img

পদত্যাগ করলেন টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টারা

প্রকাশিত :  ১২:৪২, ১৯ নভেম্বর ২০২৩
সর্বশেষ আপডেট: ১৪:৪১, ১৯ নভেম্বর ২০২৩

পদত্যাগ করলেন টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টারা

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন টেকনোক্র্যাট কোটার মন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টারা। রোববার (১৯ নভেম্বর) সন্ধ্যায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পদত্যাগ পত্র জমা দেন তারা। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করা টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীরা হলেন- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক মন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার এবং পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শামসুল আলম।

মন্ত্রিসভার যেসব সদস্য সংসদ সদস্য নন, তাদের টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী বলা হয়।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তপশিল ঘোষণা হওয়ায় টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টারা পদত্যাগ করেছেন বলে জানা গেছে।

২০১৮ সালে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীরা পদত্যাগ করলেও প্রধানমন্ত্রীর উপেদষ্টারা পদত্যাগ করেননি। এবার প্রধানমন্ত্রীর উপেদষ্টারা পদত্যাগ করলেন।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তপশিল ঘোষণা হওয়ায় ২ টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী ও এক প্রতিমন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীর ৭ উপদেষ্টাকে পদত্যাগপত্র জমা দিতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ চিঠি দিয়েছিল। এরপর রোববার বিকেলে তারা পদত্যাগ করেন।


img

আমাদের গুলি করলে আমরাও পাল্টা গুলি করব : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত :  ১৬:০৬, ২০ জুন ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট: ১৮:৩৯, ২০ জুন ২০২৪

মিয়ানমারের উদ্দেশে কড়া বার্তা দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, আমাদের গুলি করলে আমরাও পাল্টা গুলি করব। বৃহস্পতিবার (২০ জুন) দুপুরে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মিয়ানমারে বিভিন্ন জাতি-গোষ্ঠী সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছে। আমরা যতদূর শুনেছি আরাকান রাজ্যের আরাকান আর্মি অনেক এলাকা দখল করে নিয়েছে। সেজন্য মিয়ানমারের যে বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি), তারা আত্মরক্ষার্থে আমাদের এলাকায় পালিয়ে আসছে। কাজেই সেখানকার অবস্থা কী, সেটা আমরা বলতে পারব না। তবে এটুকু বলতে পারি, তারা মাঝে মাঝে ভুল করে আমাদের বিজিবির দলের ওপর গুলি করেছিল। তাদের জানিয়েছি। তারা যেটা বলছে, সুনির্দিষ্টভাবে বাংলাদেশের পতাকা যেন উড়িয়ে যায়। তাহলে আর কেউ গুলি করবে না।

তিনি বলেন, টেকনাফ থেকে সেন্টমার্টিন যেতে হলে আমাদের এলাকায় নাফনদ কিছু নাব্য হারিয়েছে। কাজেই সেখান দিয়ে আমাদের নৌযান চলাচল করতে পারে না। মিয়ানমারের অংশ দিয়ে যেতে হয়। যে কারণে এই বিপত্তিটা ঘটেছে। কখনো মিয়ানমার আর্মি, কখনো আরাকান আর্মি ফায়ার ওপেন করে। আমরা উভয়কেই বলে দিয়েছি, তারা আবার যদি গুলি করে আমরাও পাল্টা গুলি করব। ওখান থেকে আর কোনো গোলাগুলি হচ্ছে না। এখানে মিয়ানমারের যে দুটি জাহাজ ছিল সেগুলো ফেরত নিয়ে গেছে। আমরা আশা করছি সেখানে আর গুলি হবে না। তারপরও আমাদের যারা ওই পথ দিয়ে যাতায়াত করছেন, তারা সাবধানতা অবলম্বন করবেন।