img

“১০১ জন বৃটিশ বাংলাদেশীর ভলান্টারী কন্ট্রিবিউশনের স্বীকৃতি” গ্রন্থের প্রকাশনা উৎসব অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত :  ১৮:১৫, ১৬ নভেম্বর ২০২৩
সর্বশেষ আপডেট: ১৮:১৫, ১৬ নভেম্বর ২০২৩

“১০১ জন বৃটিশ বাংলাদেশীর ভলান্টারী কন্ট্রিবিউশনের স্বীকৃতি”  গ্রন্থের প্রকাশনা উৎসব অনুষ্ঠিত

গত ১২ই নভেম্বর রবিবার বিশিষ্ট লেখক ও গবেষক ডঃ মোহাম্মদ আবুল লেইস রচিত “১০১ জন বৃটিশ বাংলাদেশী ভলান্টিয়ারের কন্ট্রিবিউশনেস স্বীকৃতি” শীর্ষক গ্রন্থের প্রকাশনা উৎসব অনুষ্ঠিত হলো পূর্ব লণ্ডনের লণ্ডন এন্টারপ্রাইজ একাডেমীতে।

প্রকাশণা কমিটির কনভেনার সলিসিটর ইয়াওর উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ফারহান মাসুদ খানের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উয়ারউইক ইউনিভার্সিটির সাবেক প্রফেসার জেনী বিমরোজ ও বিশেষ অতিথি হিসাবে ছিলেন চ্যানেল এস এর চেয়ারম্যান আহমেদুস সামাদ চৌধুরী, কমিউনিটি নেতা ও সাবেক সিভিক মেয়র আব্দুল আজিজ  সরদার, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও বিবিসিইর সাবেক সভাপতি শাহগীর বখত ফারুক ও কমিউনিটি নেতা কে এম আবু তাহের চৌধুরী ।

সভায় বৃটেনের বিভিন্ন শহর থেকে বিপুল সংখ্যক কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ, কাউন্সিলার, আলেম, সাংবাদিক ও সুধী সমাজ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, লেখক ডঃ মোহাম্মদ আবুল লেইস, লেখক ও সাংবাদিক নবাব উদ্দিন, কাউন্সিলার আব্দুল জব্বার, ব্যারিষ্টার নাজির আহমদ, কাউন্সিলার আ ম ওহিদ আহমদ, প্রিন্সিপাল আশিদ আলী, মিসেস কামরুন নাহার শোভা মতিন, মিসেস ফাতেমা ইসলাম, মুফতি আব্দুল মুনতাকিম, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ মোস্তফা, কে এম আবুতাহের চৌধুরী, মসুদ আহমদ, আবুল লেইস, প্রভাষক আব্দুল হাই প্রমুখ।

বক্তারা ড: মোহাম্মদ আবুল লেইসের তিন বছরের গবেষণার ফসল এই গ্রন্থ  রচনা করে ১০১জন ভলান্টিয়ারকে স্বীকৃতি প্রদানের জন্য অশেষ ধন্যবাদ জানান। এই গ্রন্থকে একটি মূল্যবান দলিল ও রেফারেন্স বই হিসাবে উল্লেখ করেন বক্তারা।

এই গ্রন্থে শতকরা ৬৭ ভাগ লোকের মতামতের ভিত্তিতে সমাজে কে, এম আবু তাহের চৌধুরীর ভলান্টারী কনট্রিবিউশনকে সর্বোচ্চ স্বীকৃতি প্রদান করা হয় এবং তাঁকে একটি ক্রেষ্ট প্রদান করা হয়।


১০১ জন স্বীকৃতিপ্রাপ্তদের মধ্যে বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ, জনপ্রিয় মিডিয়া ব্যক্তিত্ব মাওলানা মুফতী আবদুল মুনতাকিম (প্রতিষ্ঠাতা প্রধান পরিচালক জামেয়াতুল খাইর আল ইসলামিয়া সিলেট) কে তাঁর বহুবিধ দ্বিনী খেদমত ও কমিউনিটি অ্যাক্টিভিটিসের জন্য গুরুত্ব সহকারে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ এ গ্রন্থে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ইউকের সিনিয়র সহ সভাপতি মুফতি আবদুল মুনতাকিমের এই মূল্যায়ন ও সম্মান প্রাপ্তির জন্য জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ইউকের নেতৃবৃন্দ তাঁদের অভিব্যক্তি প্রকাশ করে বলেন, “মুফতি আবদুল মুনতাকিম এই সম্মাননা পেয়ে গোটা আলেম সমাজের সম্মান বৃদ্ধি করেছেন। তাঁর বহুমাত্রিক যোগ্যতা এবং শিক্ষা ও জনসেবা সহ বহু অঙ্গনে তাঁর অসাধারণ কৃতিত্ব যথাযথ মূল্যায়ন ও মর্যাদা লাভের দাবিদার।” বিশিষ্ট লেখক, গবেষক ডক্টর আবুল লেইস তাঁর ঐতিহাসিক গ্রন্থে উল্লেখযোগ্য মর্যাদা প্রদান করে মুফতি আবদুল মুনতাকিমকে  মূল্যায়ন করায় সম্মানিত লেখকের প্রতিও জমিয়ত নেতৃবৃন্দ আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। অভিনন্দন ও ধন্যবাদ প্রকাশ করে বিবৃতি প্রদান করেছেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ইউকের কেন্দ্রীয় দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ। বিবৃতি প্রদান কারী জমিয়ত নেতৃবৃন্দ হচ্ছেন, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ইউকের প্রধান উপদেষ্টা মাওলানা শায়খ আসগর হোসাইন, সভাপতি মাওলানা শুয়াইব আহমদ, সহ—সভাপতি—হাফিজ মাওলানা সৈয়দ তাছাদ্দুক আহমদ, মাওলানা হামিদুর রহমান হিলাল, মাওলানা আব্দুল মজীদ, মাওলানা ফখর উদ্দীন, মাওলানা শাহ আমীনুল ইসলাম, মাওলানা মুফতি ছাবির, মাওলানা আব্দুস সালাম, মাওলানা আব্দুল হান্নান, শায়খ সৈয়দ মুয়াজ, হাফিজ মাওলানা সৈয়দ তামীম আহমদ, হাফিজ হোসাইন আহমদ বিশ্বনাথী, মাওলানা আশফাকুর রহমান, আলহাজ্ব ইউনুস আলী, জেনারেল সেক্রেটারী—মাওলানা সৈয়দ নাঈম আহমদ, জয়েন্ট সেক্রেটারী হাফিজ মাওলানা ইলয়াস, মুফতি শাহ হিফজুল করীম মাশুক, মাওলানা আখতারুজ্জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক— মাওলানা শামছুল আলম কিয়ামপুরী, সহ সেক্রেটারী—মুফতি সৈয়দ রিয়াজ আহমদ, হাফিজ জিয়া উদ্দীন, মাওলানা আব্দুল হক, সহ—সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা নাজমুল হাসান, হাফিজ মাওলানা মাসুম আহমদ (সাহেব জাদায়ে শায়খে কৌড়িয়া), হাফিজ মাওলানা আজহারুল ইসলাম খান, মাওলানা মঈন উদ্দীন খান, মাওলানা আব্দুল গফ্ফার, হাফিজ মাওলানা নিজাম উদ্দীন, হাফিজ মাওলানা মিজানুর রহমান, হাফিজ মিফতাহুর রহমান, ট্রেজারার হাফিজ রশীদ আহমদ, সহ—ট্রেজারার মাওলানা আব্দুর রহমান, যুব বিষয়ক সম্পাদকঃ হাফিজ মাওলানা সৈয়দ হোসাইন বিন ইমামুদ্দীন, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা ওলিউর রহমান, তাফসিরুল কোরআন বিষয়ক সম্পাদক হাফিজ মাওলানা মশতাক আহমদ, প্রচার সম্পাদক মাওলানা শামছুল ইসলাম, সহ—প্রচার সম্পাদক হাফিজ মাওলানা আব্দুল হাই, মাওলানা তারেক চৌধুরী, দাওয়া বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা নাজমুল হোসাইন, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক হাফিজ মাওলানা খালেদ আহমদ, সাহিত্য সম্পাদক হাফিজ মাওলানা আদনান আহমদ, অফিস সম্পাদক মাওলানা ফখরুদ্দীন বিশ্বনাথী, ওয়েল ফেয়ার সম্পাদক মাওলানা আব্দাল হুসাইন জগদলী, সহ—ওয়েল ফেয়ার সম্পাদক আলহাজ্ব হারুন মিয়া, আলহাজ্ব আব্দুর রহমান কুরেশী, আলহাজ্ব সৈয়দ হোসেন আহমাদ, সৈয়দ আরজু মিয়া, মিডিয়া সেক্রেটারী  আরিফুল ইসলাম। — সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

কমিউনিটি এর আরও খবর

img

ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস পালিত

প্রকাশিত :  ১২:০২, ২০ এপ্রিল ২০২৪

১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকারের আনুষ্ঠানিক শপথ গ্রহণের ঐতিহাসিক ঘটনাকে স্মরণ করে  গত বুধবার,১৭ এপিরীর ২০২৪,ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে যথাযোগ্য মর্যাদায় ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস পালিত হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের বঙ্গবন্ধু কর্ণারে অবস্থিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আবক্ষ ভাস্কর্যে পুষ্পস্তবক অর্পনের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচী শুরু হয়। এ সময় দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পরে বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রদত্ত বাণী পাঠ করে শোনান মিনিস্টার (কর্মাস) সেলিম রেজা ও ফার্স্ট সেক্রেটারি অহিদুজ্জামান নুর।

বাংলাদেশের প্রথম রাজধানী’ শীর্ষক একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয় এবং দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে ‘বাংলাদেশের অভ্যূদয়ে মুজিবনগর সরকার’ শীর্ষক একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

সেমিনারের আলোচনায় অংশ নিয়ে রাষ্ট্রদূত ইমরান জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় চার নেতা এবং ত্রিশ লক্ষ শহিদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি বলেন, মুজিবনগর দিবস বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে অনন্য এক দিন এবং মুজিবনগর বাঙালি জাতির বীরত্বের প্রতীক।প্রতীক।

রাষ্ট্রদূত ইমরান আরো বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানের ক্ষেত্রে তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব অত্যন্ত নিষ্ঠা, দক্ষতা এবং আন্তরিকতার সঙ্গে পালন করেছে এবং স্বাধীন বাংলাদেশের পক্ষে আন্তর্জাতিক মতামতকে সুসংহত করেছে।

রাষ্ট্রদূত বলেন, মুজিবনগর সরকার ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা একই সূত্রে গাঁথা, এবং মুজিবনগর সরকারের সাফল্যের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ সকল ক্ষেত্রে অভাবনীয় অগ্রগতি অর্জন করেছে। তিনি প্রবাসী বাংলাদেশিসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে এই সাফল্য গাঁথা সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রদূত ইমরান বাঙালি জাতির হাজার বছরের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস নতুন প্রজন্মসহ সকলের ভালোভাবে জানার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, এটি জাতিকে মাথা উঁচু করে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার শক্তি ও প্রেরণা জোগাবে। তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত উন্নত ও সমৃদ্ধ সোনার বাংলা ও স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একসাথে কাজ করার অনুরোধ জানান।

কাউন্সেলর (পলিটিক্যাল) আরিফা রহমান রুমা সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এবং ঐতিহাসিক এই দিবসের প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। তিনি মন্তব্য করেন বাংলার শোষিত, নিপীড়িত ও নির্যাতিত মানুষের মুক্তির আকাঙ্ক্ষাকে সঠিক খাতে প্রবাহিত করে অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক সমর্থনের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন ছিল মুজিবনগর সরকারের সবচেয়ে বড় সাফল্য।

এরপর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় চারনেতা এবং মুক্তিযুদ্ধে জীবনদানকারী সকল শহিদের আত্মার শান্তি ও মাগফেরাত এবং বাংলাদেশের উত্তরোত্তর শান্তি, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনা করে একটি বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচী শেষ হয়। কর্মসূচী পরিচালনা করেন ফার্স্ট সেক্রেটারি আতাউর রহমান।

কমিউনিটি এর আরও খবর