১০ ডিসেম্বর ঢাকায় আ.লীগের সমাবেশ, ইসি বলল অনুমতি লাগবে

প্রকাশিত :  ০৭:১৪, ০৩ ডিসেম্বর ২০২৩

১০ ডিসেম্বর ঢাকায় আ.লীগের সমাবেশ, ইসি বলল অনুমতি লাগবে

আগামী ১০ ডিসেম্বর রাজধানীতে সমাবেশের ডাক দিয়েছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। দলটির ডাকা এই সমাবেশ করতে নির্বাচন কমিশনের অনুমতি লাগবে বলে জানিয়েছেন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ।

রোববার (৩ ডিসেম্বর) আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে ইসির কর্মকর্তাদের সঙ্গে ইইউ ইলেকশন এক্সপার্ট টিমের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

সচিব অশোক কুমার দেবনাথ বলেন, এখনো এ বিষয়ে আমরা কোনো চিঠি পাইনি। চিঠি পেলে পরে চিন্তা করব। আমাদের আচরণবিধিতে যা আছে তাতে করে কোনো রাজনৈতিক দল সমাবেশ করতে চাইলে আমাদের লোকাল রিটার্নিং অফিস থেকে অনুমতি নিতে হবে।

ইইউ বিশেষজ্ঞ দলের সঙ্গে বৈঠক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কমিশনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিশেষজ্ঞ দল বসতে চেয়েছিলেন। এজন্য তাদের সঙ্গে আজ বৈঠক করেছি। তারা ২৩ জানুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশে থাকবেন। এই সময়ে ইইউ প্রতিনিধি দল দেশব্যাপী ঘুরে সহিংসতাসহ নানা বিষয় পর্যবেক্ষণ করবেন। তারা নির্বাচন পূর্ব এবং পরবর্তী সবকিছু পর্যবেক্ষণ করবেন।

এদিকে বৈঠকে ইসির অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথের নেতৃত্বে ইসির উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে ইইউ নির্বাচনী বিশেষজ্ঞ ডেভিড নোয়েল ওয়ার্ড, নির্বাচনী বিশ্লেষক আলেকজান্ডার ম্যাটাস, সুইবেস শার্লট এবং আইন বিশেষজ্ঞ রেবেকা কক্স উপস্থিত ছিলেন। ছিলেন। 

Leave Your Comments


৭৫ পরবর্তী সরকারগুলো সমুদ্রসীমা নিয়ে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি

প্রকাশিত :  ০৫:৩২, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সমুদ্রসীমায় অধিকার নিয়ে ৭৫ পরবর্তী সরকারগুলো তেমন কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। শুধু সমুদ্রসীমাই নয়, স্থলসীমা নিয়েও কেউ কোনো উদ্যোগ নেয়নি। ২১টা বছর তারা সমুদ্রসীমার অধিকার নিয়ে কেউ কোনো কথা বলেনি। জাতির পিতা যেখানে রেখে গিয়েছিলেন সেখানেই পড়েছিল।

বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘দ্য টেরিটোরিয়াল ওয়াটারস অ্যান্ড মেরিটাইম জোন অ্যাক্ট-১৯৭৪’র সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

ব্লু ইকোনমির জন্য সামুদ্রিক সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহারের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে শেখ হাসিনা বলেন, সামুদ্রিক সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার ও সমুদ্রপথ নিরাপদ রাখতে হবে। ব্লু ইকোনমির জন্য এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

‘আমাদের স্থল সীমানার চুক্তি বঙ্গবন্ধু করে গিয়েছিলেন। ভারতের সঙ্গে চুক্তি করেন। সেই সাথে সংবিধান সংশোধন করে চুক্তি বাস্তবায়ন করেন। পরবর্তীতে সেটা কার্যকর করা হয়নি। ২১ বছর পর আমরা যখন সরকারে আসি, এই বিষয়গুলো নিয়ে কাজ শুরু করি। তখন কাজগুলো খুব গোপনীয়তার সঙ্গে শুরু করতে হয়েছিল। আমাদের সমুদ্রসীমা যাতে নিশ্চিত হয় সেজন্য জাতিসংঘে আমরা সই করে আসি।-বলেন বঙ্গবন্ধুকন্যা।

শেখ হাসিনা বলেন, ২০১২ এবং ২০১৪ সালে বাংলাদেশ-মিয়ানমার এবং ভারতের সাথে সমুদ্রসীমার নিষ্পত্তি করি। আজ বিশাল সমুদ্রসীমার অধিকার রয়েছে, আমরা সম্ভাবনাময় একটা বিশাল অর্থনৈতিক এলাকা পেয়েছি। সামুদ্রিক পথ সকল দেশ ব্যবহার করছে, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য চলছে। ইতিমধ্যে ইন্সটিটিউট গড়ে তুলেছি গবেষণার জন্য, সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।

বঙ্গোসাগরীয় অঞ্চলের বাণিজ্য ব্যবস্থায় যেন কোনো দ্বন্দ্ব না হয় সে ব্যাপারে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চল সমসময়ই নিরাপদ। দ্বন্দ্ব সংঘাত যেন না হয় সেজন্য সতর্ক থাকতে হবে। শান্তিপূর্ণ বাণিজ্যপথ হিসেবেই যেন অব্যাহত থাকে।

বাংলাদেশ সবার সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কে বিশ্বাসী এমনটা জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ভারত মহাসাগরীয় নৌরুটে কোনো দ্বন্দ্ব আশা করি না। সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব কারও সঙ্গে বৈরিতা নয় জাতির পিতার এই নীতি নিয়েই চলছে সরকার।

img