সারাদেশে ১৬২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

প্রকাশিত :  ০৫:৩৪, ০৩ ডিসেম্বর ২০২৩

সারাদেশে ১৬২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

বিএনপির ডাকা নবম দফা অবরোধের প্রথমদিনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সারা দেশে ১৬২ প্লাটুন বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। রোববার (৩ ডিসেম্বর) এক বার্তায় এই তথ্য জানিয়েছেন বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা শরীফুল ইসলাম।

তিনি জানান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঢাকা ও আশপাশের জেলায় ২৩ প্লাটুনসহ সারাদেশে ১৬২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

এদিকে রাজধানীর চার এলাকায় বাসে আগুন দিয়েছে দুষ্কৃতিকারীরা। শনিবার (২ ডিসেম্বর) রাত ১১টার দিকে আগারগাঁওয়ে ভূঁইয়া পরিবহনের একটি বাসে, গাবতলী বাস টার্মিনালে পদ্মা লাইনের একটি বাসে এবং মিরপুর-১ এর ফুটওভার ব্রিজের নিচে বিআরটিসির একটি দুতলা বাসে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা।

এর আগে রাত সাড়ে ১০টার দিকে যাত্রাবাড়ী থানার সায়েদাবাদ করাতীটোলা স্কুলের পেছনে আসমানী পরিবহনের একটি বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।

শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের কন্ট্রোল রুমের ডিউটি অফিসার রাকিবুল হাসান এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, সায়েদাবাদ এলাকায় দুর্বৃত্তদের দেওয়া আগুনে একটি যাত্রীবাহী বাসে আগুন লাগে। ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি যাওয়ার আগেই স্থানীয়রা নিয়ন্ত্রণে এনেছে। রাত ১০টা ১০ মিনিটের দিকে এ আগুন লাগে। এদিকে রাত ১১টার দিকে শেরে বাংলা নগর থানার আগারগাঁও এলাকায় মোহাম্মদপুর থেকে উত্তরা রুটে চলাচল করা ভূইয়া পরিবহনে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের মোহাম্মদপুর ফায়ার স্টেশনের দুটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। একই সময়ে গাবতলী বাস টার্মিনালে পদ্মা লাইনের একটি বাসে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। সেখানেও ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট কাজ করছে। এদিকে মিরপুর-১ এর ফুটওভার ব্রিজের নিচে বিআরটিসির একটি দুতলা বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে।

এসব ঘটনায় এখনো কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি বলেও জানান ডিউটি অফিসার রাকিবুল হাসান।

Leave Your Comments


৭৫ পরবর্তী সরকারগুলো সমুদ্রসীমা নিয়ে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি

প্রকাশিত :  ০৫:৩২, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সমুদ্রসীমায় অধিকার নিয়ে ৭৫ পরবর্তী সরকারগুলো তেমন কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। শুধু সমুদ্রসীমাই নয়, স্থলসীমা নিয়েও কেউ কোনো উদ্যোগ নেয়নি। ২১টা বছর তারা সমুদ্রসীমার অধিকার নিয়ে কেউ কোনো কথা বলেনি। জাতির পিতা যেখানে রেখে গিয়েছিলেন সেখানেই পড়েছিল।

বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘দ্য টেরিটোরিয়াল ওয়াটারস অ্যান্ড মেরিটাইম জোন অ্যাক্ট-১৯৭৪’র সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

ব্লু ইকোনমির জন্য সামুদ্রিক সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহারের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে শেখ হাসিনা বলেন, সামুদ্রিক সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার ও সমুদ্রপথ নিরাপদ রাখতে হবে। ব্লু ইকোনমির জন্য এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

‘আমাদের স্থল সীমানার চুক্তি বঙ্গবন্ধু করে গিয়েছিলেন। ভারতের সঙ্গে চুক্তি করেন। সেই সাথে সংবিধান সংশোধন করে চুক্তি বাস্তবায়ন করেন। পরবর্তীতে সেটা কার্যকর করা হয়নি। ২১ বছর পর আমরা যখন সরকারে আসি, এই বিষয়গুলো নিয়ে কাজ শুরু করি। তখন কাজগুলো খুব গোপনীয়তার সঙ্গে শুরু করতে হয়েছিল। আমাদের সমুদ্রসীমা যাতে নিশ্চিত হয় সেজন্য জাতিসংঘে আমরা সই করে আসি।-বলেন বঙ্গবন্ধুকন্যা।

শেখ হাসিনা বলেন, ২০১২ এবং ২০১৪ সালে বাংলাদেশ-মিয়ানমার এবং ভারতের সাথে সমুদ্রসীমার নিষ্পত্তি করি। আজ বিশাল সমুদ্রসীমার অধিকার রয়েছে, আমরা সম্ভাবনাময় একটা বিশাল অর্থনৈতিক এলাকা পেয়েছি। সামুদ্রিক পথ সকল দেশ ব্যবহার করছে, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য চলছে। ইতিমধ্যে ইন্সটিটিউট গড়ে তুলেছি গবেষণার জন্য, সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।

বঙ্গোসাগরীয় অঞ্চলের বাণিজ্য ব্যবস্থায় যেন কোনো দ্বন্দ্ব না হয় সে ব্যাপারে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চল সমসময়ই নিরাপদ। দ্বন্দ্ব সংঘাত যেন না হয় সেজন্য সতর্ক থাকতে হবে। শান্তিপূর্ণ বাণিজ্যপথ হিসেবেই যেন অব্যাহত থাকে।

বাংলাদেশ সবার সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কে বিশ্বাসী এমনটা জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ভারত মহাসাগরীয় নৌরুটে কোনো দ্বন্দ্ব আশা করি না। সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব কারও সঙ্গে বৈরিতা নয় জাতির পিতার এই নীতি নিয়েই চলছে সরকার।

img