলাতে পারবে না। তাই ক্ষেত্রবিশেষে প্রয়োজন মনে করলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারেন।