img

টেকনাফে দেওয়ালচাপায় একই পরিবারের ৪ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত :  ১০:৫৭, ১৭ নভেম্বর ২০২৩

টেকনাফে দেওয়ালচাপায় একই পরিবারের ৪ জনের মৃত্যু

নির্মাণাধীন বাড়ির মাটির দেওয়ালচাপায় কক্সবাজারের টেকনাফে একই পরিবারের চারজনের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ নভেম্বর) দিনগত রাত ২টার দিকে উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের মৌলভীবাজারের মরিচ্যাঘোনায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, ওই এলাকার ফকির আহমদের স্ত্রী আনোয়ারা বেগম (৫০), তার ছেলে সাইদুল মোস্তফা (২০) ও মেয়ে নিলুফার বেগম (১৮) ও সাদিয়া বেগম (১১)।

হ্নীলা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান রাশেদ মোহাম্মদ আলী বলেন, দেওয়ালচাপায় চারজনের মৃত্যু হয়েছে। আমরা ঘটনাস্থলে যাচ্ছি। বৈরী আবহাওয়ায় বের হওয়া যাচ্ছে না। সেখানে পৌঁছে বিস্তারিত জানানোর চেষ্টা করবো। দুর্ঘটনাস্থলে যাওয়ার রাস্তা কাঁদায় ভরে আছে।

স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নুর মোহাম্মদ আশিক বলেন, ফকির মোহাম্মদ তার ঝুপড়ি ঘরে মাটির দেওয়াল তুলছিলেন। ওপরে পলিথিন দিয়ে নির্মাণাধীন ঘরের মাঝখানে রাত্রিযাপন করতেন পরিবারের সবাই। চারপাশের দেওয়াল প্রায় উঠে গিয়েছিল। টানা বৃষ্টিতে মাটির দেওয়াল ধসে ঘুমন্ত অবস্থায় তারা মাটিচাপা পড়েন। ফজরের আজানের পর বিষয়টি সবার নজরে আসে।

স্থানীয় ইউপি মেম্বার বশির আহমদ বলেন, ঘটনা জানার পর আশপাশের লোকজন এসে মাটিচাপা থেকে তাদের উদ্ধার শুরু করেন। সবাইকে বের করা গেলেও ঘটনাস্থলে সবাই মারা যান।

টেকনাফ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আদনান চৌধুরী বলেন, বাড়ির দেওয়াল ধসে হ্নীলায় একই পরিবারে চারজনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। আমরা ঘটনাস্থলে যাচ্ছি আমরা। নিহতের পরিবারে প্রশাসনিক সহযোগিতা দেওয়া হবে।

img

তিস্তায় নৌকাডুবি, ৫ জনের মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত :  ১৮:৫৪, ১৯ জুন ২০২৪

কুড়িগ্রামের তিস্তা নদীতে ২৬ জন যাত্রী নিয়ে নৌকা ডুবে গেছে। নৌকাডুবির এই ঘটনায় পাঁচজনের মরেদহ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (১৯ জুন) সন্ধ্যা ৭টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। 

জানা গেছে, ডুবে যাওয়া নৌকায় ২৬ জন যাত্রী ছিলেন। এর মধ্যে ১৮ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছিল। নিখোঁজ ছিলেন আটজন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে গিয়ে পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে। তবে নিহতদের পরিচয় জানা যায়নি।

উলিপুর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন ইনচার্জ আব্বাস বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আমরা ঘটনাস্থলেই আছি। এখন পর্যন্ত শিশুসহ ৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

উলিপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মর্তুজা বলেন, আমরা ঘটনাস্থলেই আছি। ঠিক কতজন নিখোঁজ তা বলা যাচ্ছে না। তবে স্থানীয়রা বলছেন ৫-৮ জন নিখোঁজ থাকতে পারেন।

বজরা ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল কাইয়ুম সরদার বলেন, নৌকা ডুবির ঘটনাটি ঘটেছে সন্ধ্যা ৭টার দিকে। আমি যতটুকু শুনেছি তারা নৌকা যোগে দাওয়াত খেতে যাচ্ছিলেন। তবে কতজন নিখোঁজ রয়েছেন সেই তথ্য আমার জানা নেই।