img

মির্জা ফখরুলের জামিন শুনানি পেছালো

প্রকাশিত :  ১২:৩২, ২০ নভেম্বর ২০২৩

মির্জা ফখরুলের জামিন শুনানি পেছালো

রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদনের কারণে পিছিয়ে গেল প্রধান বিচারপতির বাসভবনে ভাঙচুরের মামলায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের জামিন শুনানি।আগামী বুধবার (২২ নভেম্বর) জামিন শুনানির দিন ধার্য করেছেন বিচারক।

সোমবার (২০ নভেম্বর) ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক ফয়সাল বিন আতিক এ আদেশ দেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, আদালতে প্রধান পাবলিক প্রসিকিউটর আবদুল্লাহ আবু হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। এ জন্য জামিন শুনানি পেছানোর আবেদন করা হয়। তখন ফখরুল ইসলামের আইনজীবীরা এর বিরোধিতা করেন। আদালত উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে জামিন শুনানির নতুন দিন ধার্য করেন।

এর আগে গত ২ নভেম্বর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের আইনজীবীরা জামিন আবেদন করেন। আদালত জামিন শুনানির জন্য আজ সোমবার দিন ধার্য করেছিলেন।

উল্লেখ্য, গত ২৮ অক্টোবর বিএনপির মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে সংর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় দুষ্কৃতিকারীরা প্রধান বিচারপতির বাসভবনের ফটক ভেঙে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এ ঘটনায় গত ২৯ অক্টোবর গ্রেপ্তার হন মির্জা ফখরুল। পরে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে জামিন আবেদন করা হয়। আদালত সেদিন তার জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

img

আমাদের গুলি করলে আমরাও পাল্টা গুলি করব : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত :  ১৬:০৬, ২০ জুন ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট: ১৮:৩৯, ২০ জুন ২০২৪

মিয়ানমারের উদ্দেশে কড়া বার্তা দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, আমাদের গুলি করলে আমরাও পাল্টা গুলি করব। বৃহস্পতিবার (২০ জুন) দুপুরে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মিয়ানমারে বিভিন্ন জাতি-গোষ্ঠী সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছে। আমরা যতদূর শুনেছি আরাকান রাজ্যের আরাকান আর্মি অনেক এলাকা দখল করে নিয়েছে। সেজন্য মিয়ানমারের যে বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি), তারা আত্মরক্ষার্থে আমাদের এলাকায় পালিয়ে আসছে। কাজেই সেখানকার অবস্থা কী, সেটা আমরা বলতে পারব না। তবে এটুকু বলতে পারি, তারা মাঝে মাঝে ভুল করে আমাদের বিজিবির দলের ওপর গুলি করেছিল। তাদের জানিয়েছি। তারা যেটা বলছে, সুনির্দিষ্টভাবে বাংলাদেশের পতাকা যেন উড়িয়ে যায়। তাহলে আর কেউ গুলি করবে না।

তিনি বলেন, টেকনাফ থেকে সেন্টমার্টিন যেতে হলে আমাদের এলাকায় নাফনদ কিছু নাব্য হারিয়েছে। কাজেই সেখান দিয়ে আমাদের নৌযান চলাচল করতে পারে না। মিয়ানমারের অংশ দিয়ে যেতে হয়। যে কারণে এই বিপত্তিটা ঘটেছে। কখনো মিয়ানমার আর্মি, কখনো আরাকান আর্মি ফায়ার ওপেন করে। আমরা উভয়কেই বলে দিয়েছি, তারা আবার যদি গুলি করে আমরাও পাল্টা গুলি করব। ওখান থেকে আর কোনো গোলাগুলি হচ্ছে না। এখানে মিয়ানমারের যে দুটি জাহাজ ছিল সেগুলো ফেরত নিয়ে গেছে। আমরা আশা করছি সেখানে আর গুলি হবে না। তারপরও আমাদের যারা ওই পথ দিয়ে যাতায়াত করছেন, তারা সাবধানতা অবলম্বন করবেন।