img

ওসমানী হাসপাতালের সেবার মান বৃদ্ধিতে সহযোগিতা করা হবে: মেয়র আনোয়ারুজ্জামান

প্রকাশিত :  ০৮:১৯, ১৮ নভেম্বর ২০২৩
সর্বশেষ আপডেট: ০৮:২৫, ১৮ নভেম্বর ২০২৩

 ওসমানী হাসপাতালের সেবার মান বৃদ্ধিতে সহযোগিতা করা হবে: মেয়র আনোয়ারুজ্জামান

সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র মোঃ.আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন। বৃহস্পতিবার (১৬ নভেম্বর) সকাল দশটায় তিনি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শনে যান।

এসময় মেয়র মো. আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী হাসপাতালের স্বাস্থ্যসেবা পর্যবেক্ষণ করেন ও সেবার মানোন্নয়নে সংশ্লিষ্টদের সাথে আলাপ করেন।

মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী হাসপাতালের পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের তাগিদ দেন। এবং পরিচ্ছন্নতাকর্মী বৃদ্ধি করতে সিসিকের পক্ষ থেকে লোকবল বাড়িয়ে দেয়ার ঘোষণা দেন।

এছাড়াও হাসপাতালের সেবার মান বৃদ্ধিতে সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে তিনি সব ধরণের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন, হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহবুবুর রহমান ভূঁইয়া, ওসমানী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক শিশির রঞ্জন চক্রবর্ত্তী, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী নুর আজিজুর রহমান, হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডাঃ সৌমিত্র চক্রবর্তী, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. জাহিদুল ইসলাম,  হাসপাতালের  সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডা. আবুল কালাম আজাদ, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের পরিছন্ন কর্মকর্তা মোঃ হানিফুর রহমান,  হাসপাতালের সিনিয়র স্টোর অফিসার ডা. জলিল কায়সার খোকন, ছাত্রলীগ ওসমানী মেডিকেল কলেজ শাখার সভাপতি ডা. সাইফুল ইসলাম, বাংলাদেশ নার্সেস এসোসিয়েশন সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল শাখার সাধারণ সম্পাদক ইসরাইল আলী সাদেক, হাসপাতালের পিএ টু পরিচালক মোহাম্মদ রুহুল আমিন, বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী সমিতির সভাপতি আবুল খয়ের চৌধুরী, মোঃ আব্দুল জব্বার, রওশন হাবীব, জীবন রায় দীপ, সোহেল রানা প্রমুখ।

img

বাহুবলে নির্জন ঝোপে নবজাতক ফেলে যান বোরকা পরা নারী

প্রকাশিত :  ১০:০৭, ১৭ জুলাই ২০২৪

বোরকা পরা এক নারী নির্জন ঝোপে কিছু একটা ফেলে চলে যাচ্ছিলেন। এ দৃশ্য দেখে ফেলেন স্থানীয় কয়েকজন। ওই নারীর গতিবিধি দেখে তাদের সন্দেহ হয়। পরে তারা এগিয়ে ঝোপে গিয়ে দেখেন, কাপড়ে মোড়ানো অবস্থায় এক নবজাতক নড়াচড়া করছে। বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।

পুলিশ এসে স্থানীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের সহযোগিতায় নবজাতককে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। রোববার সন্ধ্যার আগে হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার উজিরপুর গ্রামে এমন ঘটনা ঘটে।

উজিরপুর গ্রামের বাসিন্দা উস্তার মিয়া বলেন, রোববার সন্ধ্যার দিকে রাস্তার পাশে ঝোপে কী যেন ফেলে দ্রুত চলে যান এক বোরকা পরা নারী। এ দৃশ্য প্রথমে তার নজরে আসে। পরে তিনি ও আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে নবজাতকের সন্ধান পান।

পুলিশ ও সমাজসেবা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, রোববার সন্ধ্যার আগমুহূর্তে উজিরপুর গ্রামের একটি নির্জন ঝোপে কালো বোরকা পরা এক নারী কাপড়ে মোড়ানো বস্তুসদৃশ কিছু একটা ফেলে দ্রুত চলে যাচ্ছিলেন। এ দৃশ্য দেখেন স্থানীয় কয়েকজন। পরে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখেন, কাপড়ে মোড়ানো অবস্থায় এক নবজাতক নড়াচড়া করছে। পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ এসে বাহুবল উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে বিষয়টি জানায়। পরে ওই নবজাতককে উদ্ধার করে প্রথমে বাহুবল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য নবজাতককে হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। ওই নবজাতক হাসপাতালটির নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন।

হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা মঈন উদ্দিন চৌধুরী বলেন, নবজাতকটি অপরিণত বয়সে জন্ম নিয়েছে। তাই তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে রাখা হয়েছে। তবে নবজাতকটি বর্তমানে ভালো আছে।

বাহুবল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামরুজ্জামান বলেন, যে নারী বোরকা পরা অবস্থায় শিশুটিকে ঝোপে ফেলে যান, তাকে এখনো শনাক্ত করা যায়নি। তবে উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় শিশুটির দায়িত্ব নিয়ে চিকিৎসা ও পরিচর্চা করছে। শিশুটি পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠলে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বাহুবল উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আজিজুর রহমান বলেন, তারা ওই নবজাতকের চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছেন। ওই নবজাতকের পরিচয় শনাক্ত না হলে বা দাবিদার পাওয়া না গেলে তাকে সিলেট ছোটমণি নিবাসে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

সিলেটের খবর এর আরও খবর