img

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে আয় বেড়েছে ৬ কোম্পানির, কমেছে ৯ টির

প্রকাশিত :  ০৫:২৯, ১৯ নভেম্বর ২০২৩

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে আয় বেড়েছে ৬ কোম্পানির, কমেছে ৯ টির

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের ২৩টি কোম্পানির মধ্যে প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর’২৩) ৬ কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) বেড়েছে। কোম্পানিগুলো হলো- বারাকা পাওয়ার, যমুনা অয়েল কোম্পানি, পদ্মা অয়েল কোম্পানি, শাহজীবাজার পাওয়ার, সিভিও পেট্রোকেমিক্যাল এবং এমজেএল বিডি লিমিটেড। ডিএসই সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

পদ্মা অয়েল কোম্পানি

কোম্পানিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আয় বেড়েছে পদ্মা অয়েল কোম্পানির। চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর’২৩) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৯ টাকা ২৪ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে ইপিএস ছিল ৭ টাকা ২০ পয়সা। অর্থাৎ আগের বছরের তুলনায় আয় বেড়েছে ২ টাকা ৪ পয়সা।

বারাকা পাওয়ার

চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর’২৩) বারাকা পাওয়ারের ইপিএস হয়েছে ২২ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছিল ৯৪ পয়সা। অর্থাৎ আগের বছরের তুলনায় আয় বেড়েছে ১ টাকা ১৪ পয়সা।

যমুনা অয়েল

চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর’২৩) যমুনা অয়েলের ইপিএস হয়েছে ৭ টাকা ৫৯ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ৫ টাকা ৯৮ পয়সা। অর্থাৎ আগের বছরের তুলনায় আয় বেড়েছে ১ টাকা ৬১ পয়সা।

শাহজীবাজার পাওয়ার

চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর’২৩) শাহজীবাজার পাওয়ারের ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ২৪ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ৪২ পয়সা। অর্থাৎ আগের বছরের তুলনায় আয় বেড়েছে এক টাকা ৮২ পয়সা।

সিভিও পেট্রোকেমিক্যাল

চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর’২৩) সিভিও পেট্রোকেমিক্যালের ইপিএস হয়েছে এক টাকা ১০ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছিল ৮৬ পয়সা। অর্থাৎ আগের বছরের তুলনায় আয় বেড়েছে এক টাকা ৯৬ পয়সা।

এমজেএল বিডি

চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর’২৩) এমজেএল বিডির ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৭০ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ২ টাকা ১১ পয়সা। অর্থাৎ আগের বছরের তুলনায় আয় বেড়েছে ৫৯ পয়সা।


আয় কমেছে ৯ কোম্পানির আয় 

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের ২৩ কোম্পানির মধ্যে প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর’২৩) ৯ কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) কমেছে। কোম্পানিগুলো হলো- ডরিন পাওয়ার, ডেসকো, জিবিবি পাওয়ার, খুলনা পাওয়ার, তিতাস গ্যাস, পাওয়ারগ্রিড, বারাকা পতেঙ্গা পাওয়ার, লুব-রেফ (বাংলাদেশ) এবং ইন্ট্রাকো রিফুয়েলিং স্টেশন লিমিটেড। ডিএসই সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

ডেসকো

কোম্পানিগুলোর মধ্যে সবেচেয়ে বেশি আয় কমেছে ডেসকোর। চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর’২৩) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ৩ টাকা ৮২ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে কোম্পানিটি শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছিল ২৯ পয়সা। অর্থাৎ আগের বছরের তুলনায় আয় কমেছে ৪ টাকা ১১ পয়সা।

ডরিন পাওয়ার

চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর’২৩) ডরিন পাওয়ারের ইপিএস হয়েছে ১ টাক ৮০ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ১ টাকা ৯৯ পয়সা। অর্থাৎ আগের বছরের তুলনায় আয় কমেছে ১৯ পয়সা।

জিবিবি পাওয়ার

চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর’২৩) জিবিবি পাওয়ারের শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ৩০ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছিল ২৫ পয়সা। অর্থাৎ আগের বছরের তুলনায় আয় কমেছে ৫৫ পয়সা।

খুলনা পাওয়ার

অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর’২৩) খুলনা পাওয়ারের ইপিএস হয়েছে ১৬ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছিল ১ টাকা ৯৭ পয়সা। অর্থাৎ আগের বছরের তুলনায় আয় কমেছে ১ টাকা ১৩ পয়সা।

তিতাস গ্যাস

চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর’২৩) তিতাস গ্যাসের ইপিএস হয়েছে ৭ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ৩৩ পয়সা। অর্থাৎ আগের বছরের তুলনায় আয় কমেছে ২৬ পয়সা।

পাওয়ারগ্রিড

চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর’২৩) পাওয়ারগ্রিডের শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ১ টাকা ৪২ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ১ টাকা ৪৬ পয়সা। অর্থাৎ আগের বছরের তুলনায় আয় কমেছে ২ টাকা ৮৮ পয়সা।

বারাকা পতেঙ্গা পাওয়ার

অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর’২৩) বারাকা পতেঙ্গা পাওয়ারের শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ৪ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে কোম্পানিটি শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছিল ২ টাকা ২৭ পয়সা। অর্থাৎ আগের বছরের তুলনায় আয় কমেছে ২ টাকা ৩১ পয়সা।

লুব-রেফ (বাংলাদেশ)

প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর’২৩) লুব-রেফের ইপিএস হয়েছে ১৩ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ৫৫ পয়সা। অর্থাৎ আগের বছরের তুলনায় আয় কমেছে ২ টাকা ১৯ পয়সা।

ইন্ট্রাকো রিফুয়েলিং স্টেশন

প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর’২৩) ইন্ট্রাকো রিফুয়েলিং স্টেশনের ইপিএস হয়েছে ৩১ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ৫১ পয়সা। অর্থাৎ আগের বছরের তুলনায় আয় কমেছে ২০ পয়সা।

img

১৯ দিনে রেমিট্যান্স এলো ১৪ হাজার কোটি টাকা

প্রকাশিত :  ১৬:১৭, ২১ এপ্রিল ২০২৪

চলতি এপ্রিল মাসের প্রথম ১৯ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১২৮ কোটি ১৫ লাখ মার্কিন ডলার। দেশীয় মুদ্রায় যা ১৪ হাজার কোটি টাকার বেশি।  

রোববার (২১ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

প্রতিবেদন বলছে, এসময়ে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ১১ কোটি ডলার, বিশেষায়িত একটি ব্যাংকের মাধ্যমে ৭ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলার, বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ১০৮ কোটি ৮১ লাখ ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৩৯ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার। 

এর আগে মার্চ মাসে দেশে রেমিট্যান্স আসে ১৯৯ কোটি ৬৮ লাখ ডলার। বছরের প্রথম মাস জানুয়ারিতে দেশে এসেছে ২১০ কোটি ডলার এবং ফেব্রুয়া‌রি‌তে আসে ২১৬ কো‌টি ৬০ লাখ ডলার।

গত ২০২২-২৩ অর্থবছরে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ১৬১ কোটি ৭ লাখ মার্কিন ডলার। ২০২১-২০২২ অর্থবছরে মোট রেমিট্যান্স আসে ২ হাজার ১০৩ কোটি ১৭ লাখ মার্কিন ডলার। 

এর আগে ২০২০-২১ অর্থবছরে রেমিট্যান্স এসেছিল ২ হাজার ৪৭৭ কোটি ৭৭ লাখ মার্কিন ডলার। যা সর্বোচ্চ পরিমাণ রেমিট্যান্স।