img

ডায়াবেটিস রোগীর প্রতিদিন কতটা হাঁটা উচিত?

প্রকাশিত :  ০৮:৩২, ১৮ নভেম্বর ২০২৩

ডায়াবেটিস রোগীর প্রতিদিন কতটা হাঁটা উচিত?

দিন দিনই বাড়ছে বিশ্বে ডায়াবেটিস রোগীর সংখ্যা । বিশেষজ্ঞদের মতে, অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন ও খাদ্যাভাস ডায়াবেটিসের ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে তুলছে। তাদের ভাষায়, শারীরিক সক্রিয়তা টাইপ টু ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে।  প্রতিদিন ব্যায়াম করলে ডায়াবেটিস রোগীদের রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে। সেই সঙ্গে সামগ্রিক স্বাস্থ্যের উন্নতি হয়। ব্যায়াম পেশিতে ইনসুলিনের সংবেদনশীলতা বাড়ায় এবং রক্তে শর্করার পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে।

ডায়াবেটিস রোগীর প্রতিদিন কত ধাপ হাঁটা উচিত?

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সুস্থ থাকতে কোনো ব্যক্তিকে দিনে কমপক্ষে ১০ হাজার কদম হাঁটার পরামর্শ দেন। তবে ভারতীয় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. অশোক কুমার ঝিংগান জানান, বিভিন্ন বয়সের জন্য হাঁটার কদম পরিবর্তিত হতে পারে। তার মতে, প্রতিদিন ১০ হাজার কদম হাঁটা ভালো, তবে সব বয়সীদের জন্য নয়। 

তিনি জানান, বয়সের সাথে সাথে মানুষের শরীর পরিবর্তিত হয় এবং এই লক্ষ্য পূরণ করার ক্ষমতা আরও চ্যালেঞ্জিং হয়ে উঠতে পারে। তখন দিনে ১০ হাজার কদম যেকোন মূল্যে হাঁটতে হবে এমন কোনো কথা নেই। তবে হাঁটলে শরীরে যে উপকারিতা হয় সেটা বোঝানোর জন্যই এই কদম নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে আদর্শ ধাপ গণনা ব্যক্তির বয়স, লিঙ্গ এবং শারীরিক সুস্থতার উপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হতে পারে।

ডা. অশোক কুমার ঝিংগানের মতে, মেডিটেশন মানসিক চাপ মোকাবেলা করতে এবং পেশির সুস্থতা বজায় রাখতে  সাহায্য করে। এছাড়া দৌড়ানো, দ্রুত হাঁটা, সাঁতার কাটা, সাইকেল চালানো এবং জগিং, ওজন উত্তোলনসহ এরোবিক ব্যায়ামও করতে পারেন সুস্থ থাকতে।

হাঁটার স্বাস্থ্য উপকারিতা

নিয়মিত ব্যায়াম রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। নিয়মিত হাঁটা ডায়াবেটিসে রোগীদের রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। 

ওজন কমানোর জন্য ব্যায়াম খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ওজন হ্রাস করতে নিয়মিত হাঁটা খুবই উপকারী। 

যাদের ডায়াবেটিস নেই তাদের তুলনায় ডায়াবেটিস রোগীদের কার্ডিওভাসকুলার রোগ হওয়ার ঝুঁকি দুই থেকে চার গুণ বেশি। হাঁটার মতো ব্যায়াম রক্তচাপ কমাতে এবং খারাপ কোলেস্টেরল কমাতেও সাহায্য করতে পারে।

হাঁটা এন্ডোরফিন নামে ভালো অনুভূতি হরমোন নিঃসরণ করে যা আপনার মেজাজ ভালো রাখে এবং মানসিক চাপ কমায়। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের হতাশাগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি। সেক্ষেত্রে নিয়মিত হাঁটা মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে দারুণ সহায়ক। 

নিয়মিত হাঁটা ফিটনেস লেভেল ধরে রাখে এবং সহনশীলতা বাড়ায়।

নিয়মিত হাঁটা হাড় এবং পেশি শক্তিশালী করে।  সূত্র: ইন্ডিয়া টিভি 

img

গরমে শরীর ঠান্ডা থাকবে যেসব পানীয়তে

প্রকাশিত :  ০৫:২৬, ২২ এপ্রিল ২০২৪

বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় তীব্র দাবদাহে জনজীবন বিপর্যস্ত হবার উপক্রম হয়েছে। বেশি গরমে শারীরিক সমস্যা হওয়া ছাড়াও দীর্ঘস্থায়ীভাবে কিডনির রোগ, ফুসফুসের রোগ, হৃদরোগ, চর্মরোগ ইত্যাদি হতে পারে। এ জন্য শরীরকে যতটা সম্ভব ঠান্ডা রাখা জরুরি।

প্রচণ্ড দাবদাহে নিজেকে সতেজ রাখতে কোন পানীয়কে বেছে নিতে পারেন। 

• আমলকির শরবত: আধা কাপ আমলকির রস একটি গ্লাসে ঢালুন। এক চামচ মধু ও স্বাদ মতো বিট লবণ ভালো করে মিশিয়ে নিন। পরিমাণ মতো পানি মিশিয়ে দিন। খুব সহজেই তৈরি হয়ে যাবে আমলকির শরবত। 

• তরমুজ-অ্যালো ভেরার শরবত: কয়েক টুকরো তরমুজের রসের সঙ্গে কয়েকটি তুলসী পাতা, ২ চামচ অ্যালো ভেরার রস আর কয়েকটা বরফ দিয়ে ভালো করে মিক্সিতে ঘুরিয়ে নিন। এ বার মিশ্রণে সামান্য বিট লবণ, গোলমরিচ আর লেবুর রস দিয়ে দিন। গ্লাসে তরমুজের কুচি আর পুদিনা পাতা দিয়ে ঠান্ডা ঠান্ডা পরিবেশন করুন তরমুজ-অ্যালো ভেরার শরবত। 

• গন্ধরাজ ঘোল: দই, পানি, কিছু পুদিনা পাতা, একটু জিরে গুঁড়া, একটু লাল লঙ্কাগুঁড়ো এবং বিট লবণ দিয়ে মিক্সারে ঘুরিয়ে নিন। এ বার সেই মিশ্রণে গন্ধরাজ লেবুর রস, লেবুর নির্যাস আর কয়েকটি বরফ মিশিয়ে নিন। পরিবেশন করুন গন্ধরাজ ঘোল।  

• শিকঞ্জি: পুদিনা পাতা বেটে নিন। তাতে একে একে পাতিলেবুর রস, বিট লবণ, চিনি আর ভাজা জিরে গুঁড়ো মিশিয়ে নিন। এ বার ওপর থেকে সোডা কিংবা ঠান্ডা পানি ঢেলে অল্প নেড়ে বরফ কুচি সহযোগে পরিবেশন করুন শিকঞ্জি। 

• তেঁতুলের শরবত: তেঁতুলের খোসা ও বীজ ছাড়িয়ে ক্বাথ বার করে রাখুন। গন্ধরাজ লেবুর রস বের করে নিন। এ বার মিক্সিতে একসঙ্গে তেঁতুলের ক্বাথ, লেবুর রস, বরফের কুচি, পুদিনা পাতা কুচি, লবণ আর ভাজা জিরে গুঁড়ো মিশিয়ে নিন। পরিবেশন করার পাত্রে তেঁতুলের শরবত ঢেলে ওপর থেকে পুদিনা পাতা কুচিয়ে ও বরফ দিয়ে পরিবেশন করুন।