এবার চাঁদে স্বয়ংক্রিয় মহাকাশযান পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশিত :  ০৮:৩৮, ০২ ডিসেম্বর ২০২৩

এবার চাঁদে স্বয়ংক্রিয় মহাকাশযান পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

অ্যাপোলো মিশনের ৫০ বছরেরও বেশি সময় পর যুক্তরাষ্ট্র আবারও চাঁদে একটি মহকাশ যান পাঠাচ্ছে। চন্দ্রপৃষ্ঠে অবতরণের জন্য প্রথম বেসরকারি কোম্পানির প্রধান এই কথা বলেছেন।

পেরেগ্রিন নামের এই ল্যান্ডারটিতে কোন নভোচারী থাকবে না। যানটি আমেরিকান কোম্পানি অ্যাস্ট্রোবোটিক তৈরি করেছে। 

কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জন থর্নটন বলেছেন, নাসার আর্টেমিস মানব মিশনের প্রত্যাশায় চন্দ্রের পরিবেশ অধ্যয়নের জন্য যন্ত্রপাতি বহন করবে। 

বেশ কয়েক বছর আগে নাসা ‘সিএলপিএস’ নামে একটি কর্মসূচির অধীনে মার্কিন কোম্পানি গুলোকে চাঁদে বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও প্রযুক্তি পাঠাতে অনুমোদন দেয়। বেসরকারি কোম্পানির সাথে চুক্তির লক্ষ্য চন্দ্র অভিযান খাতে অর্থনীতির বিকাশ ঘটানো এবং কম খরচে পরিবহন পরিষেবা প্রদান করা। 

বুধবার পিটসবার্গে কোম্পানির ঘাঁটিতে একটি প্রেস ব্রিফিংয়ে থর্নটন বলেছেন, ‘আমরা এখানে যা করার চেষ্টা করছি তার একটি বড় চ্যালেঞ্জ হল কম ব্যয়ে চাঁদের পৃষ্ঠে উৎক্ষেপণ এবং অবতরণের চেষ্টা।’  

তিনি বলেন, ‘চাঁদের পৃষ্ঠে যাওয়া প্রায় অর্ধেক মিশন সফল হয়েছে। সুতরাং এটি অবশ্যই একটি ভয়ঙ্কর চ্যালেঞ্জ। আমি এর প্রতিটি পর্যায়ে আতঙ্কিত এবং রোমাঞ্চিত হচ্ছি।’

থর্নটন বলেন, ভলকান সেন্টার নামে ইউএলএ শিল্প গ্রুপের নতুন রকেটের উদ্বোধনী ফ্লাইটে ফ্লোরিডা থেকে ২৪ ডিসেম্বর এটি উৎক্ষেপণের কথা রয়েছে। তারপর অনুসন্ধান যানটি চন্দ্রের কক্ষপথে পৌঁছাতে ‘কয়েক দিন’ সময় নেবে। তবে অবতরণের চেষ্টা করার আগে ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। যাতে লক্ষ্যস্থলে আলোর অবস্থা ঠিক থাকে।

মানব হস্তক্ষেপ ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে এটি পরিচালিত হবে। তবে কোম্পানির নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র থেকে পর্যবেক্ষণ করা হবে।

Leave Your Comments


ইন্টেলকে ১০ বিলিয়ন ডলার ভর্তুকি দেবে যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশিত :  ০৬:০৩, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট: ০৮:২৪, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

বাইডেন প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম চিপ উত্পাদনকারী কোম্পানি ইন্টেলকে ১ হাজার কোটি ডলার ভর্তুকি দেওয়ার কথা বিবেচনা করছে। এই ভর্তুকি নিয়ে আলোচনা চলছে। ব্লুমবার্গ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

এ ভর্তুকির বিষয়ে এখন আলোচনা চলছে বলেও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। এতে ঋণ ও সরাসরি অনুদানও থাকবে বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও ইন্টেলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এরই মধ্যে চিপস অ্যাক্টের অধীনে দু’টি অনুদানের ঘোষণা দিয়েছে। মার্কিন বাণিজ্য সচিব গিনা রাইমন্ডো চলতি মাসের শুরুতে এক বিবৃতি দিয়েছিলেন। সেখানে তার বিভাগ থেকে সেমিকন্ডাক্টর উত্পাদন বাড়াতে দুই মাসের মধ্যে ৩ হাজার ৯০০ কোটি ডলারের বিলিয়ন প্রোগ্রাম থেকে তহবিল পুরস্কার দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন।

চিপ উত্পাদন ও সরবরাহ চেইনে বিনিয়োগের জন্যই এ তহবিল গঠন করা হয়েছে। এছাড়া ভর্তুকির মাধ্যমে নতুন কারখানা স্থাপন করা হবে, যেটি দেশটির অভ্যন্তরীণ পর্যায়ে উত্পাদন বাড়াতে সহায়তা করবে। ওহাইওতে একটি নতুন সাইটসহ অ্যারিজোনা ও নিউ মেক্সিকোয় দীর্ঘমেয়াদে চিপ কারখানা স্থাপনে কয়েক হাজার কোটি ডলার ব্যয়ের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে ইন্টেল।

কোম্পানির বিবৃতি অনুযায়ী, ওহাইওর কারখানাটি বিশ্বের অন্যতম বড় চিপ উত্পাদন কেন্দ্র হতে যাচ্ছে। তবে সম্প্রতি ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কিন কোম্পানিটি ২০২৬ সালের আগে ওহাইওতে কারখানা স্থাপনের কাজ শেষ করতে পারবে না।

ইন্টেল ছাড়াও মাইক্রোন ও স্যামসাং ইলেকট্রনিকস যুক্তরাষ্ট্রে আলাদা চিপ উত্পাদন কেন্দ্র স্থাপনের বিষয়ে কাজ করছে বলেও জানা গেছে।


img